
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতে প্রবাসীদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ বেশ পুরনো। তবে দূতাবাসগুলোতে যেসব কর্মকর্তার আচরণ খারাপ তাদের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের অভিযোগ দিতে অনুরোধ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রবাসী ভবনে জুলাই ও আগস্টে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কারামুক্ত হয়ে দেশে ফেরত আসা কর্মীদের মাঝে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, আমি দুবাইতে গিয়েছিলাম। সেখানে প্রবাসীদের সাথে কথা বলেছি। প্রবাসীরা আমাকে বলেছেন কোনো কোনো দূতাবাসের কর্মকর্তার আচরণ ছিল শত্রুভাবাপন্ন। আপনারা এভাবে (উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য করে) কথা না বলে নির্দিষ্ট করে বলেন যে, ওনার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আছে। আপনারা যদি অভিযোগ দেন তাহলে আমরা তদন্ত করে দেখতে পারি। পরে আমরা ফরেন মিনিস্ট্রিতে পাঠাতে পারি। অভিযোগ না দিলে তো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, আপনারা সুন্দর একটি কাগজে অভিযাগ দেন। আমরা ফরেন মিনিস্ট্রিতে দেব। আমি মনে করি, আপনাদের এই বিপদের সময় যদি কেউ আপনাদের সাহায্য ও সেবা দেওয়ার পরিবর্তে শত্রুতামূলক আচরণ করে থাকে, তবে তার চাকরির ক্ষেত্রে শুধু নয় তার বিচার হওয়া উচিত ।
প্রবাসীরা দেশের সম্পদ, তাদের ভিআইপি বলে উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, আপনাদের যে দুর্ভোগ আছে, সেটা অনেকাংশে কমানোর চেষ্টা করছি। এই সরকার সব সময় মনে করে, প্রবাসীরা আমাদের সম্পদ, তারা আমাদের ভিআইপি। আমরা সেটা বাস্তবাযন করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। তা আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। আরও কিছু কাজ আছে সেগুলো বাস্তবায় করতে সময় লাগবে।
উপদেষ্টা বলেন, আপনারা যারা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ নিতে চান বলে জানিয়েছেন, বিষয়টি আমরা দেখব। যাতে আপনারা সহজ শর্তে ঋণ পান।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ১৮৮ জনকে ৫০ হাজার করে টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। তবে এই তালিকার বাইরে যারা তালিকায় নাম তুলতে পারেননি তাদের মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতে প্রবাসীদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ বেশ পুরনো। তবে দূতাবাসগুলোতে যেসব কর্মকর্তার আচরণ খারাপ তাদের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের অভিযোগ দিতে অনুরোধ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রবাসী ভবনে জুলাই ও আগস্টে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কারামুক্ত হয়ে দেশে ফেরত আসা কর্মীদের মাঝে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, আমি দুবাইতে গিয়েছিলাম। সেখানে প্রবাসীদের সাথে কথা বলেছি। প্রবাসীরা আমাকে বলেছেন কোনো কোনো দূতাবাসের কর্মকর্তার আচরণ ছিল শত্রুভাবাপন্ন। আপনারা এভাবে (উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য করে) কথা না বলে নির্দিষ্ট করে বলেন যে, ওনার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আছে। আপনারা যদি অভিযোগ দেন তাহলে আমরা তদন্ত করে দেখতে পারি। পরে আমরা ফরেন মিনিস্ট্রিতে পাঠাতে পারি। অভিযোগ না দিলে তো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, আপনারা সুন্দর একটি কাগজে অভিযাগ দেন। আমরা ফরেন মিনিস্ট্রিতে দেব। আমি মনে করি, আপনাদের এই বিপদের সময় যদি কেউ আপনাদের সাহায্য ও সেবা দেওয়ার পরিবর্তে শত্রুতামূলক আচরণ করে থাকে, তবে তার চাকরির ক্ষেত্রে শুধু নয় তার বিচার হওয়া উচিত ।
প্রবাসীরা দেশের সম্পদ, তাদের ভিআইপি বলে উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, আপনাদের যে দুর্ভোগ আছে, সেটা অনেকাংশে কমানোর চেষ্টা করছি। এই সরকার সব সময় মনে করে, প্রবাসীরা আমাদের সম্পদ, তারা আমাদের ভিআইপি। আমরা সেটা বাস্তবাযন করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। তা আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। আরও কিছু কাজ আছে সেগুলো বাস্তবায় করতে সময় লাগবে।
উপদেষ্টা বলেন, আপনারা যারা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ নিতে চান বলে জানিয়েছেন, বিষয়টি আমরা দেখব। যাতে আপনারা সহজ শর্তে ঋণ পান।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ১৮৮ জনকে ৫০ হাজার করে টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। তবে এই তালিকার বাইরে যারা তালিকায় নাম তুলতে পারেননি তাদের মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
৮ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
৯ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চেয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সে দিকেই এগোচ্ছে। মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাদের নাগরিক অধিকার ভোগ করছে। আমিও আনন্দিত। এই ভোটে আমিও শরিক হলাম।
১০ ঘণ্টা আগে