
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুই অভিনয়শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন ও সোহানা সাবাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে দুই অভিনেত্রীকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, তাদের দুজনকে ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মেহের আফরোজ শাওনকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে আটক করে নিয়ে যায় ডিবি। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক গণমাধ্যমকে জানান, শাওনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকেই আরেক অভিনয়শিল্পী সোহানা সাবাকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের কার্যালয়ে নিয়ে যায় ডিবি। তাকেও রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ডিবি জানায়।
এদিকে বিদেশের মাটিতে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রসংক্রান্ত একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জানা গেছে, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি কলকাতায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থির করে তুলতে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মীকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়। ছড়িয়ে পড়া একটি নথির ছবিতে দেখা যায়, ওই বৈঠকে মেহের আফরোজ শাওন ও সোহানা সাবা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
ওই বৈঠকের জন্যই শাওন ও সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে ধারণা নেটিজেনদের। যদিও বৈঠকটির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সরকার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তাও বৈঠকটি নিয়ে কিছু জানাননি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুই অভিনয়শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন ও সোহানা সাবাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে দুই অভিনেত্রীকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, তাদের দুজনকে ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মেহের আফরোজ শাওনকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে আটক করে নিয়ে যায় ডিবি। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক গণমাধ্যমকে জানান, শাওনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকেই আরেক অভিনয়শিল্পী সোহানা সাবাকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের কার্যালয়ে নিয়ে যায় ডিবি। তাকেও রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ডিবি জানায়।
এদিকে বিদেশের মাটিতে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রসংক্রান্ত একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জানা গেছে, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারি কলকাতায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থির করে তুলতে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মীকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়। ছড়িয়ে পড়া একটি নথির ছবিতে দেখা যায়, ওই বৈঠকে মেহের আফরোজ শাওন ও সোহানা সাবা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
ওই বৈঠকের জন্যই শাওন ও সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে ধারণা নেটিজেনদের। যদিও বৈঠকটির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সরকার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তাও বৈঠকটি নিয়ে কিছু জানাননি।

আদালত রায়ে বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতের রায় সবার জন্য বাধ্যতামূলক। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট আহ্বান করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিজিবি জানিয়েছে, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে পদ্মা নদীতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় মো. ওয়াসিম (২৩) নামের একজন সাঁতরে বাঁচলেও ১১ জন স্রোতে ভেসে যান।
১৬ ঘণ্টা আগে
আমোদেইর তিন দফা প্রস্তাবের প্রথমটিতে বলা হয়েছে— শীর্ষস্থানীয় বা ‘ফ্রন্টিয়ার’ এআই কোম্পানিগুলোর ভেতরে স্থায়ীভাবে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মূল্যায়নকারী রাখা প্রয়োজন। কর্মীদের মতো প্রয়োজনীয় প্রবেশাধিকার দিয়ে মূলত তাদের কোম্পানির নিরাপত্তাব্যবস্থা যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ দমনে বর্তমান সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ কারণে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে