
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গুম হওয়া ১২ জনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে আবেদন দাখিল করা হয়েছে। ১২ জনের মধ্যে ১০ জন গুম হয়ে এখনো ফিরে আসেননি। বাকি দুজন গুম থেকে ফেরত এসেছেন।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এ সময় গুম থেকে ফেরত আসা দুই ব্যক্তিসহ বাকি ১০ জনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ৯টা অভিযোগের মধ্যে ১০ জনের গুমের অভিযোগ। যারা বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হয়েছেন, আজ পর্যন্ত ফিরে আসেননি। গুমের শিকার ব্যক্তিরা হলেন—আমিনুল ইসলাম ও আনিসুর রহমান নামে দুজন ২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর র্যাব কর্তৃক অপহৃত হন। মুন্সীগঞ্জ থেকে সোহেল মিয়াজী ২০১৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হন। ২০১১ সালের ১০ জুলাই বনানী থেকে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ হয়ে যান। একই বছরের ৩ ডিসেম্বর ইকবাল হোসেনকে আগারগাঁও থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উঠিয়ে নিয়ে যায়। আইনুল ইসলামকে মদনপুর চৌরাস্তা থেকে ২০২০ সালের ৪ জুলাই উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট মোহাম্মদ সাজুকে মোহাম্মদপুর থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কুদ্দুসর রহমান চৌধুরীকে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর মিরপুর-১ থেকে তুলে নেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল মো. কাইয়ুমকে গাবতলী থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়। ভাষানটেক থেকে মো. মোস্তফাকে ২০২০ সালের ৬ জুন উঠিয়ে নেওয়া হয়। আজ পর্যন্ত তাদের স্বজনেরা জানে না এরা কোথায় আছে। জীবিত নাকি মৃত।
তিনি আরও জানান, ‘বাংলাদেশ গুম পরিবার’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬৪ ঘটনার তালিকা দেওয়া হয়েছে। এগুলো গ্রহণ করেছি। যাচাই-বাছাই পর্যালোচনা করব। বেশির ভাগ অভিযোগে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযুক্ত করেছেন। ওই সংগঠনের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনকে ২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরে একই সালের ২ নভেম্বর তাকে একটা জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। তিনিও ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন। এছাড়া ৬ মাস তিন দিন গুম করে রাখার অভিযোগে আইনজীবী সোহেল রানাও ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন।

২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গুম হওয়া ১২ জনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে আবেদন দাখিল করা হয়েছে। ১২ জনের মধ্যে ১০ জন গুম হয়ে এখনো ফিরে আসেননি। বাকি দুজন গুম থেকে ফেরত এসেছেন।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এ সময় গুম থেকে ফেরত আসা দুই ব্যক্তিসহ বাকি ১০ জনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ৯টা অভিযোগের মধ্যে ১০ জনের গুমের অভিযোগ। যারা বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হয়েছেন, আজ পর্যন্ত ফিরে আসেননি। গুমের শিকার ব্যক্তিরা হলেন—আমিনুল ইসলাম ও আনিসুর রহমান নামে দুজন ২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর র্যাব কর্তৃক অপহৃত হন। মুন্সীগঞ্জ থেকে সোহেল মিয়াজী ২০১৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হন। ২০১১ সালের ১০ জুলাই বনানী থেকে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ হয়ে যান। একই বছরের ৩ ডিসেম্বর ইকবাল হোসেনকে আগারগাঁও থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উঠিয়ে নিয়ে যায়। আইনুল ইসলামকে মদনপুর চৌরাস্তা থেকে ২০২০ সালের ৪ জুলাই উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১৮ সালের ২৭ আগস্ট মোহাম্মদ সাজুকে মোহাম্মদপুর থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কুদ্দুসর রহমান চৌধুরীকে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর মিরপুর-১ থেকে তুলে নেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল মো. কাইয়ুমকে গাবতলী থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়। ভাষানটেক থেকে মো. মোস্তফাকে ২০২০ সালের ৬ জুন উঠিয়ে নেওয়া হয়। আজ পর্যন্ত তাদের স্বজনেরা জানে না এরা কোথায় আছে। জীবিত নাকি মৃত।
তিনি আরও জানান, ‘বাংলাদেশ গুম পরিবার’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬৪ ঘটনার তালিকা দেওয়া হয়েছে। এগুলো গ্রহণ করেছি। যাচাই-বাছাই পর্যালোচনা করব। বেশির ভাগ অভিযোগে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযুক্ত করেছেন। ওই সংগঠনের আহ্বায়ক বেলাল হোসেনকে ২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর উঠিয়ে নেওয়া হয়। পরে একই সালের ২ নভেম্বর তাকে একটা জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। তিনিও ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন। এছাড়া ৬ মাস তিন দিন গুম করে রাখার অভিযোগে আইনজীবী সোহেল রানাও ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন।

জুলাই আন্দোলন দমনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু শুধু ‘নির্লিপ্ত দর্শক’ ছিলেন না, বরং ‘বেআইনি দমন-পীড়নে’ সক্রিয় অংশগ্রহণ ও উসকানি দিয়েছিলেন বলে রায়ের পর্যবেক্ষণে তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৪ ঘণ্টা আগে
তার অসুস্থতার খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তার সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) মঙ্গলবার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরান সরকারের আমন্ত্রণে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে তেহরান যাচ্ছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. মনির হোসেন এ তথ্য জানান।
৬ ঘণ্টা আগে
এর আগে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা আলোচনায় অংশ নিয়ে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সবাই আগ্রহ নিয়ে শোনেন, তবে সেই বক্তব্যের প্রতিফলন যদি মাঠপর্যায়ে দেখা যেত, তাহলে ছাঁটাই প্রস্তাব আনতে হতো না।
৬ ঘণ্টা আগে