
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে লেবানন থেকে যারা ফিরতে ইচ্ছুক, তাদের ফেরত আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার থেকে এক লাখ। এর মধ্যে এক হাজার ৮০০ জনের মতো দেশে ফেরত আসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অনেকেই ফেরত আসতে চান না, কারণ অনেক টাকা খরচ করে গেছেন। দেশে ফিরে কী করবেন, সেজন্য বিপদ জেনেও তারা সে দেশে থেকে যেতে চান।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের মধ্যে ১৬৭ জনের লিগ্যাল ডকুমেন্টস আছে, বাকি ১৬২৩ জন আনডকুমেন্টেড। আইওএম ২০০ জনকে চার্টার্ড ফ্লাইটে ফেরত আনার জন্য কাজ করছে। অন্যদের জন্য সরকার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে, প্রতিদিন প্রায় ৫০ জনের মতো আসতে পারবেন। আগামী ২০ তারিখে প্রথম ফ্লাইটে ৫৩ জন এবং ২২ তারিখ ৫৮ জন ঢাকায় আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, সবাইকে বিমানের আনার নিশ্চয়তা নেই। কারণ, বৈরুত থেকে ৫০ জনের বেশি সিট বিমানে পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য, চিন্তাভাবনা করছি প্রয়োজনে সমুদ্রপথে তাদের তুরস্কের মিরসিন বন্দরে এনে পরে বিমানে দেশে আনার। তবে এটি অনেক ব্যয়বহুল, তারপরও মানুষের জীবনের নিরাপত্তায় এ ব্যবস্থা আমরা রাখছি।
তিনি বলেন, যারা ফিরে আসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগই অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। তাদের জন্য সমস্যা একটু বেশি, তাদের জন্য ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। আর ক্লিয়ারেন্সের জন্য জরিমানার ব্যবস্থা আছে, সেটি মওকুফ করার ব্যবস্থা করছি। আইওএমের সহায়তা চেয়েছি। ফিরতে ইচ্ছুকদের সরকারি খরচে নিয়ে আসছি।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে লেবানন থেকে যারা ফিরতে ইচ্ছুক, তাদের ফেরত আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার থেকে এক লাখ। এর মধ্যে এক হাজার ৮০০ জনের মতো দেশে ফেরত আসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অনেকেই ফেরত আসতে চান না, কারণ অনেক টাকা খরচ করে গেছেন। দেশে ফিরে কী করবেন, সেজন্য বিপদ জেনেও তারা সে দেশে থেকে যেতে চান।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের মধ্যে ১৬৭ জনের লিগ্যাল ডকুমেন্টস আছে, বাকি ১৬২৩ জন আনডকুমেন্টেড। আইওএম ২০০ জনকে চার্টার্ড ফ্লাইটে ফেরত আনার জন্য কাজ করছে। অন্যদের জন্য সরকার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে, প্রতিদিন প্রায় ৫০ জনের মতো আসতে পারবেন। আগামী ২০ তারিখে প্রথম ফ্লাইটে ৫৩ জন এবং ২২ তারিখ ৫৮ জন ঢাকায় আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, সবাইকে বিমানের আনার নিশ্চয়তা নেই। কারণ, বৈরুত থেকে ৫০ জনের বেশি সিট বিমানে পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য, চিন্তাভাবনা করছি প্রয়োজনে সমুদ্রপথে তাদের তুরস্কের মিরসিন বন্দরে এনে পরে বিমানে দেশে আনার। তবে এটি অনেক ব্যয়বহুল, তারপরও মানুষের জীবনের নিরাপত্তায় এ ব্যবস্থা আমরা রাখছি।
তিনি বলেন, যারা ফিরে আসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগই অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। তাদের জন্য সমস্যা একটু বেশি, তাদের জন্য ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। আর ক্লিয়ারেন্সের জন্য জরিমানার ব্যবস্থা আছে, সেটি মওকুফ করার ব্যবস্থা করছি। আইওএমের সহায়তা চেয়েছি। ফিরতে ইচ্ছুকদের সরকারি খরচে নিয়ে আসছি।

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
৮ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
৯ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআইয়ের পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে থাকা অবস্থায় গত ২৫ জুন বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন আজকের তারিখ থেকেই ভিসা চালুর ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ীই শুরু হলো ভিসা কার্যক্রম।
১০ ঘণ্টা আগে