
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

৪৩তম বিসিএসের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন চলতি সপ্তাহে জারি হতে পারে। এ সংক্রান্ত সব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্তদের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব রহিমা আক্তার বলেন, খুব রিসেন্ট ৪৩তম বিসিএসের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হবে, ইনশাআল্লাহ। আমাদের কাজ শেষ। আশা করছি, এ সপ্তাহের মধ্যেই হবে। আমরা প্রার্থীদের উদ্যেগ-উৎকণ্ঠা বুঝতে পারছি। আমরা আমাদের কাজ শেষ করেছি।
পিএসসির সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আর এ বিসিএসের পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় লাগছে প্রায় চার বছর।
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে মোট দুই হাজার ৮০৫ জন নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে ক্যাডার ২ হাজার ১৬৩ জন এবং নন-ক্যাডার ৬৪২ জন।
২০২২ সালের জুলাইয়ে লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করে পিএসসি। গত বছরের ২০ আগস্ট লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৯ হাজার ৮৪১ জন। তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।
এর আগে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। প্রকাশিত ফলাফলে ১৫ হাজার ২২৯ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হন। ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে চার লাখ ৪২ হাজার ৮৩২ জন প্রার্থী আবেদন করেন, যা বিসিএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
বিভিন্ন ক্যাডারের দুই হাজার ২১৮টি শূন্যপদ পূরণে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেয় পিএসসি। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন প্রক্রিয়া।

৪৩তম বিসিএসের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন চলতি সপ্তাহে জারি হতে পারে। এ সংক্রান্ত সব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্তদের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব রহিমা আক্তার বলেন, খুব রিসেন্ট ৪৩তম বিসিএসের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হবে, ইনশাআল্লাহ। আমাদের কাজ শেষ। আশা করছি, এ সপ্তাহের মধ্যেই হবে। আমরা প্রার্থীদের উদ্যেগ-উৎকণ্ঠা বুঝতে পারছি। আমরা আমাদের কাজ শেষ করেছি।
পিএসসির সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আর এ বিসিএসের পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় লাগছে প্রায় চার বছর।
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে মোট দুই হাজার ৮০৫ জন নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে ক্যাডার ২ হাজার ১৬৩ জন এবং নন-ক্যাডার ৬৪২ জন।
২০২২ সালের জুলাইয়ে লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করে পিএসসি। গত বছরের ২০ আগস্ট লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৯ হাজার ৮৪১ জন। তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।
এর আগে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। প্রকাশিত ফলাফলে ১৫ হাজার ২২৯ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হন। ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে চার লাখ ৪২ হাজার ৮৩২ জন প্রার্থী আবেদন করেন, যা বিসিএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
বিভিন্ন ক্যাডারের দুই হাজার ২১৮টি শূন্যপদ পূরণে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেয় পিএসসি। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন প্রক্রিয়া।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা ও বিএনপির তোলা অভিযোগগুলোই এই বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধিদলে দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তারেক রহমান দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে গুণীজনদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং একটি সুস্থ ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর বিধান অনুসরণ সংক্রান্ত পরিপত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাতে বলা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে