
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে তলব করেছে সরকার। একই সঙ্গে গত ২৫ বছরে যেসব বিদ্যালয়ে কোনো নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়নি, সেগুলোর তালিকাও চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৪ মে-র মধ্যে নির্ধারিত ছকে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে, যাতে করে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পাঠদানের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ ডিপিই বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে নানা অবকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনো পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অতি পুরোনো, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে পড়েছে, এসব ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া কমিটি কর্তৃক অকেজো ঘোষিত ভবনও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয়ে আলাদা টিনশেড ঘর বা অস্থায়ী টিনশেড কক্ষ রয়েছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের জেলা ভিত্তিক তথ্য জরুরিভিত্তিতে পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মের তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে তলব করেছে সরকার। একই সঙ্গে গত ২৫ বছরে যেসব বিদ্যালয়ে কোনো নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়নি, সেগুলোর তালিকাও চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৪ মে-র মধ্যে নির্ধারিত ছকে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে, যাতে করে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পাঠদানের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ ডিপিই বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে নানা অবকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিদ্যালয়ে এখনো পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অতি পুরোনো, যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে পড়েছে, এসব ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এছাড়া কমিটি কর্তৃক অকেজো ঘোষিত ভবনও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব বিদ্যালয়ে আলাদা টিনশেড ঘর বা অস্থায়ী টিনশেড কক্ষ রয়েছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের জেলা ভিত্তিক তথ্য জরুরিভিত্তিতে পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মের তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৬ ঘণ্টা আগে