স্বাধীনতা পুরস্কারে জেনারেল ওসমানীকে না রাখার যে ব্যাখ্যা সরকারের

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী। ছবি: সংগৃহীত

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর (এম এ জি ওসমানী) নাম প্রাথমিকভাবে আলোচনায় থাকলেও স্বাধীনতা পুরস্কারের চূড়ান্ত তালিকায় না থাকা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে সরকার।

সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, জেনারেল ওসমানীকে এর আগেও ১৯৮৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। একই ব্যক্তিকে একাধিকবার এ পুরস্কার দেওয়ার নজির নেই বলেই চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম রাখা হয়নি।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়। এ দিন দুপুরেই এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীনতের চূড়ান্ত তালিকা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আকারে জানায় মন্ত্রিপরিষদ।

মন্ত্রিপরিষদের ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছর সাত বিশিষ্ট নাগরিককে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করবে সরকার। তারা হলেন— অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, আল মাহমুদ ও নভেরা আহমেদ, স্যার ফজলে হাসান আবেদ, আজম খান, বদরুদ্দীন উমর ও আবরার ফাহাদ। তারা সবাই মরণোত্তর পুরস্কার পাবেন।

এর আগে মার্চের প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এই ব্যক্তিদের সঙ্গে জেনারেল এম এ জি ওসমানীকেও এবার স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হবে। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে তার নাম না থাকলে তাই সমালোচনা তৈরি হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে গণমাধ্যমে বার্তা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। তাতে বলা হয়েছে, ১৯৮৪ সালে মুক্তিবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওসমানীকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রাথমিকভাবে তাকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছিল। কিন্তু যেহেতু একবারের বেশি কারও এই পুরস্কার পাওয়ার কোনো নজির নেই, তাই পরে সেই পরিকল্পনা বাদ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এ বছর সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হলেও বদরুদ্দীন উমর জানিয়েছেন, তার পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করা সম্ভব না। এর আগে নানা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে তাকে পুরস্কার বা সম্মাননা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো পুরস্কার বা সম্মাননাই গ্রহণ করেননি বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে জাতীয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে প্রবর্তন করা হয় স্বাধীনতা পুরস্কার। এটিই দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় মনোনীতদের হাতে।

আরও পড়ুন-

৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন স্বাধীনতা পদক

জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার বহাল

স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করা সম্ভব নয়: বদরুদ্দীন উমর

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হচ্ছেন আবরার ফাহাদ

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

৩ শর্তে দেড় মাস পর লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

সরকার হাসপাতালটির জন্য তিনটি শর্ত নির্ধারণ করেছে। শর্তগুলো হলো— ১৯৮২ সালের দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্সের বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন অব্যাহত রাখতে হবে; লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী ডিউটি চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হব

২ ঘণ্টা আগে

বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্ক: অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জহিরুল ইসলামের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে অফিসে ডেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে নিজের সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ওই নারীকে বিয়ে করার আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দেন।

৩ ঘণ্টা আগে

দাবি না মানলে ২৩ আগস্ট থেকে সিএনজি পাম্প বন্ধ: মালিক সমিতি

সংগঠনটির দাবি, প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বাড়লে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত নেওয়া বন

৩ ঘণ্টা আগে

আলিম পরীক্ষায় নকল সরবরাহ: শিক্ষকের কারাদণ্ড, ৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

উপজেলা প্রশাসন ও কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ইসলামের ইতিহাস পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পাঁচজন পরীক্ষার্থীকে নকল সরবরাহ করার অভিযোগ ওঠে শিক্ষক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কেন্দ্রে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে নকল সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত হয় উপজেলা

৪ ঘণ্টা আগে