
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে ছয়জনের মরদেহ পেয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক সেল। প্রাথমিকভাবে শাহবাগ থানা বলছে, মরদেহগুলো জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ের। তবে এদের পরিচয়, মৃত্যুর সময়, তারিখ জানা যায়নি।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেল সম্পাদক হাসান ইনাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক বিশেষ সেল তাদের অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ছয়টি অশনাক্তকৃত মরদেহ আছে বলে জানতে পারে। আজ সকালে সেলের একটি টিম এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার জন্য শাহবাগ থানায় যায় এবং শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর ছয়টি মরদেহ এখনো হিমাগারে থাকার তথ্য নিশ্চিত করেন। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক মর্গে আছে বলে তিনি জানান। বিশেষ সেল টিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক মর্গে গিয়ে সরেজমিনে মরদেহগুলো পরিদর্শন করে।
হাসান ইনামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মরদেহগুলোর কেবল বয়স নিশ্চিত হওয়া গেছে। একজনের নাম জানা গেছে, তিনি হলেন এনামুল (২৫)। অন্য পাঁচ মরদেহ পুরুষ (২০), পুরুষ (২৫), পুরুষ (২২), নারী (৩২) ও পুরুষের (৩০)।
লিখিত বক্তব্যে হাসান ইনাম বলেন, মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে পাঁচজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে লেখা হয়েছে ‘আঘাতজনিত কারণে মৃত্যু’। এনামুলের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ‘ওপর থেকে নিচে পড়ে মৃত্যু’ লেখা হয়েছে।
তিনি বলেন, মরদেহগুলোর ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে। মরদেহের পরিহিত আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ মুহূর্তে সবগুলো মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক হিমাগারে রক্ষিত আছে। শাহবাগ থানার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মরদেহগুলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের। তবে কবে এবং কত তারিখে তারা মরদেহগুলো এনেছে সেটা স্পষ্ট করেনি।
অজ্ঞাতপরিচয় এসব মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে অন্তর্বর্তী সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সঙ্গে এ বয়সের কেউ যদি নিখোঁজ থাকেন, তাহলে তার পরিবারকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক বিশেষ সেলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে এ সেল।
শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা তাদের তথ্যগুলো দিয়েছি। ছয়টি মরদেহ থাকার বিষয়ে নিশ্চিত করেছি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে ছয়জনের মরদেহ পেয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক সেল। প্রাথমিকভাবে শাহবাগ থানা বলছে, মরদেহগুলো জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ের। তবে এদের পরিচয়, মৃত্যুর সময়, তারিখ জানা যায়নি।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেল সম্পাদক হাসান ইনাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক বিশেষ সেল তাদের অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ছয়টি অশনাক্তকৃত মরদেহ আছে বলে জানতে পারে। আজ সকালে সেলের একটি টিম এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার জন্য শাহবাগ থানায় যায় এবং শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর ছয়টি মরদেহ এখনো হিমাগারে থাকার তথ্য নিশ্চিত করেন। মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক মর্গে আছে বলে তিনি জানান। বিশেষ সেল টিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক মর্গে গিয়ে সরেজমিনে মরদেহগুলো পরিদর্শন করে।
হাসান ইনামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মরদেহগুলোর কেবল বয়স নিশ্চিত হওয়া গেছে। একজনের নাম জানা গেছে, তিনি হলেন এনামুল (২৫)। অন্য পাঁচ মরদেহ পুরুষ (২০), পুরুষ (২৫), পুরুষ (২২), নারী (৩২) ও পুরুষের (৩০)।
লিখিত বক্তব্যে হাসান ইনাম বলেন, মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে পাঁচজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে লেখা হয়েছে ‘আঘাতজনিত কারণে মৃত্যু’। এনামুলের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ‘ওপর থেকে নিচে পড়ে মৃত্যু’ লেখা হয়েছে।
তিনি বলেন, মরদেহগুলোর ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে। মরদেহের পরিহিত আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ মুহূর্তে সবগুলো মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক হিমাগারে রক্ষিত আছে। শাহবাগ থানার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মরদেহগুলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের। তবে কবে এবং কত তারিখে তারা মরদেহগুলো এনেছে সেটা স্পষ্ট করেনি।
অজ্ঞাতপরিচয় এসব মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে অন্তর্বর্তী সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সঙ্গে এ বয়সের কেউ যদি নিখোঁজ থাকেন, তাহলে তার পরিবারকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক বিশেষ সেলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে এ সেল।
শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা তাদের তথ্যগুলো দিয়েছি। ছয়টি মরদেহ থাকার বিষয়ে নিশ্চিত করেছি।

সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠেয় গণভোটে ভোট দেবেন রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ খুব ভালো। উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
৪ ঘণ্টা আগে
ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বৈধতা দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।
৫ ঘণ্টা আগে