
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যকে ‘অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ বক্তব্য প্রদান অপ্রত্যাশিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা প্রতিবেশী দেশটিতে নানা ধরনের বিরূপ পরিস্থিতি হতে দেখেছি। কিন্তু বাংলাদেশ কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো বক্তব্য প্রদান করে না। অন্যদের কাছ থেকেও বাংলাদেশ একই ধরনের আশা প্রকাশ করে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রফিকুল আলম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী (ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা) ভারতে অবস্থান করে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করছেন, যেটা বাংলাদেশের জনগণ ভালোভাবে নিচ্ছে না। গত ৫ ফেব্রুয়ারি তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেই বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে অবস্থান পরিষ্কার করেছে। এ বিষয়ে ৬ ফ্রেব্রুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মন্তব্য অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে।
দিল্লিতে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ক্রমাগত মিথ্যা, বানোয়াট মন্তব্য ও বিবৃতি দেওয়ায় ভারতের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে তার হাতে একটি প্রতিবাদপত্র তুলে দেয়। ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলবের এক দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকেও তলব করে দিল্লি। তাকে বলা হয়, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত ক্ষমতায় বক্তব্য দিয়েছেন, যেখানে ভারতের কোনো ভূমিকা নেই।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যকে ‘অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ বক্তব্য প্রদান অপ্রত্যাশিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা প্রতিবেশী দেশটিতে নানা ধরনের বিরূপ পরিস্থিতি হতে দেখেছি। কিন্তু বাংলাদেশ কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো বক্তব্য প্রদান করে না। অন্যদের কাছ থেকেও বাংলাদেশ একই ধরনের আশা প্রকাশ করে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রফিকুল আলম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী (ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা) ভারতে অবস্থান করে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করছেন, যেটা বাংলাদেশের জনগণ ভালোভাবে নিচ্ছে না। গত ৫ ফেব্রুয়ারি তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেই বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে অবস্থান পরিষ্কার করেছে। এ বিষয়ে ৬ ফ্রেব্রুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মন্তব্য অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে।
দিল্লিতে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ক্রমাগত মিথ্যা, বানোয়াট মন্তব্য ও বিবৃতি দেওয়ায় ভারতের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে তার হাতে একটি প্রতিবাদপত্র তুলে দেয়। ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলবের এক দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকেও তলব করে দিল্লি। তাকে বলা হয়, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত ক্ষমতায় বক্তব্য দিয়েছেন, যেখানে ভারতের কোনো ভূমিকা নেই।

আমোদেইর তিন দফা প্রস্তাবের প্রথমটিতে বলা হয়েছে— শীর্ষস্থানীয় বা ‘ফ্রন্টিয়ার’ এআই কোম্পানিগুলোর ভেতরে স্থায়ীভাবে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মূল্যায়নকারী রাখা প্রয়োজন। কর্মীদের মতো প্রয়োজনীয় প্রবেশাধিকার দিয়ে মূলত তাদের কোম্পানির নিরাপত্তাব্যবস্থা যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ দমনে বর্তমান সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ কারণে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভারতের সঙ্গে গত ১৫ বছরের সম্পর্কের ধারা থেকে বেরিয়ে নতুনভাবে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ। এ জন্য ভারতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বহুপক্ষীয় সফরের অংশ হিসেবে নয়, বরং দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
১৮ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার কোনও সাক্ষীকে হুমকি বা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
১৯ ঘণ্টা আগে