
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন স্বচ্ছতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর অ্যাটলার্জ মুশফিকুল ফজল আনসারী।
তিনি বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান পারস্পরিক আস্থা এবং আত্মমর্যাদার। এই পররাষ্ট্রনীতিতে শেখ হাসিনা শাসনামলের মতো কোনো দেশের তাবেদারি মেনে নেওয়া হবে না।
গত ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে পতন হয় আওয়ামী সরকারের। এরপর থেকে পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সাম্প্রতিক দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে কয়েকবার প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ঢাকা। যা গত ১৫ বছরের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
এতো বছর ভারত যা করতে চেয়েছে একপাক্ষিকভাবে চাপিয়ে দিয়েছে। এখানকার জনগণের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এ জন্য কখনো ঢাকার কাছে জবাবদিহি করতে হয়নি দিল্লিকে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে গণঅভ্যুত্থানে শরিক প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং ছাত্রসংগঠনগুলো চায়, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সম্মান এবং নায্যতার ভিত্তিতে। গত কয়েকদিনে ভারতের বিরুদ্ধে যেভাবে জবাব দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, এমন মর্যাদাবান অবস্থান এর আগে কখনো দেখাতে পারেনি আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী।
মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে মুশফিক লিখেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন স্বচ্ছতা, পারস্পরিক আস্থা, ও সম্মানের নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এটি এমন একটি নীতি যা জোরালো এবং সরাসরি কথা বলে, অস্পষ্টতার জন্য কোন জায়গা নেই’।
জাতীয় স্বার্থরক্ষায় বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ভিন্ন কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে বলছেন মুশফিকুল ফজল আনসারী। বাংলাদেশ তার বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতে যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম বলেও মনে করেন তিনি।
মুশফিক আরো লিখেন, ‘বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি আরও দৃঢ় এবং আত্ম-নিশ্চিত কূটনৈতিক অবস্থানের দিকে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যাতে নিশ্চিত করা হয় যে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে এবং বিশ্ব মঞ্চে এর কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে। এটি সমতার ওপর নির্মিত একটি নীতি, জবরদস্তি নয়, অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করে যা ভারসাম্যপূর্ণ এবং ন্যায়সঙ্গত’।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন স্বচ্ছতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর অ্যাটলার্জ মুশফিকুল ফজল আনসারী।
তিনি বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থান পারস্পরিক আস্থা এবং আত্মমর্যাদার। এই পররাষ্ট্রনীতিতে শেখ হাসিনা শাসনামলের মতো কোনো দেশের তাবেদারি মেনে নেওয়া হবে না।
গত ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে পতন হয় আওয়ামী সরকারের। এরপর থেকে পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সাম্প্রতিক দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে কয়েকবার প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ঢাকা। যা গত ১৫ বছরের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
এতো বছর ভারত যা করতে চেয়েছে একপাক্ষিকভাবে চাপিয়ে দিয়েছে। এখানকার জনগণের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এ জন্য কখনো ঢাকার কাছে জবাবদিহি করতে হয়নি দিল্লিকে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে গণঅভ্যুত্থানে শরিক প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং ছাত্রসংগঠনগুলো চায়, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সম্মান এবং নায্যতার ভিত্তিতে। গত কয়েকদিনে ভারতের বিরুদ্ধে যেভাবে জবাব দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, এমন মর্যাদাবান অবস্থান এর আগে কখনো দেখাতে পারেনি আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী।
মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে মুশফিক লিখেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন স্বচ্ছতা, পারস্পরিক আস্থা, ও সম্মানের নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এটি এমন একটি নীতি যা জোরালো এবং সরাসরি কথা বলে, অস্পষ্টতার জন্য কোন জায়গা নেই’।
জাতীয় স্বার্থরক্ষায় বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ভিন্ন কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে বলছেন মুশফিকুল ফজল আনসারী। বাংলাদেশ তার বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতে যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম বলেও মনে করেন তিনি।
মুশফিক আরো লিখেন, ‘বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি আরও দৃঢ় এবং আত্ম-নিশ্চিত কূটনৈতিক অবস্থানের দিকে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যাতে নিশ্চিত করা হয় যে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে এবং বিশ্ব মঞ্চে এর কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে। এটি সমতার ওপর নির্মিত একটি নীতি, জবরদস্তি নয়, অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করে যা ভারসাম্যপূর্ণ এবং ন্যায়সঙ্গত’।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) অফিসের সাবেক উচ্চমান সহকারী কাম ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ হোসেন, একই কার্যালয়ের সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) মো. কামরুল আলম এবং সাবেক বিভাগীয় প্রকৌশলী (ইমারত নির্মাণ) সাদিকুর রহমান খা
৩ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করেছে সরকার। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৪ ঘণ্টা আগে
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দুই নেতা। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে, তার প্রশংসা করেছে মালয়েশিয়া এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারক ও অন্যান্য দলিল বিনিময়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উতামা হাজি মোহাম্মদ বিন হাজি হাসান নিজ দেশের পক্ষে দলিলগুলো বিনিময় করেন।
৬ ঘণ্টা আগে