
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় মৈত্রী মিলনায়তনে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর জাতীয় পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সম্প্রতি উদীচীর কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধের আহ্বান জানানো হয়।
২৩তম জাতীয় সম্মেলন পরবর্তী প্রথম জাতীয় পরিষদের দিনব্যাপী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম। সারা দেশের জেলা ও শাখা সংসদের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সভায় শরিফ ওসমান হাদি, ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্ট শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস, শিশু আয়েশাসহ সকল হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়।
সভায় বলা হয়, উদীচী, ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এগুলো উগ্র ডানপন্থি শক্তির নয়া ফ্যাসিবাদী প্রকল্পের সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক তৎপরতা। এর লক্ষ্য হচ্ছে ভিন্নমত, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত ও আতঙ্কিত করা এবং গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষাকে নিশ্চিহ্ন করা। অবিলম্বে এই হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানানো হয় সভায়।
এ ছাড়া সভায় কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন উত্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৯ ডিসেম্বর উদীচী কার্যালয়ে নেমে আসে চোরাগোপ্তা হামলা ও আগুন। ১৮ ডিসেম্বর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে প্রকাশ্যে এবং ছায়ানটে মধ্যরাতে হামলা করে উগ্র ডানপন্থি ফ্যাসিস্টরা। শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবহার করে সারাদেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা সংঘটিত হয়। ছাত্র শিবিরের কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে এই হামলার প্ররোচনা দেয়। প্রকাশ্য হুমকির পরও সরকার ছিল নিস্পিৃহ। সহযোগিতা চাওয়া সত্ত্বেও নিরাপত্তা বাহিনী ছিল অনুপস্থিত। সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা হামলাকারীদের নির্বিঘ্নে হামলা করতে সহায়তা করে। বারবার প্রমাণ হয়েছে, যারা সংস্কৃতির কণ্ঠ থামাতে চায়, বর্তমান অন্তর্বতী সরকার হচ্ছে তাদের মিত্র।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উদীচী ও ছায়ানটের ওপর আগেও হামলা হয়েছে। যশোর ও নেত্রকোনায় উদীচীর ওপর বোমা হামলায় প্রায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং রমনার বটমূলের ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা করে সেখানেও ১০ জন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সে হামলার ঘটনাগুলো ছিল অত্যন্ত নৃশংস ও হৃদয়বিদারক।
‘কিন্তু ওরা জানে না যে, হামলা ও হত্যা করে কোনো আদর্শকে নিশ্চিহ্ন করা যায় না। যশোরে যে মঞ্চে বোমা হামলা চালানো হয়েছিল, পরের দিন থেকেই সেই মঞ্চেই প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল। হামলার পর সারাদেশে উদীচীর সংগঠন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। চোরাগোপ্তা হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের প্রতিবাদে আজও সংস্কৃতিকর্মী ও দেশের মানুষ সোচ্চার। উদীচীকে ভয় পাইয়ে দেয়া যাবে না। উদীচী কখনোই তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি বরং সর্বদা গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে অবিচল থেকে একটি শোষণ-বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই মুহূর্তে দেশের শাসনভার কার বা কাদের হাতে এ নিয়ে আর কোনো ধোঁয়াশা নেই। জুলাই অভ্যুত্থানে যে বিন্দুতে দাঁড়িয়ে দেশের সব শ্রেণি-লিঙ্গ-ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সে বিন্দু থেকে বাকি সবাইকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিয়ে একাই কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে জামায়াত-শিবিরসহ দক্ষিণপন্থি শক্তি।
‘ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে জন্ম নিয়েছে দারুণ হতাশা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অভিসন্ধি, তৎপরতা, সক্ষমতা ও দর্শন নিয়ে এখন আর কোনো সংশয় নেই। তারা যে মার্কিনীদের হাতের পুতুল এ ব্যাপারেও আর সংশয়ের সুযোগ নেই। দক্ষিণপন্থি উগ্র গোষ্ঠীগুলোর তাণ্ডব এবং সরকারের অপতৎপরতার কারণেই জুলাই অভ্যুত্থানের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাচ্ছে অভ্যুত্থানবিরোধীরা।’
‘তবে জুলাইয়ের অভাবিত গণঅভ্যুত্থানের শক্তি নিহিত রয়েছে গণআকাঙ্ক্ষার মধ্যে। যে আকাঙ্ক্ষার পুরোটাই ধারণ করে আছে দেশের বিপুল সাধারণ মানুষ। সে আকাঙ্ক্ষাকে সাংস্কৃতিক ভাষ্য দেওয়া ছাড়া অত্যুত্থানকে অর্থবহ করা সহজ হবে না। পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অর্ধশতাব্দীকালের গণবিরোধী সাংস্কৃতিক হেজিমনির বিপরীতে জুলাই অভ্যুত্থানের সাংস্কৃতিক ভাষা নির্মাণ এবং মুক্তিযুদ্ধে গণভাষ্যের সঙ্গে জুলাইয়ের গণভাষ্যকে একাকার করে দিতে পারার সামর্থের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের আগামীর সাংস্কৃতিক বিনির্মাণ। এ লক্ষ্যে উদীচী আগামী দিনে তার সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক তৎপরতা চালিয়ে যাবে,’— বলা হয় প্রতিবেদনে।
উদীচীর জাতীয় পরিষদের সভায় শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রুমি দে এবং অর্থ রিপোর্ট পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ পারভেজ মাহমুদ। এ ছাড়া বিভিন্ন আলোচ্যসূচিতে বক্তব্য রাখেন— জাতীয় পরিষদের সদস্য ডা. রফিকুল হাসান জিন্নাহ, এ্যাড. তবারক হোসেইন, ইকবালুল হক খান, মোজাম্মেল পাঠান, নিরঞ্জন দেব, জুয়েল হোসেন সোহাগ, আসিফ নিপ্পন, আবু রায়হান আজাদ, অনির্বান সাহা, মো. শাজাহান সোহেল, মোরশেদুল ইসলাম শুভ্র, সাজেদা বেগম সাজু, অজয় কুমার আচার্য, সাখাওয়াৎ হোসেন, সুনীল ধর, দীনবন্ধু দাস, এস এ সরকার স্বপন প্রমুখ।
সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচনে টাকার খেলা, পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধ করা এবং ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া সন্ত্রাসী হামলায় ভস্মীভূত উদীচীর কার্যালয় পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে অতি দ্রুত কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ৯ জানুয়ারি সকাল দুপুর ১২টায় উদীচী কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র, নথিপত্র, বইপুস্তকের প্রদর্শনী ও সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় মৈত্রী মিলনায়তনে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর জাতীয় পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সম্প্রতি উদীচীর কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা, অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধের আহ্বান জানানো হয়।
২৩তম জাতীয় সম্মেলন পরবর্তী প্রথম জাতীয় পরিষদের দিনব্যাপী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম। সারা দেশের জেলা ও শাখা সংসদের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সভায় শরিফ ওসমান হাদি, ময়মনসিংহের ভালুকায় গার্মেন্ট শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস, শিশু আয়েশাসহ সকল হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়।
সভায় বলা হয়, উদীচী, ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এগুলো উগ্র ডানপন্থি শক্তির নয়া ফ্যাসিবাদী প্রকল্পের সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক তৎপরতা। এর লক্ষ্য হচ্ছে ভিন্নমত, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত ও আতঙ্কিত করা এবং গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষাকে নিশ্চিহ্ন করা। অবিলম্বে এই হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানানো হয় সভায়।
এ ছাড়া সভায় কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন উত্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৯ ডিসেম্বর উদীচী কার্যালয়ে নেমে আসে চোরাগোপ্তা হামলা ও আগুন। ১৮ ডিসেম্বর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে প্রকাশ্যে এবং ছায়ানটে মধ্যরাতে হামলা করে উগ্র ডানপন্থি ফ্যাসিস্টরা। শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবহার করে সারাদেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা সংঘটিত হয়। ছাত্র শিবিরের কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে এই হামলার প্ররোচনা দেয়। প্রকাশ্য হুমকির পরও সরকার ছিল নিস্পিৃহ। সহযোগিতা চাওয়া সত্ত্বেও নিরাপত্তা বাহিনী ছিল অনুপস্থিত। সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা হামলাকারীদের নির্বিঘ্নে হামলা করতে সহায়তা করে। বারবার প্রমাণ হয়েছে, যারা সংস্কৃতির কণ্ঠ থামাতে চায়, বর্তমান অন্তর্বতী সরকার হচ্ছে তাদের মিত্র।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উদীচী ও ছায়ানটের ওপর আগেও হামলা হয়েছে। যশোর ও নেত্রকোনায় উদীচীর ওপর বোমা হামলায় প্রায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং রমনার বটমূলের ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা করে সেখানেও ১০ জন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সে হামলার ঘটনাগুলো ছিল অত্যন্ত নৃশংস ও হৃদয়বিদারক।
‘কিন্তু ওরা জানে না যে, হামলা ও হত্যা করে কোনো আদর্শকে নিশ্চিহ্ন করা যায় না। যশোরে যে মঞ্চে বোমা হামলা চালানো হয়েছিল, পরের দিন থেকেই সেই মঞ্চেই প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল। হামলার পর সারাদেশে উদীচীর সংগঠন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। চোরাগোপ্তা হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের প্রতিবাদে আজও সংস্কৃতিকর্মী ও দেশের মানুষ সোচ্চার। উদীচীকে ভয় পাইয়ে দেয়া যাবে না। উদীচী কখনোই তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি বরং সর্বদা গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে অবিচল থেকে একটি শোষণ-বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই মুহূর্তে দেশের শাসনভার কার বা কাদের হাতে এ নিয়ে আর কোনো ধোঁয়াশা নেই। জুলাই অভ্যুত্থানে যে বিন্দুতে দাঁড়িয়ে দেশের সব শ্রেণি-লিঙ্গ-ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সে বিন্দু থেকে বাকি সবাইকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিয়ে একাই কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে জামায়াত-শিবিরসহ দক্ষিণপন্থি শক্তি।
‘ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে জন্ম নিয়েছে দারুণ হতাশা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অভিসন্ধি, তৎপরতা, সক্ষমতা ও দর্শন নিয়ে এখন আর কোনো সংশয় নেই। তারা যে মার্কিনীদের হাতের পুতুল এ ব্যাপারেও আর সংশয়ের সুযোগ নেই। দক্ষিণপন্থি উগ্র গোষ্ঠীগুলোর তাণ্ডব এবং সরকারের অপতৎপরতার কারণেই জুলাই অভ্যুত্থানের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাচ্ছে অভ্যুত্থানবিরোধীরা।’
‘তবে জুলাইয়ের অভাবিত গণঅভ্যুত্থানের শক্তি নিহিত রয়েছে গণআকাঙ্ক্ষার মধ্যে। যে আকাঙ্ক্ষার পুরোটাই ধারণ করে আছে দেশের বিপুল সাধারণ মানুষ। সে আকাঙ্ক্ষাকে সাংস্কৃতিক ভাষ্য দেওয়া ছাড়া অত্যুত্থানকে অর্থবহ করা সহজ হবে না। পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অর্ধশতাব্দীকালের গণবিরোধী সাংস্কৃতিক হেজিমনির বিপরীতে জুলাই অভ্যুত্থানের সাংস্কৃতিক ভাষা নির্মাণ এবং মুক্তিযুদ্ধে গণভাষ্যের সঙ্গে জুলাইয়ের গণভাষ্যকে একাকার করে দিতে পারার সামর্থের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের আগামীর সাংস্কৃতিক বিনির্মাণ। এ লক্ষ্যে উদীচী আগামী দিনে তার সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক তৎপরতা চালিয়ে যাবে,’— বলা হয় প্রতিবেদনে।
উদীচীর জাতীয় পরিষদের সভায় শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য রুমি দে এবং অর্থ রিপোর্ট পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ পারভেজ মাহমুদ। এ ছাড়া বিভিন্ন আলোচ্যসূচিতে বক্তব্য রাখেন— জাতীয় পরিষদের সদস্য ডা. রফিকুল হাসান জিন্নাহ, এ্যাড. তবারক হোসেইন, ইকবালুল হক খান, মোজাম্মেল পাঠান, নিরঞ্জন দেব, জুয়েল হোসেন সোহাগ, আসিফ নিপ্পন, আবু রায়হান আজাদ, অনির্বান সাহা, মো. শাজাহান সোহেল, মোরশেদুল ইসলাম শুভ্র, সাজেদা বেগম সাজু, অজয় কুমার আচার্য, সাখাওয়াৎ হোসেন, সুনীল ধর, দীনবন্ধু দাস, এস এ সরকার স্বপন প্রমুখ।
সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচনে টাকার খেলা, পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধ করা এবং ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া সন্ত্রাসী হামলায় ভস্মীভূত উদীচীর কার্যালয় পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে অতি দ্রুত কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ৯ জানুয়ারি সকাল দুপুর ১২টায় উদীচী কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র, নথিপত্র, বইপুস্তকের প্রদর্শনী ও সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস চলাচল করছে এবং নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে। গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত ভাড়ার চাপ যাত্রীদের ওপর না পড়ে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে দেশে বন্ধ থাকা পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সোনালি আঁশ পাট এবং এটা আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে আছে, যার মাধ্যমে একসময় বাংলাদেশ পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটা অনেকটা পিছিয়ে গেছে।’
১৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার ফিলিপ সাংমা টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পারাপার করানোর কাজ করেন দীর্ঘদিন ধরেই। ওসমান হাদির খুনের পরে বাং
১৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
১৫ ঘণ্টা আগে