
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শেখ হাসিনা সরকারের সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট ‘কমিশন অব ইনকোয়ারি’ গঠন করেছে সরকার। গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই কমিশন।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থা তথা বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বিশেষ শাখা, গোয়েন্দা শাখা, আনসার ব্যাটালিয়ন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই), কোস্ট গার্ডসহ দেশের আইন প্রয়োগ ও বলবৎকারী কোনও সংস্থার কোনও সদস্যের মাধ্যমে জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিশন অব ইনকোয়ারি গঠন করেছে সরকার।
আজ বেলা ১১টায় কমিশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিশনের সভাপতি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিশনের কার্যালয়ে (৯৬, গুলশান এভিনিউ, ঢাকা) এই বৈঠক হয়। কমিশনের সব সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনের কার্যক্রম সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সব গুমের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিশন গঠন করেছে সরকার। কমিশনের প্রধান মনোনীত হয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী।

শেখ হাসিনা সরকারের সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট ‘কমিশন অব ইনকোয়ারি’ গঠন করেছে সরকার। গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই কমিশন।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থা তথা বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বিশেষ শাখা, গোয়েন্দা শাখা, আনসার ব্যাটালিয়ন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই), কোস্ট গার্ডসহ দেশের আইন প্রয়োগ ও বলবৎকারী কোনও সংস্থার কোনও সদস্যের মাধ্যমে জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিশন অব ইনকোয়ারি গঠন করেছে সরকার।
আজ বেলা ১১টায় কমিশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিশনের সভাপতি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিশনের কার্যালয়ে (৯৬, গুলশান এভিনিউ, ঢাকা) এই বৈঠক হয়। কমিশনের সব সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।
কমিশনের কার্যক্রম সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সব গুমের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিশন গঠন করেছে সরকার। কমিশনের প্রধান মনোনীত হয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী।

কালেমা খচিত পতাকা বা ইসলামের অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীককে ঘিরে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, অবমাননা কিংবা রাজনৈতিক অপব্যবহার কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
৪ ঘণ্টা আগে
পদ্মা রেল সংযোগ সেতুর পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়া ‘ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই’ এবং এতে কোনো ধরনের ‘ঝুঁকি নেই’ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
৫ ঘণ্টা আগে
এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৭২ শিশু মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৮, সিলেটে ৮২, চট্টগ্রামে ৫১, বরিশালে ৪০, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ২৮ এবং রংপুরে ৮ শিশু মারা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
১৬টি দেশ থেকে অংশ নেওয়া ৭৬টি দলকে হারিয়ে দেশের জন্য অনন্য এ গৌরব বয়ে এনেছে এমআইএসটির ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত দলটি।
৬ ঘণ্টা আগে