
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ১ কোটি ৭৩ লাখ ১৭ হাজার ৬২৮ গ্রাহক। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার। আর পশ্চিমাঞ্চলের ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৮ গ্রাহক এখনো অন্ধকারে আছেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে পল্লী বিদ্যুতের ৮০টি সমিতি এবং ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতির প্রতিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত কাজ করছেন।
জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে আরইবি’র বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৩ লাখ ৯ হাজার ৭০২। এরমধ্যে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৩১ লাখ ৩৬ হাজার ৭০২ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখনও প্রায় ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে। এদিকে ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে আরইবি’র ৩৩ কেভি ফিডারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৬৬টি, এরমধ্যে ৪৫৫টি ফিডার ঠিক করা হয়েছে। বাকি আছে ৩১১টি। এদিকে ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ১১০৫টির, ঠিক করা হয়েছে ৬৫৪টি, এখনও বাকি ৪৫১টি।
এদিকে ১১ কেভি ফিডারের মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ৬২৩৫টি, ঠিক করা হয়েছে ২৩৮৪টি, বাকি আছে ৩৮৫১টি। বৈদ্যুতিক খুটির মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৮৩৩টি। ঠিক করা হয়েছে ২৫৬৭টি, এখনও বাকি ১২৬৬টি। বিতরণ ট্রান্সফরমারের মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ২৮১৮টির, ঠিক করা হয়েছে ১৬৯৬, বাকি আছে ১১২২টি। তার ছেড়া স্প্যানের (কিলোমিটার) ক্ষতি হয়েছে ৩০৫৬ কিলোমিটার তার, এরমধ্যে ১৩৬৩ কিলোমিটার ঠিক করা হয়েছে, বাকি আছে ১৬৯৩ কিলোমিটার।
২৪২৫৮টি ক্ষতিগ্রস্ত ইন্সুলেটরের মধ্যে ঠিক করা হয়েছে ৭৭২৫টি, বাকি আছে ১৬৫৩৩। ৫৯৩৯৯টি ক্ষতিগ্রস্ত মিটারের মধ্যে ঠিক করা হয়েছে ৩০৯৩৩টি, বাকি আছে ২৮৪৬৬টি।
প্রাথমিক তথ্যানুসারে, ১০৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে আরইবি দাবি করেছে।
আরইবি জানায়, ঝড়ের সময় সমিতির ঠিকাদার ও জনবলসহ ৩০ হাজারের বেশি লোক মাঠে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে, আজ সন্ধ্যা নাগাদ ৫০ ভাগ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। রাতের মধ্যে ৬০ ভাগ গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা পাবেন।
এদিকে আগামীকালকের মধ্যে সব ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইন চালুর মাধ্যমে ৮০ ভাগ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। বাকি গ্রাহকদের সার্ভিস ড্রপ ও মিটার বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো)’র ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৪ গ্রাহকের মধ্যে বর্তমানে ১৪ লাখ ৩ হাজার ৫২৬ গ্রাহক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। তবে এখনও অন্ধকারে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৮ গ্রাহক। প্রাথমিক তথ্যানুসারে এই বিতরণ কোম্পানির ৫ কোটি ৭ লাখ ৮১ হাজার ৭০২ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চলমান রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে অতিসত্বর সম্পূর্ণ লাইন চালু হবে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ১ কোটি ৭৩ লাখ ১৭ হাজার ৬২৮ গ্রাহক। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার। আর পশ্চিমাঞ্চলের ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৮ গ্রাহক এখনো অন্ধকারে আছেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে পল্লী বিদ্যুতের ৮০টি সমিতি এবং ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতির প্রতিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত কাজ করছেন।
জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে আরইবি’র বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৩ লাখ ৯ হাজার ৭০২। এরমধ্যে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৩১ লাখ ৩৬ হাজার ৭০২ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখনও প্রায় ১ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন আছে। এদিকে ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে আরইবি’র ৩৩ কেভি ফিডারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৬৬টি, এরমধ্যে ৪৫৫টি ফিডার ঠিক করা হয়েছে। বাকি আছে ৩১১টি। এদিকে ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ১১০৫টির, ঠিক করা হয়েছে ৬৫৪টি, এখনও বাকি ৪৫১টি।
এদিকে ১১ কেভি ফিডারের মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ৬২৩৫টি, ঠিক করা হয়েছে ২৩৮৪টি, বাকি আছে ৩৮৫১টি। বৈদ্যুতিক খুটির মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৮৩৩টি। ঠিক করা হয়েছে ২৫৬৭টি, এখনও বাকি ১২৬৬টি। বিতরণ ট্রান্সফরমারের মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ২৮১৮টির, ঠিক করা হয়েছে ১৬৯৬, বাকি আছে ১১২২টি। তার ছেড়া স্প্যানের (কিলোমিটার) ক্ষতি হয়েছে ৩০৫৬ কিলোমিটার তার, এরমধ্যে ১৩৬৩ কিলোমিটার ঠিক করা হয়েছে, বাকি আছে ১৬৯৩ কিলোমিটার।
২৪২৫৮টি ক্ষতিগ্রস্ত ইন্সুলেটরের মধ্যে ঠিক করা হয়েছে ৭৭২৫টি, বাকি আছে ১৬৫৩৩। ৫৯৩৯৯টি ক্ষতিগ্রস্ত মিটারের মধ্যে ঠিক করা হয়েছে ৩০৯৩৩টি, বাকি আছে ২৮৪৬৬টি।
প্রাথমিক তথ্যানুসারে, ১০৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে আরইবি দাবি করেছে।
আরইবি জানায়, ঝড়ের সময় সমিতির ঠিকাদার ও জনবলসহ ৩০ হাজারের বেশি লোক মাঠে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে, আজ সন্ধ্যা নাগাদ ৫০ ভাগ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। রাতের মধ্যে ৬০ ভাগ গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা পাবেন।
এদিকে আগামীকালকের মধ্যে সব ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইন চালুর মাধ্যমে ৮০ ভাগ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। বাকি গ্রাহকদের সার্ভিস ড্রপ ও মিটার বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো)’র ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৪ গ্রাহকের মধ্যে বর্তমানে ১৪ লাখ ৩ হাজার ৫২৬ গ্রাহক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। তবে এখনও অন্ধকারে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬২৮ গ্রাহক। প্রাথমিক তথ্যানুসারে এই বিতরণ কোম্পানির ৫ কোটি ৭ লাখ ৮১ হাজার ৭০২ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চলমান রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে অতিসত্বর সম্পূর্ণ লাইন চালু হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৩ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে