
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নজরুল-সঙ্গীত, সাহিত্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের নিমিত্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ‘নজরুল-পুরস্কার’ প্রবর্তন করেছে। এই ধারাবাহিকতায় ‘নজরুল-পুরস্কারনীতিমালা ২০২৪’ অনুযায়ী ‘নজরুল-পুরস্কার ২০২৩ ও ‘নজরুল-পুরস্কার ২০২৪’ প্রদানের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নজরুল পুরস্কার ২০২৩-এর জন্য মনোনীত গুণীজন হলেন-
১. নজরুল গবেষণায় অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে প্রফেসর ইরশাদ আহমেদ শাহীনকে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার নজরুল-গবেষক ও ইংরেজি ভাষা সাহিত্যের অধ্যাপক।
২. নজরুল-সঙ্গীতে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে জনাব রুমী আজনবীকে। তিনি সঙ্গীত শিল্পী ও সঙ্গীত প্রশিক্ষক।
নজরুল পুরস্কার ২০২৪-এর জন্য মনোনীত গুণীজন হলেন-
১. নজরুল-গবেষণায় অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন জনাব আবদুল হাই শিকদার। তিনি নজরুল-গবেষক ও সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর।
২. নজরুলের কবিতা আবৃত্তিতে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জনাব নাসিম আহমেদকে। তিনি আবৃত্তিকার, আবৃত্তি প্রশিক্ষক ও সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট প্রতিটি বিষয়ে পুরস্কারের জন্য পুরস্কার প্রাপ্তদেরকে পদক, দুই লক্ষ টাকা এবং সম্মাননা স্মারক দেয়। এ বছর পুরস্কার প্রাপ্তদের রৌপ্য পদক দেয়া হচ্ছে।
আগামী ২৫মে জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।
এই বিষয়ে ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী বলেন, ‘নজরুলের বিদ্রোহী চেতনাদীপ্ত ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নতুন বাংলাদেশে এবারের নজরুল পুরস্কার ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। এবার যারা পুরস্কৃত হলেন তারা সবাই সারা জীবনব্যাপী নজরুল চর্চায় অনন্যসাধারণ কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন। নজরুল ইনস্টিটিউট তাদের কর্মের মূল্যায়ন করে আগামী প্রজন্মের জন্য নজরুল চেতনার দ্বারকে আরও প্রসারিত করল।’

নজরুল-সঙ্গীত, সাহিত্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের নিমিত্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ‘নজরুল-পুরস্কার’ প্রবর্তন করেছে। এই ধারাবাহিকতায় ‘নজরুল-পুরস্কারনীতিমালা ২০২৪’ অনুযায়ী ‘নজরুল-পুরস্কার ২০২৩ ও ‘নজরুল-পুরস্কার ২০২৪’ প্রদানের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নজরুল পুরস্কার ২০২৩-এর জন্য মনোনীত গুণীজন হলেন-
১. নজরুল গবেষণায় অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে প্রফেসর ইরশাদ আহমেদ শাহীনকে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার নজরুল-গবেষক ও ইংরেজি ভাষা সাহিত্যের অধ্যাপক।
২. নজরুল-সঙ্গীতে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে জনাব রুমী আজনবীকে। তিনি সঙ্গীত শিল্পী ও সঙ্গীত প্রশিক্ষক।
নজরুল পুরস্কার ২০২৪-এর জন্য মনোনীত গুণীজন হলেন-
১. নজরুল-গবেষণায় অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন জনাব আবদুল হাই শিকদার। তিনি নজরুল-গবেষক ও সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর।
২. নজরুলের কবিতা আবৃত্তিতে অনন্যসাধারণ অবদানের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জনাব নাসিম আহমেদকে। তিনি আবৃত্তিকার, আবৃত্তি প্রশিক্ষক ও সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট প্রতিটি বিষয়ে পুরস্কারের জন্য পুরস্কার প্রাপ্তদেরকে পদক, দুই লক্ষ টাকা এবং সম্মাননা স্মারক দেয়। এ বছর পুরস্কার প্রাপ্তদের রৌপ্য পদক দেয়া হচ্ছে।
আগামী ২৫মে জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।
এই বিষয়ে ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ লতিফুল ইসলাম শিবলী বলেন, ‘নজরুলের বিদ্রোহী চেতনাদীপ্ত ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নতুন বাংলাদেশে এবারের নজরুল পুরস্কার ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। এবার যারা পুরস্কৃত হলেন তারা সবাই সারা জীবনব্যাপী নজরুল চর্চায় অনন্যসাধারণ কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন। নজরুল ইনস্টিটিউট তাদের কর্মের মূল্যায়ন করে আগামী প্রজন্মের জন্য নজরুল চেতনার দ্বারকে আরও প্রসারিত করল।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে ফল প্রকাশের তথ্য নিশ্চিত করেন পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশের ১৭ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং ১১ জন অতিরিক্ত ডিআইজি সমমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আলোচনাকে ‘গুঞ্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোনো কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধানে সে সুযোগ রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতিফলন থাকতে হবে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে