
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ দ্বিতীয় পর্বে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ পর্বে অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিরা গুজবকে বড় হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে গুজব মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া এ ভাষণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদসহ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের হতাহতদেরও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পাশাপাশি সবাইকে ঈদুল ফিতরের আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
ভাষণে গুজবের প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজবের যেন এক মহোৎসব চলছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একের পর এক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে।
অভিনব সব প্রক্রিয়ায় গুজব ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এক ছবির সঙ্গে অন্য ছবি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে, ঘটনা একটা ছবি আরেকটা— এ রকম ফটোকার্ড বানিয়ে অন্য দেশের ঘটনাকে এ দেশের ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় করে ফেলছে। যতই নির্বাচন কাছে আসবে, এর রূপ আরও ভয়ংকর হতে থাকবে। কারা এর পেছনে আছে, কেন আছে, তা আপনাদের সবারই জানা।
গুজব মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা এই গুজব ও মিথ্যা তথ্যের প্রচারণা রোধ করতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি। জাতিসংঘ মহাসচিব এর মোকাবিলায় আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশবাসীকে আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পর্ব সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। প্রথম পর্বের সমাপ্তির মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হলো। সবসময় মনে রাখতে হবে— আমরা কিন্তু যুদ্ধাবস্থায় আছি। গুজব এই জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে পরাজিত শক্তির মস্ত বড় হাতিয়ার।
গুজব ছড়িয়ে জুলাই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুজব দেখলেই গুজবের সূত্রের সন্ধান করতে থাকবেন। গুজবকে অবহেলা করবেন না। বহু অভিজ্ঞ সমর বিশারদ এই গুজবের পেছনে দিনরাত কাজ করছে, সীমাহীন অর্থ এর পেছনে নিয়োজিত আছে। এর মূল লক্ষ্য জুলাই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করা। আমরা তাকে ব্যর্থ হতে দেবো না।
অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, আমাদের সামগ্রিক ঐক্য পলাতক শক্তির গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিচ্ছে। তারা এই ঐক্য ভাঙতে চায়। তাদের অভিনব কৌশল আপনি টেরই পাবেন না। আপনি বুঝতেই পারছেন না কখন তাদের খেলায় আপনি পুতুল হয়ে গেছেন। আমাদের সচেতনতা ও সামগ্রিক ঐক্য দিয়েই এই গুজবকে রুখতে হবে। পলাতক অপশক্তির ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করে দিতে হবে।

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ দ্বিতীয় পর্বে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ পর্বে অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিরা গুজবকে বড় হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে গুজব মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া এ ভাষণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদসহ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের হতাহতদেরও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পাশাপাশি সবাইকে ঈদুল ফিতরের আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
ভাষণে গুজবের প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজবের যেন এক মহোৎসব চলছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একের পর এক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে।
অভিনব সব প্রক্রিয়ায় গুজব ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এক ছবির সঙ্গে অন্য ছবি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে, ঘটনা একটা ছবি আরেকটা— এ রকম ফটোকার্ড বানিয়ে অন্য দেশের ঘটনাকে এ দেশের ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় করে ফেলছে। যতই নির্বাচন কাছে আসবে, এর রূপ আরও ভয়ংকর হতে থাকবে। কারা এর পেছনে আছে, কেন আছে, তা আপনাদের সবারই জানা।
গুজব মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা এই গুজব ও মিথ্যা তথ্যের প্রচারণা রোধ করতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছি। জাতিসংঘ মহাসচিব এর মোকাবিলায় আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে গেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশবাসীকে আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম পর্ব সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। প্রথম পর্বের সমাপ্তির মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হলো। সবসময় মনে রাখতে হবে— আমরা কিন্তু যুদ্ধাবস্থায় আছি। গুজব এই জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে পরাজিত শক্তির মস্ত বড় হাতিয়ার।
গুজব ছড়িয়ে জুলাই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুজব দেখলেই গুজবের সূত্রের সন্ধান করতে থাকবেন। গুজবকে অবহেলা করবেন না। বহু অভিজ্ঞ সমর বিশারদ এই গুজবের পেছনে দিনরাত কাজ করছে, সীমাহীন অর্থ এর পেছনে নিয়োজিত আছে। এর মূল লক্ষ্য জুলাই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করা। আমরা তাকে ব্যর্থ হতে দেবো না।
অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, আমাদের সামগ্রিক ঐক্য পলাতক শক্তির গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিচ্ছে। তারা এই ঐক্য ভাঙতে চায়। তাদের অভিনব কৌশল আপনি টেরই পাবেন না। আপনি বুঝতেই পারছেন না কখন তাদের খেলায় আপনি পুতুল হয়ে গেছেন। আমাদের সচেতনতা ও সামগ্রিক ঐক্য দিয়েই এই গুজবকে রুখতে হবে। পলাতক অপশক্তির ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে পৌঁছান। এ সময় প্রধান ফটক-২-এ বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাকে ক্রেডেনশিয়াল মাঠে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আকতারুল ইসলাম বলেন, জাল কাগজপত্র বানিয়ে এম এইচ এন্টারপ্রাইজের মালিক মমিনুর রহমানের নামে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান করে দুদক। মমিনুরের অভিযোগের ভিত্তিতেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে দুদক তারও সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সহায়তায় নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত অধিদপ্তরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন দেওয়ার পাশাপাশি তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এসব বার্তাকে ভুয়া বা স্ক্যাম হিসেবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ই-মেইলগুলো ঠিক কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
২০ ঘণ্টা আগে