শ্রেণিকক্ষের জনমিতিক পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা?

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
বিশ্বব্যাংকের মতে, শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমলেও সবার জন্য আরও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়া নতুন এক জনমিতিক পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। আগামী কয়েক দশকে এই পরিবর্তন এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে দেবে। বর্তমানে সাহারা-দক্ষিণ আফ্রিকার পর বিশ্বে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়া। তবে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলে ১৫ বছরের কম বয়সী জনসংখ্যা প্রায় ১৬ শতাংশ কমে যেতে পারে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ৪২ কোটি থাকলেও ২০৫০ সালে তা কমে ৩৫ কোটি ২০ লাখে দাঁড়াতে পারে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্বব্যাংকের এক বিশ্লেষণমূলক নিবন্ধে উঠে এসেছে এসব তথ্য। নিবন্ধটি লিখেছেন আন্তর্জাতিক এই আর্থিক সংস্থাটির কনসালট্যান্ট মারিয়ানা মার্চিওনি, এমানুয়েল হোসে ভাসকেজ ও মনিকা ইয়ানেজ পাগানস।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, এই জনমিতিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর সরাসরি প্রভাব পড়বে শিক্ষাব্যবস্থার পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও শিক্ষা সেবা দেওয়ার পদ্ধতিতে। দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশ— বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা— গত দুই দশকে তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়তে থাকার মধ্যেও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বড় অগ্রগতি করেছে। এ অঞ্চলের প্রায় সব শিশুই উপযুক্ত বয়সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে। মাধ্যমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তবে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাই পুরো চিত্র নয়। এখন মূল চ্যালেঞ্জ শিক্ষার মান। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার বয়সে থাকা অর্ধেকের বেশি শিশু ‘শিখন দারিদ্র্যের’ মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ তারা বয়স উপযোগী একটি সহজ লেখা পড়তে ও তার অর্থ বুঝতে পারে না। বিশ্বব্যাংক বলছে, এটাই এখন দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষানীতির মূল সমস্যা। শিশুদের স্কুলে আনার ক্ষেত্রে এ অঞ্চল উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করলেও স্কুলে যাওয়ার পর তাদের অনেকেই পর্যাপ্ত শিখতে পারছে না।

একই সময়ে সীমিত সরকারি বিনিয়োগের মধ্যেই এই শিখনঘাটতি রয়ে গেছে। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো গড়ে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষায় ব্যয় করে। আন্তর্জাতিকভাবে প্রায়ই যে ৪ থেকে ৬ শতাংশ ব্যয়ের মানদণ্ডের কথা বলা হয়, এটি তার চেয়ে কম। তবে চ্যালেঞ্জ শুধু কত টাকা ব্যয় করা হচ্ছে, তা নয়। সম্পদ কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ হলো, অনেক ক্ষেত্রে এমন খাতে ব্যয় বেশি হচ্ছে, যেগুলো শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উন্নতি ঘটায় না।

এখানেই এ অঞ্চলের জনমিতিক পরিবর্তন শিক্ষানীতি শক্তিশালী করার এবং শুধু বেশি নয়, আরও কার্যকরভাবে অর্থ ব্যয়ের নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যেসব দেশে স্কুলগামী বয়সী জনসংখ্যা কমছে, সেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে শিক্ষার সুযোগ ও মান— দুই ক্ষেত্রেই সম্পদ পুনর্বণ্টনের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে এই সুযোগ, যাকে সাধারণত ‘জনমিতিক লভ্যাংশ’ বলা হয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না। শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেলেই ব্যয় কমে যাবে— এমন নয়। কারণ বিদ্যালয় ভবন, প্রশাসন ও পরিবহনব্যবস্থার মতো শিক্ষাব্যবস্থার কিছু নির্দিষ্ট ব্যয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে কমে না। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে, সংস্কার না করা হলে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় বাড়তে পারে, অথচ শিক্ষার ফলাফল দুর্বলই থেকে যেতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটাই মূল বিষয়— জনমিতিক পরিবর্তন শিক্ষার মান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে পারে, তবে এর জন্য সরকারকে সক্রিয়ভাবে এই পরিবর্তন সামলাতে হবে।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি নতুন গবেষণাপত্রে সরকারি শিক্ষা ব্যয়কে জনমিতিক পরিবর্তন, শিক্ষার্থী ভর্তি এবং শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয়— এই কয়েকটি মূল উপাদানে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২০ থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পরিস্থিতিতে জিডিপির অংশ হিসেবে শিক্ষা ব্যয় কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, তারও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। গবেষণাটির ফলাফলে দেখা গেছে, অন্য কোনো সংস্কার না হলেও শুধু জনমিতিক পরিবর্তন এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে শিক্ষায় পুনর্বিনিয়োগের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে এই আর্থিক সুযোগ প্রাথমিক শিক্ষায় জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং মাধ্যমিক শিক্ষায় শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ হতে পারে, যা ২০২০ সালের তুলনায় হিসাব করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সহজভাবে বললে, জনমিতিক পরিবর্তনের ফলে যে সম্পদ উন্মুক্ত হতে পারে, তা শিক্ষার মান উন্নয়নে এবং এখনো পিছিয়ে থাকা শিশুদের কাছে পৌঁছাতে পুনর্বিনিয়োগ করা সম্ভব।

প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় সবার জন্য ভর্তি নিশ্চিত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যও বিবেচনায় নেওয়ার পর বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জনমিতিক পরিবর্তনের কারণে পুনর্বিনিয়োগের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুযোগ থেকে যেতে পারে। এমনকি ২০৫০ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীপ্রতি সরকারি শিক্ষা ব্যয় জিডিপির মাথাপিছু আয়ের অংশ হিসেবে বর্তমান উচ্চ আয়ের দেশগুলোর পর্যায় পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ থাকতে পারে। যেসব দেশ শিক্ষায় ভর্তি বাড়ানোর সাফল্যকে শিক্ষার মানোন্নয়নে রূপান্তর করতে চায়, তাদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে সরকারি বাজেটে অতিরিক্ত চাপ না দিয়েই শিক্ষার মান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, আঞ্চলিক গড় হিসাব অনেক সময় পুরো চিত্র তুলে ধরে না। জনমিতিক পরিবর্তনের কারণে যে আর্থিক সুযোগ তৈরি হবে, তা সব দেশে একই সময়ে বা একই মাত্রায় আসবে না। এটি নির্ভর করবে প্রতিটি দেশ জনমিতিক পরিবর্তনের কোন পর্যায়ে রয়েছে, কতসংখ্যক শিশু স্কুলে ভর্তি হচ্ছে এবং কোন স্তরে ভর্তি হচ্ছে, পাশাপাশি শিক্ষার্থীপ্রতি সরকারি শিক্ষা ব্যয়ের ওপর।

উদাহরণ হিসেবে বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভুটান ও মালদ্বীপের ক্ষেত্রে জনমিতিক পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোর আরও উচ্চাভিলাষী শিক্ষার মানের লক্ষ্য অর্জনে অতিরিক্ত সম্পদের প্রয়োজন হতে পারে। ভারতে জনমিতিক পরিবর্তনের কারণে শিক্ষায় পুনর্বিনিয়োগের জন্য উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি হতে পারে। নেপালেও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেখানে ফলাফল নির্ভর করবে শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার ধরন এবং শিক্ষাব্যবস্থার দক্ষতা কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপর। শেষ পর্যন্ত এই সুযোগের পরিমাণ ও প্রভাব সব দেশের নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকেও এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা পাওয়া যায়। বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার যেসব দেশ শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল, তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। এসব দেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যয় সাশ্রয়ের সুবিধা পায়নি। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ভর্তি কমে গেলেও স্কুলব্যবস্থার কাঠামো আগের মতোই রাখা হয়েছিল। এতে অদক্ষতা বেড়েছে, সরকারি শিক্ষা ব্যয় আরও অকার্যকর হয়েছে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে পুনর্বিনিয়োগের সক্ষমতা কমেছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এর শিক্ষা স্পষ্ট— জনমিতিক পরিবর্তন একটি সুযোগ তৈরি করছে, তবে অদক্ষতা স্থায়ীভাবে কাঠামোর অংশ হয়ে যাওয়ার আগেই সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এখন সরকারের কী করা উচিত?

বিশ্বব্যাংকের মতে, প্রথমত, শিক্ষার বাজেট সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং জনমিতিক পরিবর্তন থেকে পাওয়া সাশ্রয় শিক্ষায় পুনর্বিনিয়োগ করতে হবে। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরকারগুলোর একটি অভিন্ন কৌশল প্রয়োজন। জনমিতিক পরিবর্তনকে শিক্ষার্থীদের শেখার মান উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত আরও বুদ্ধিদীপ্ত ব্যয়। বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাবের শক্ত প্রমাণ রয়েছে, সেখানে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মধ্যে উন্নত শিক্ষাদান পদ্ধতি, শিক্ষকদের কাঠামোবদ্ধ সহায়তা, শিক্ষার্থীর সক্ষমতার উপযোগী স্তরে পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের শেখার ওপর সরাসরি গুরুত্ব দেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে।

দ্বিতীয়ত, স্কুলব্যবস্থার কাঠামো আগেভাগেই পরিকল্পনা করতে হবে। বিশ্বব্যাংক বলছে, বিদ্যালয় একীভূত করা হলে দক্ষতা ও শিক্ষার মান বাড়তে পারে। তবে বিষয়টি রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সংবেদনশীল। স্কুল শুধু বাজেটের একটি খাত নয়, এটি একটি কমিউনিটি প্রতিষ্ঠানও। তাই সফল সংস্কারের জন্য স্বচ্ছভাবে বিষয়টি জানানো, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা এবং বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর মধ্যে নিরাপদ শিক্ষার্থী পরিবহন এবং যেসব বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী যাবে, সেসব বিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার মতো বিষয়ও রয়েছে।

তৃতীয়ত, প্রতিটি দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো জনমিতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একই গতিতে এগোচ্ছে না। তাই সবার জন্য একই ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হবে না। শ্রীলঙ্কা বা মালদ্বীপের জন্য যে পদক্ষেপ উপযোগী, তা নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ বা ভারতের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। একই সঙ্গে ভিন্ন পর্যায়ের জনমিতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া দেশগুলো একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে এবং অন্য দেশগুলো কীভাবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে, তা দেখতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার সুযোগে পরিণত করা সম্ভব। আর এটাই সেই জনমিতিক লভ্যাংশ, যা অর্জনের জন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

উন্নয়ন থেকে বাদ যাবে না কোনো অঞ্চল: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লে ব্যয়ও বাড়ে এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হয়। তাই নির্ধারিত সময়ে, সাশ্রয়ী ব্যয়ে ও যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

৩ ঘণ্টা আগে

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে লঘুচাপ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে বর্তমানে কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

৩ ঘণ্টা আগে

কোরআন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ, প্রত্যাহার ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি

বিবৃতিতে মাওলানা মহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি কোরআনের আলোকে সংবিধান রচনা করতে পারি, কিন্তু কোরআনকে সংবিধান হিসেবে মানা উচিত হবে না।’ তার এ বক্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর এবং মুসলমানের ঈমান-আকিদার মৌলিক বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

৫ ঘণ্টা আগে

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

৯ ঘণ্টা আগে
Advertisement