
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংশোধিত আইনে নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ভোটার সমর্থনসূচক স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিধান বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে ১ লাখ টাকা জামানত নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আগে ছিলো ১০ হাজার টাকা। উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে ৭৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে প্রার্থীকে।
অন্যদিকে প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাতিল করা হবে। যা আগে ছিলো ১২.৫ শতাংশ।
এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, "ব্যবসায়ীদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হলো। আমাদের তথাকথিত নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান এখন ব্যবসায়ীদের করায়ত্তে। এখন এটা আরো পাকাপোক্ত হলো, এটার ভীতটা শক্তিশালী হলো। গণতন্ত্রের নামে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হলো।”
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা-২০১৩ এবং উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা-২০১৬ সংশোধন করে এই গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি।
বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের মতো উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত বা বাতিলের ক্ষমতা রাখা হয়েছে। কোনো ভোটকেন্দ্রে বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি দেখানো বা কারসাজির কারণে ফলাফল পক্ষাপাতদুষ্ট মনে হলে ওই ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত দিতে পারবে ইসি।
জাতীয় সংসদের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম হলে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।
প্রতীক বরাদ্দের আগে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন লোক নিয়ে জনসংযোগ করতে পারবেন প্রার্থীরা; কোনো পদে সমান ভোট পেলে পুনরায় ভোটের পরিবর্তে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে সংশোধিত বিধিমালায়।
পোস্টারে পলিথিনের আবরণ এবং প্লাস্টিক ব্যানার ব্যবহার বন্ধ; শব্দদূষণ কমানোর লক্ষ্যে মাইকের সাউন্ড ৬০ ডেসিবেলের নিচে রাখা; পোস্টার, ব্যানার সাদা-কালো অথবা রঙিন করা যাবে; চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয় ২৫ লাখ এবং মহিলা সদস্যদের এক লাখ টাকা; মনোনয়নপত্রে লিঙ্গ হিসেবে হিজড়াদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় একটি অধিক শব্দ যন্ত্র (হর্ন) বা জনসভায় চারটির অধিক শব্দযন্ত্র (হর্ন) ব্যবহার করা যাবে না; উপজেলা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের হুমকি, কাজে বাধা দেওয়া বা ভয় দেখালে তা ‘নির্বাচনী অপরাধ’ হিসাবে নির্বাচন বিধিতে নতুন করে সংযোজন করা হয়েছে।
এ অপরাধে সর্বনিম্ন ছয় মাস ও সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এর আগে গত জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দেবে না দলটি। তারপরেই উপজেলা নির্বাচন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন।
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলে আইন সংশোধন করার দরকার ছিলো।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত সমর্থন বাতিল করার সিদ্ধান্তের জন্য আইন সংশোধন করা ঠিক আছে। কিন্তু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত বাধাগ্রস্ত হবে জামানতের টাকার কারণে।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে যে সুযোগ দেয়ার কথা সেটা থেকে বঞ্চিত করা হবে। উপমহাদেশে এত টাকা জামানত দিয়ে নির্বাচন করার কোনো আইন আমার চোখে পড়েনি।”

সংশোধিত আইনে নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ভোটার সমর্থনসূচক স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিধান বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে ১ লাখ টাকা জামানত নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আগে ছিলো ১০ হাজার টাকা। উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে ৭৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে প্রার্থীকে।
অন্যদিকে প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাতিল করা হবে। যা আগে ছিলো ১২.৫ শতাংশ।
এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, "ব্যবসায়ীদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হলো। আমাদের তথাকথিত নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান এখন ব্যবসায়ীদের করায়ত্তে। এখন এটা আরো পাকাপোক্ত হলো, এটার ভীতটা শক্তিশালী হলো। গণতন্ত্রের নামে ব্যবসায়ীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হলো।”
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা-২০১৩ এবং উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা-২০১৬ সংশোধন করে এই গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি।
বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের মতো উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত বা বাতিলের ক্ষমতা রাখা হয়েছে। কোনো ভোটকেন্দ্রে বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি দেখানো বা কারসাজির কারণে ফলাফল পক্ষাপাতদুষ্ট মনে হলে ওই ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত দিতে পারবে ইসি।
জাতীয় সংসদের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম হলে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।
প্রতীক বরাদ্দের আগে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন লোক নিয়ে জনসংযোগ করতে পারবেন প্রার্থীরা; কোনো পদে সমান ভোট পেলে পুনরায় ভোটের পরিবর্তে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে সংশোধিত বিধিমালায়।
পোস্টারে পলিথিনের আবরণ এবং প্লাস্টিক ব্যানার ব্যবহার বন্ধ; শব্দদূষণ কমানোর লক্ষ্যে মাইকের সাউন্ড ৬০ ডেসিবেলের নিচে রাখা; পোস্টার, ব্যানার সাদা-কালো অথবা রঙিন করা যাবে; চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয় ২৫ লাখ এবং মহিলা সদস্যদের এক লাখ টাকা; মনোনয়নপত্রে লিঙ্গ হিসেবে হিজড়াদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় একটি অধিক শব্দ যন্ত্র (হর্ন) বা জনসভায় চারটির অধিক শব্দযন্ত্র (হর্ন) ব্যবহার করা যাবে না; উপজেলা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের হুমকি, কাজে বাধা দেওয়া বা ভয় দেখালে তা ‘নির্বাচনী অপরাধ’ হিসাবে নির্বাচন বিধিতে নতুন করে সংযোজন করা হয়েছে।
এ অপরাধে সর্বনিম্ন ছয় মাস ও সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এর আগে গত জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দেবে না দলটি। তারপরেই উপজেলা নির্বাচন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন।
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলে আইন সংশোধন করার দরকার ছিলো।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত সমর্থন বাতিল করার সিদ্ধান্তের জন্য আইন সংশোধন করা ঠিক আছে। কিন্তু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত বাধাগ্রস্ত হবে জামানতের টাকার কারণে।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে যে সুযোগ দেয়ার কথা সেটা থেকে বঞ্চিত করা হবে। উপমহাদেশে এত টাকা জামানত দিয়ে নির্বাচন করার কোনো আইন আমার চোখে পড়েনি।”

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
৬ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
৯ ঘণ্টা আগে