
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে আমাদের আর কোনো শত্রু নেই। আমাদের একমাত্র শত্রু আওয়ামী লীগ।
এদের বিরুদ্ধে আমাদের যত ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি আছি, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত 'মার্চ ফর ইউনিটি’ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা ৩ আগস্ট শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে এক দফা ঘোষণা করেছিলাম। আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে একে অনেকে মেনে নিতে পারেনি। সেজন্য সচিবালয়ে, পুলিশে, বিচার বিভাগে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলে। আমরা আপনাদের বলতে চাই, আগে ছিল সতীদাহ প্রথা, এখন আমরা দেখছি নথিদাহ প্রথা। যারা সচিবালয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, আপনাদের বলতে চাই, রিয়েলিটি মাইন্যা নেন। আপনাদের আম্মু আর দেশে ফিরবে না। আমরা তাকে সীমান্তের ওপারে পাঠিয়েছি। খুনি হাসিনার আর এদেশে পুনর্বাসন হবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক বলেন, গত ১৬ বছর খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে নির্যাতন ও নিপীড়নের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী যতগুলো শক্তি রয়েছে, আলেম-ওলামাদের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। আমরা যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছি, আমাদের ডাকে সারা বাংলাদেশের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। আমরা হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। দ্রব্যমূল্য এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আপনি যদি মনে করেন, বার বার বলতে থাকেন সিন্ডিকেট এক হাত থেকে আরেক হাতে গেছে, তাহলে আপনার কাজ কি? এই সিন্ডিকেটের হাত ভেঙে দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য মানুষের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে। কোনো বিপ্লবীকে যদি আক্রমণ করা হয়, এর দায় সরকারকে নিতে হবে।
হাসনাত আরও বলেন, আমরা এখনো পর্যন্ত বিচারবহির্ভুত যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে সেগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে পারিনি। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে দেশপ্রেমী অফিসারদের একজন একজন করে হত্যা করা হয়েছে। অতি শিগগির এই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমরা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ভুলে যাইনি। সেখানে রাতের অন্ধকারে লাইট নিভিয়ে আলেম-ওলামাদের মেরে ফেলা হয়েছে। আলেম-ওলামাদের এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ যে নির্যাতন, নিপীড়ন, গুম, খুন করেছে, সেগুলোর বিচার করতে হবে। আমাদের এতদিন পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনো ঘোষণাপত্র ছিল না। আমরা বলতে চাই, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে আমাদের আর কোনো শত্রু নেই। আমাদের একমাত্র শত্রু আওয়ামী লীগ।
এদের বিরুদ্ধে আমাদের যত ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি আছি, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত 'মার্চ ফর ইউনিটি’ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা ৩ আগস্ট শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে এক দফা ঘোষণা করেছিলাম। আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে একে অনেকে মেনে নিতে পারেনি। সেজন্য সচিবালয়ে, পুলিশে, বিচার বিভাগে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলে। আমরা আপনাদের বলতে চাই, আগে ছিল সতীদাহ প্রথা, এখন আমরা দেখছি নথিদাহ প্রথা। যারা সচিবালয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, আপনাদের বলতে চাই, রিয়েলিটি মাইন্যা নেন। আপনাদের আম্মু আর দেশে ফিরবে না। আমরা তাকে সীমান্তের ওপারে পাঠিয়েছি। খুনি হাসিনার আর এদেশে পুনর্বাসন হবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক বলেন, গত ১৬ বছর খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে নির্যাতন ও নিপীড়নের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী যতগুলো শক্তি রয়েছে, আলেম-ওলামাদের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। আমরা যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছি, আমাদের ডাকে সারা বাংলাদেশের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। আমরা হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। দ্রব্যমূল্য এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আপনি যদি মনে করেন, বার বার বলতে থাকেন সিন্ডিকেট এক হাত থেকে আরেক হাতে গেছে, তাহলে আপনার কাজ কি? এই সিন্ডিকেটের হাত ভেঙে দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য মানুষের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে। কোনো বিপ্লবীকে যদি আক্রমণ করা হয়, এর দায় সরকারকে নিতে হবে।
হাসনাত আরও বলেন, আমরা এখনো পর্যন্ত বিচারবহির্ভুত যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে সেগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে পারিনি। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে দেশপ্রেমী অফিসারদের একজন একজন করে হত্যা করা হয়েছে। অতি শিগগির এই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমরা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ভুলে যাইনি। সেখানে রাতের অন্ধকারে লাইট নিভিয়ে আলেম-ওলামাদের মেরে ফেলা হয়েছে। আলেম-ওলামাদের এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ যে নির্যাতন, নিপীড়ন, গুম, খুন করেছে, সেগুলোর বিচার করতে হবে। আমাদের এতদিন পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কোনো ঘোষণাপত্র ছিল না। আমরা বলতে চাই, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে।

গত ৩০ আগস্ট একই ঘটনায় র্যাব-২ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে তাদের এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নতুন করে ওই দুজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার
১৫ ঘণ্টা আগে
উলামায়ে কেরাম বিলটির উদ্দেশ্য হিসেবে ‘পিতা-মাতা, প্রবীণ ব্যক্তি ও দাতার জীবদ্দশার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার সুরক্ষা’কে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তবে মুসলিম নাগরিকদের সম্পত্তি হস্তান্তর, হেবা, ওসিয়ত ও মিরাস কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক বিধানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় নতুন ব্যবস্থায় সম্ভাব্য শরয়ি জটিলতা নিয়ে তা
১৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে আমলে নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
১৬ ঘণ্টা আগে
এমআরটি লাইন-১-এর জন্য ডিএমটিসিএল সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব করেছিল এক লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫-এর জন্য ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। যাচাই-বাছাই শেষে প্রস্তাবিত ব্যয় থেকে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমিয়ে দুই প্রকল্পের সম্মিলিত নতুন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
১৬ ঘণ্টা আগে