
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দ্বিতীয়বারের মতো উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অংশ নিতে সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নবনির্মিত ১ নম্বর ভবনে এটাই হবে প্রথম কোনো সরকারপ্রধানের বৈঠক।
এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর অধ্যাপক ইউনূস প্রথমবার সচিবালয়ে এসেছিলেন। সে সময় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকটি হয়েছিল সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনে অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরোনো সভাকক্ষে। এবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন নিজস্ব ভবনে বৈঠক হতে যাচ্ছে। এ ভবনটি সচিবালয়ের প্রেসক্লাব সংলগ্ন গেটের পাশে অবস্থিত।
প্রধান উপদেষ্টার সচিবালয়ে যাওয়া উপলক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণ করে। এরপর থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল, কারণ ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ব্যবহারের উপযোগী ছিল না।
আগে সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠক হতো সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনের চতুর্থতলায়। ২০১৮ সালে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হতে থাকে। পরে সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনের ১৩ তলায় একটি সভাকক্ষ তৈরি করা হলেও সেটি আকারে ছোট হওয়ায় তেমন ব্যবহার হতো না।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণ করে। এরপর থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল, কারণ ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ব্যবহারের উপযোগী ছিল না।
আগে সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠক হতো সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনের চতুর্থ তলায়। ২০১৮ সালে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হতে থাকে। পরে সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনের ১৩ তলায় একটি সভাকক্ষ তৈরি করা হলেও সেটি আকারে ছোট হওয়ায় তেমন ব্যবহার হতো না।
এদিকে, প্রধান উপদেষ্টার আগমন উপলক্ষে সচিবালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এক নির্দেশনায় সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টার মধ্যে এক ও দুই নম্বর ফটক ব্যবহার করে কর্মস্থলে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে।

দ্বিতীয়বারের মতো উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অংশ নিতে সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নবনির্মিত ১ নম্বর ভবনে এটাই হবে প্রথম কোনো সরকারপ্রধানের বৈঠক।
এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর অধ্যাপক ইউনূস প্রথমবার সচিবালয়ে এসেছিলেন। সে সময় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকটি হয়েছিল সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনে অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরোনো সভাকক্ষে। এবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন নিজস্ব ভবনে বৈঠক হতে যাচ্ছে। এ ভবনটি সচিবালয়ের প্রেসক্লাব সংলগ্ন গেটের পাশে অবস্থিত।
প্রধান উপদেষ্টার সচিবালয়ে যাওয়া উপলক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণ করে। এরপর থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল, কারণ ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ব্যবহারের উপযোগী ছিল না।
আগে সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠক হতো সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনের চতুর্থতলায়। ২০১৮ সালে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হতে থাকে। পরে সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনের ১৩ তলায় একটি সভাকক্ষ তৈরি করা হলেও সেটি আকারে ছোট হওয়ায় তেমন ব্যবহার হতো না।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণ করে। এরপর থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল, কারণ ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ব্যবহারের উপযোগী ছিল না।
আগে সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠক হতো সচিবালয়ের পুরোনো ১ নম্বর ভবনের চতুর্থ তলায়। ২০১৮ সালে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হতে থাকে। পরে সচিবালয়ের ছয় নম্বর ভবনের ১৩ তলায় একটি সভাকক্ষ তৈরি করা হলেও সেটি আকারে ছোট হওয়ায় তেমন ব্যবহার হতো না।
এদিকে, প্রধান উপদেষ্টার আগমন উপলক্ষে সচিবালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এক নির্দেশনায় সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টার মধ্যে এক ও দুই নম্বর ফটক ব্যবহার করে কর্মস্থলে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুধু জ্বালানি নয়, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান ও কম্পিউটার ক্রয়ও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ এবং ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, বিশেষ করে এই অঞ্চলে যেমন পাট রয়েছে, এগুলো মাথায় রেখে আমাদের কৃষক ডিজেলের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়ে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে তারা যেন ডিজেল ও বিদ্যুৎ পায় সেক্ষেত্রে আমরা তৎপর আছি। কৃষকদের কোনো সমস্যা হবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আপৎকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনের আঙুলের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমামদের ভাতা প্রদান এবং কৃষি ঋণ মওকুফের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে