
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
সাথে সাক্ষাৎ করেছেন
সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে ধর্ম উপদেষ্টার অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। এ সময় তারা দুদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সম্পর্কে ধর্ম উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ ও নেপালের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়, ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ার এ দু'টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। দু'টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে কখনো সংকট কিংবা টানাপোড়েন তৈরি হয়নি, বরং দিনে দিনে সুদৃঢ় হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়েই সার্ক ও বিমসটেকের সদস্য। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতেও এদুটি দেশ অভিন্ন মনোভাব পোষণ করে থাকে। উভয় দেশের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ উত্তরোত্তর সম্প্রসারিত হচ্ছে। আগামীদিনে দুটি দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী ধর্ম উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পূর্বেই ৭ আগস্ট নেপাল সরকার বাংলাদেশের পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং এদেশের জনগণের প্রতি সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে বিবৃতি জারি করে। এটিকে তিনি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সর্বপ্রথম কোন বিদেশি সরকারের পক্ষ হতে জারিকৃত অফিশিয়াল বিবৃতি বলে দাবী করেন।
সম্প্রতি নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ঘনশ্যাম ভান্ডারী আরও বলেন, নেপাল সবচেয়ে কম মূল্যে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। আগামীতে নেপাল আরো বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নেপাল সরকারের পক্ষ হতে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক, উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদার ও উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
সাথে সাক্ষাৎ করেছেন
সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে ধর্ম উপদেষ্টার অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। এ সময় তারা দুদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সম্পর্কে ধর্ম উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ ও নেপালের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়, ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ার এ দু'টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। দু'টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে কখনো সংকট কিংবা টানাপোড়েন তৈরি হয়নি, বরং দিনে দিনে সুদৃঢ় হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল উভয়েই সার্ক ও বিমসটেকের সদস্য। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতেও এদুটি দেশ অভিন্ন মনোভাব পোষণ করে থাকে। উভয় দেশের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ উত্তরোত্তর সম্প্রসারিত হচ্ছে। আগামীদিনে দুটি দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী ধর্ম উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পূর্বেই ৭ আগস্ট নেপাল সরকার বাংলাদেশের পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং এদেশের জনগণের প্রতি সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে বিবৃতি জারি করে। এটিকে তিনি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সর্বপ্রথম কোন বিদেশি সরকারের পক্ষ হতে জারিকৃত অফিশিয়াল বিবৃতি বলে দাবী করেন।
সম্প্রতি নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ঘনশ্যাম ভান্ডারী আরও বলেন, নেপাল সবচেয়ে কম মূল্যে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। আগামীতে নেপাল আরো বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নেপাল সরকারের পক্ষ হতে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক, উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদার ও উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

বরাবরই রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে এবারে সেই ধারা অব্যাহত থাকছে না। কারণ এবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা তার দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়, সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
একই দিন আরেক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আব্দুর রশীদ অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সরকার গত বছরের ২৬ জুন জানায়, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৮০৮টি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন কর
৫ ঘণ্টা আগে