
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমরা কলকারখানা ও শিল্প মালিক এবং শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করছি। আইএলও’র পরামর্শ শুনছি এবং কাজ করছি।
রোববার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশের শিল্প সম্পর্ক ব্যবস্থার রূপান্তর নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সংলাপে অংশগ্রহণ করে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
মালিক পক্ষের উদ্দেশে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করুন। যারা সম্পর্ক ভালো করেছেন তাদের প্রতিষ্ঠান সুফল পাচ্ছে। আমাদের সময় দিতে হবে, আমরা শ্রম শিল্পের উন্নতি করব। এ ছাড়াও শ্রম সংস্কার কমিশন থেকে সুপারিশ আসবে। শ্রমঘন অঞ্চলে আইএলও-এর সুপারিশ বাস্তবায়িত হবে।
শ্রম উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিপথ এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে আমাদের ক্রমবর্ধমান শ্রমশক্তিকে উন্নত ও সুরক্ষিত করার জন্য সমন্বিত শিল্প সম্পর্কের গুরুত্বকে আমরা স্বীকার করতে বাধ্য। আমি স্বীকার করছি যে, বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের দেশ এখন উন্নত শ্রম পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সেক্টরে সংস্কার কমিশন গঠন করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শ্রম সংস্কার কমিশন।
তিনি বলেন, একটি প্রতিযোগিতামূলক, বাজারভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য একটি শক্তিশালী শিল্প সম্পর্ক ব্যবস্থা অপরিহার্য। জাতীয়, ক্ষেত্রভিত্তিক এবং প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সময়োপযোগী এবং কার্যকর বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। যাতে বিরোধ সংঘাতে রূপ নিয়ে আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে নষ্ট করতে না পারে। শ্রম সংস্কারের প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় আইএলও গভর্নিং বডিতে আমাদের প্রতিনিধিত্ব এবং চলমান বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে।
শ্রম উপদেষ্টা আরও বলেন, সামাজিক সংলাপ শুধু বিরোধ নিষ্পত্তির একটি মাধ্যম নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি হাতিয়ার এবং সামাজিক শান্তির একটি নিশ্চয়তা। নিয়োগকর্তা, শ্রমিক এবং সরকারি প্রতিনিধিদের একত্রিত করার মাধ্যমে আমরা একটি যৌথ অগ্রগতির দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে পারি।
সংলাপ শেষে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিল্প সম্পর্কের ওপর যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ইমপ্লোয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আরদাশীর কবির এবং ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেসন কমিটি ফর ওয়ার্কার্স এডুকেশনের চেয়ারপার্সন বাদল খান।
সংলাপে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউরোপীয়ন ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডর এইস ই মাইকেল মিলার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক ম্যানুয়েলা টোমেই, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আরশাদীর কবির এবং আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়ানিন উপস্থিত ছিলেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমরা কলকারখানা ও শিল্প মালিক এবং শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করছি। আইএলও’র পরামর্শ শুনছি এবং কাজ করছি।
রোববার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশের শিল্প সম্পর্ক ব্যবস্থার রূপান্তর নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সংলাপে অংশগ্রহণ করে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
মালিক পক্ষের উদ্দেশে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করুন। যারা সম্পর্ক ভালো করেছেন তাদের প্রতিষ্ঠান সুফল পাচ্ছে। আমাদের সময় দিতে হবে, আমরা শ্রম শিল্পের উন্নতি করব। এ ছাড়াও শ্রম সংস্কার কমিশন থেকে সুপারিশ আসবে। শ্রমঘন অঞ্চলে আইএলও-এর সুপারিশ বাস্তবায়িত হবে।
শ্রম উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিপথ এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে আমাদের ক্রমবর্ধমান শ্রমশক্তিকে উন্নত ও সুরক্ষিত করার জন্য সমন্বিত শিল্প সম্পর্কের গুরুত্বকে আমরা স্বীকার করতে বাধ্য। আমি স্বীকার করছি যে, বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের দেশ এখন উন্নত শ্রম পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সেক্টরে সংস্কার কমিশন গঠন করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শ্রম সংস্কার কমিশন।
তিনি বলেন, একটি প্রতিযোগিতামূলক, বাজারভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য একটি শক্তিশালী শিল্প সম্পর্ক ব্যবস্থা অপরিহার্য। জাতীয়, ক্ষেত্রভিত্তিক এবং প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সময়োপযোগী এবং কার্যকর বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। যাতে বিরোধ সংঘাতে রূপ নিয়ে আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে নষ্ট করতে না পারে। শ্রম সংস্কারের প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় আইএলও গভর্নিং বডিতে আমাদের প্রতিনিধিত্ব এবং চলমান বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে।
শ্রম উপদেষ্টা আরও বলেন, সামাজিক সংলাপ শুধু বিরোধ নিষ্পত্তির একটি মাধ্যম নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি হাতিয়ার এবং সামাজিক শান্তির একটি নিশ্চয়তা। নিয়োগকর্তা, শ্রমিক এবং সরকারি প্রতিনিধিদের একত্রিত করার মাধ্যমে আমরা একটি যৌথ অগ্রগতির দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে পারি।
সংলাপ শেষে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিল্প সম্পর্কের ওপর যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ইমপ্লোয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আরদাশীর কবির এবং ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেসন কমিটি ফর ওয়ার্কার্স এডুকেশনের চেয়ারপার্সন বাদল খান।
সংলাপে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউরোপীয়ন ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডর এইস ই মাইকেল মিলার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক ম্যানুয়েলা টোমেই, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আরশাদীর কবির এবং আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়ানিন উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যপক মুহাম্মদ ইউনূস আগের পেশায় ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছেন তার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় বিএনপি ও দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমন-পীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষক দল প্রত্যক্ষ করেনি বলে জানিয়েছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল।
১৭ ঘণ্টা আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।
১৮ ঘণ্টা আগে