
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একাডেমি ফর উইমেন অন্ট্রোপ্রোনরস (এডব্লিউই) বিজনেস পিচ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ নারী উদ্যোক্তাকে পুরস্কার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।
বুধবার ঢাকার ইএমকে সেন্টারের কেনেডি হলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অন্ট্রোপ্রোনরশিপ ডেভেলপমেন্টের (সিইডি) সহযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ঢাকার ইএমকে সেন্টারের কেনেডি হলে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডিন।
বোল্ডিন বলেন, এই অসাধারণ নারীরা বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্ভাবন ও দৃঢ়তার প্রতীক।
এডব্লিউইর প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বিজয়ীরা নির্বাচিত হয়েছেন। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, খাগড়াছড়ি, যশোর, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রত্যেক বিজয়ী তাদের ব্যবসায়িক পিচ প্রস্তাবনার মাধ্যমে প্রদর্শন করেছেন অসাধারণ উদ্যোক্তা সম্ভাবনা।
২০২২ সালে বাংলাদেশে চালু হওয়া এডব্লিউই প্রোগ্রাম দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৪০ জনেরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অন্ট্রোপ্রোনরশিপ ডেভেলপমেন্টের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এই প্রোগ্রামটি নারীদের মার্কেটিং, অর্থায়ন এবং কৌশলগত পরিকল্পনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক দক্ষতায় দক্ষ করে তুলতে গুরুত্ব দেয়। বিশেষত, এই উদ্যোগ আদিবাসী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীসহ প্রান্তিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়ের নারীদের সহায়তা প্রদানের ওপর জোর দেয়।
"নারীদের ব্যবসায় সফল হতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, সম্পদএবং নেটওয়ার্ক প্রদান করে এডব্লিউই এর মতো প্রোগ্রামগুলোজীবনের পরিবর্তন আনছে। যখন নারীরা উন্নতি করে, তখনপুরো সমাজ এবং অর্থনীতি এর সুফল ভোগ করে," বলেন বোল্ডিন।
একাডেমি ফর উইমেন অন্ট্রোপ্রোনরস যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্যুরো অফ এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারালঅ্যাফেয়ার্সের একটি মুখ্য উদ্যোগ, যা বাংলাদেশেঅন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্যোগ এবং নারীরনেতৃত্বকে উৎসাহিত করে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফরএন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্টের (সিইডি) সহযোগিতায়বাস্তবায়িত এই প্রোগ্রাম আদিবাসী, সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিকজনগোষ্ঠীর নারীদের পরিবর্তনকারীতে পরিণত করতে সক্ষম করে।
বাংলাদেশে দুটি পর্যায় সম্পন্ন করার পর, এডব্লিউই একটিউদ্যমী উদ্যোক্তা নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যারা সমাজেইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে, কর্মসংস্থান তৈরি করছে এবংঅন্যদের অনুপ্রাণিত করছে। এই সাফল্যের ভিত্তিতে সিইডিআরও উন্নত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ সেবা চালু করার পরিকল্পনাকরেছে, যা নারীদের আরও ক্ষমতায়ন করবে এবংবাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে সহায়ক হবে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহযোগিতাপ্রান্তিক নারী উদ্যোক্তাদের চাহিদা পূরণ এবং বাংলাদেশে ছোটও মাঝারি শিল্প উদ্যোগগুলোর বিকাশে একটি অভিন্নপ্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এডব্লিউই প্রোগ্রাম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয়জেন্ডার সমতা ও ন্যায্যতার কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যানারীদের পূর্ণ অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে ত্বরান্বিত করে এবংজনগোষ্ঠী ও শিল্প খাতকে শক্তিশালী করে।

একাডেমি ফর উইমেন অন্ট্রোপ্রোনরস (এডব্লিউই) বিজনেস পিচ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ নারী উদ্যোক্তাকে পুরস্কার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।
বুধবার ঢাকার ইএমকে সেন্টারের কেনেডি হলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অন্ট্রোপ্রোনরশিপ ডেভেলপমেন্টের (সিইডি) সহযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ঢাকার ইএমকে সেন্টারের কেনেডি হলে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডিন।
বোল্ডিন বলেন, এই অসাধারণ নারীরা বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্ভাবন ও দৃঢ়তার প্রতীক।
এডব্লিউইর প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বিজয়ীরা নির্বাচিত হয়েছেন। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন সিলেট, কুমিল্লা, বরিশাল, খাগড়াছড়ি, যশোর, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রত্যেক বিজয়ী তাদের ব্যবসায়িক পিচ প্রস্তাবনার মাধ্যমে প্রদর্শন করেছেন অসাধারণ উদ্যোক্তা সম্ভাবনা।
২০২২ সালে বাংলাদেশে চালু হওয়া এডব্লিউই প্রোগ্রাম দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৪০ জনেরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অন্ট্রোপ্রোনরশিপ ডেভেলপমেন্টের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এই প্রোগ্রামটি নারীদের মার্কেটিং, অর্থায়ন এবং কৌশলগত পরিকল্পনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক দক্ষতায় দক্ষ করে তুলতে গুরুত্ব দেয়। বিশেষত, এই উদ্যোগ আদিবাসী ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীসহ প্রান্তিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়ের নারীদের সহায়তা প্রদানের ওপর জোর দেয়।
"নারীদের ব্যবসায় সফল হতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, সম্পদএবং নেটওয়ার্ক প্রদান করে এডব্লিউই এর মতো প্রোগ্রামগুলোজীবনের পরিবর্তন আনছে। যখন নারীরা উন্নতি করে, তখনপুরো সমাজ এবং অর্থনীতি এর সুফল ভোগ করে," বলেন বোল্ডিন।
একাডেমি ফর উইমেন অন্ট্রোপ্রোনরস যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্যুরো অফ এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারালঅ্যাফেয়ার্সের একটি মুখ্য উদ্যোগ, যা বাংলাদেশেঅন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্যোগ এবং নারীরনেতৃত্বকে উৎসাহিত করে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফরএন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্টের (সিইডি) সহযোগিতায়বাস্তবায়িত এই প্রোগ্রাম আদিবাসী, সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিকজনগোষ্ঠীর নারীদের পরিবর্তনকারীতে পরিণত করতে সক্ষম করে।
বাংলাদেশে দুটি পর্যায় সম্পন্ন করার পর, এডব্লিউই একটিউদ্যমী উদ্যোক্তা নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যারা সমাজেইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে, কর্মসংস্থান তৈরি করছে এবংঅন্যদের অনুপ্রাণিত করছে। এই সাফল্যের ভিত্তিতে সিইডিআরও উন্নত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ সেবা চালু করার পরিকল্পনাকরেছে, যা নারীদের আরও ক্ষমতায়ন করবে এবংবাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে সহায়ক হবে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহযোগিতাপ্রান্তিক নারী উদ্যোক্তাদের চাহিদা পূরণ এবং বাংলাদেশে ছোটও মাঝারি শিল্প উদ্যোগগুলোর বিকাশে একটি অভিন্নপ্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এডব্লিউই প্রোগ্রাম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয়জেন্ডার সমতা ও ন্যায্যতার কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যানারীদের পূর্ণ অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে ত্বরান্বিত করে এবংজনগোষ্ঠী ও শিল্প খাতকে শক্তিশালী করে।

সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।’
৫ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠেয় গণভোটে ভোট দেবেন রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ খুব ভালো। উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
৬ ঘণ্টা আগে
ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বৈধতা দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।
৬ ঘণ্টা আগে