
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন অপু জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় পাঁচ বছর সাত মাস পর কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
মিয়া নুরুদ্দিন অপুর আইনজীবী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, দুটি মামলায় আমরা জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলাম। শুনানি শেষে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল ও ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তিনি মুক্তি পান।
মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে তিনি হামলার শিকার হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই বছরের ৪ জানুয়ারি রাজধানীর হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব-১ এর সদস্যরা।
অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অপুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় তার বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকা ও ১০ কোটি টাকার বিভিন্ন ব্যাংকের চেক উদ্ধারের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকার আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ১৭ জানুয়ারি রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলার তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি আইনে চার্জশিট দেয় পুলিশ। যার মধ্যে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে একটি এবং ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ আরেকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মিয়া নুরুদ্দিন অপু জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় পাঁচ বছর সাত মাস পর কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
মিয়া নুরুদ্দিন অপুর আইনজীবী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, দুটি মামলায় আমরা জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলাম। শুনানি শেষে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল ও ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তিনি মুক্তি পান।
মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে তিনি হামলার শিকার হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই বছরের ৪ জানুয়ারি রাজধানীর হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন র্যাব-১ এর সদস্যরা।
অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অপুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় তার বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকা ও ১০ কোটি টাকার বিভিন্ন ব্যাংকের চেক উদ্ধারের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকার আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ১৭ জানুয়ারি রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলার তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি আইনে চার্জশিট দেয় পুলিশ। যার মধ্যে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে একটি এবং ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ আরেকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

পরিপত্রে জানানো হয়, সংবিধানের ৬৬(১)(২) অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ১২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিচার করা হবে। এছাড়া সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘প্রজাতন্ত্রের কর্ম’ ও ‘সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ’ এর ব্যাখ্যাও এতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্মানিত উপস্থিতি, বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকিয়ে আছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর
৯ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসায় উঠেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৯ ঘণ্টা আগে
মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রথম ধাপে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত বয়োজ্যেষ্ঠ নারীদের জন্য চালু করা হবে। পরবর্তীতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিকেও অন্তর্ভুক্ত করে এই কার্যক্রম সর্বজনীন করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে