
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নতুন করে আবারও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের সামনে ও আশপাশে সভা-সমাবেশ, মিছিল-শোভাযাত্রা ও গণজমায়েতে নিষেধজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
এবার এই নিষেধাজ্ঞায় যমুনা ও সচিবালয়ের আশপাশের এলাকা হিসেবে কিছু স্থানেরও উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শাহবাগ মোড়। রাজধানী ঢাকায় আন্দোলনের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই স্থানটিই। এমনকি যে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের জের ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ, সেই আন্দোলনেরও সূচনা ছিল এই শাহবাগ মোড়।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট যমুনা ও সচিবালয়ের সামনে ও আশপাশে সভা-সমাবেশ, মিছিল-শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ডিএমপি।
নতুন নিষেধাজ্ঞার গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ডিএমপি অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রায় পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের একটি মুহূর্ত। ছবি: ফেসবুক থেকে
গণবিজ্ঞপ্তিতে যমুনা ও সচিবালয়ের পার্শ্ববর্তী হিসেবে যেসব স্থানের উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো— হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়, শাহবাগ মোড়, কাকরাইল মোড় ও মিন্টো রোড।
এর আগে গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। শাহবাগ মোড় ও প্রেস ক্লাবের সামনের এলাকাসহ এসব বিক্ষোভস্থলের কেন্দ্রবিন্দু ছিল যমুনা ও সচিবালয়ের সামনে ও এর আশপাশের এলাকা।
পরে চাকরি জাতীয়করণসহ আনসার সদস্যদের বিভিন্ন দাবির আন্দোলন ঘিরে সচিবালয়ের সামনে সংঘর্ষের পর সচিবালয় ও যমুনার আশপাশে সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে ডিএমপি। পরে ওই এলাকায় আর আন্দোলন-বিক্ষোভ না হলেও নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন-বিক্ষোভ থেকে নেই।
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিদিনই বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি-দাওয়া নিয়ে অনেকেই আন্দোলন করে আসছিলেন শাহবাগ মোড়ে।
কিছুদিন আগে সুপারিশ পেয়েও আদালতের রায়ে নিয়োগ স্থগিত হয়ে যাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা শাহবাগ মোড়ে টানা আন্দোলন চালিয়ে যান। টানা কয়েকদিন জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। পরে উচ্চ আদালতের রায়ে তারা চাকরিতে যোগদানের অধিকার ফিরে পেয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে আহতদের পরিবারের সদস্যরাও সুচিকিৎসাসহ নানা দাবিতে শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন করেছেন। সবশেষ সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মঙ্গলবার শাহবাগ মোড়ে জড়ো হয়েছিলেন রাজধানীর অন্তত ৩০টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।
ওই দিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পদযাত্রা থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। পদযাত্রাটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ বিনা উসকানিতে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীরাই পুলিশের ওপর আক্রমণ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হামলা, দায়িত্বে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলাও করেছে।
এ ঘটনাটি গত দুদিনে অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। কোন পক্ষের হামলায় সংঘর্ষের সূত্রপাত, এ নিয়েও বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। বিশেষ করে সাদা পোশাকে পুলিশের একজন সহকারী কমিশনারের (এসি) ব্যাপক মারধরের ছবি পুলিশের বলপ্রয়োগের মাত্রা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এ ঘটনার দুদিন পরই শাহবাগ মোড়-ইন্টারনকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনের মোড়ে সভা-সমাবেশ-মিছিল নিষিদ্ধ করল ডিএমপি।

নতুন করে আবারও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের সামনে ও আশপাশে সভা-সমাবেশ, মিছিল-শোভাযাত্রা ও গণজমায়েতে নিষেধজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
এবার এই নিষেধাজ্ঞায় যমুনা ও সচিবালয়ের আশপাশের এলাকা হিসেবে কিছু স্থানেরও উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শাহবাগ মোড়। রাজধানী ঢাকায় আন্দোলনের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই স্থানটিই। এমনকি যে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের জের ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ, সেই আন্দোলনেরও সূচনা ছিল এই শাহবাগ মোড়।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট যমুনা ও সচিবালয়ের সামনে ও আশপাশে সভা-সমাবেশ, মিছিল-শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ডিএমপি।
নতুন নিষেধাজ্ঞার গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ডিএমপি অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রায় পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের একটি মুহূর্ত। ছবি: ফেসবুক থেকে
গণবিজ্ঞপ্তিতে যমুনা ও সচিবালয়ের পার্শ্ববর্তী হিসেবে যেসব স্থানের উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো— হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়, শাহবাগ মোড়, কাকরাইল মোড় ও মিন্টো রোড।
এর আগে গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। শাহবাগ মোড় ও প্রেস ক্লাবের সামনের এলাকাসহ এসব বিক্ষোভস্থলের কেন্দ্রবিন্দু ছিল যমুনা ও সচিবালয়ের সামনে ও এর আশপাশের এলাকা।
পরে চাকরি জাতীয়করণসহ আনসার সদস্যদের বিভিন্ন দাবির আন্দোলন ঘিরে সচিবালয়ের সামনে সংঘর্ষের পর সচিবালয় ও যমুনার আশপাশে সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে ডিএমপি। পরে ওই এলাকায় আর আন্দোলন-বিক্ষোভ না হলেও নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন-বিক্ষোভ থেকে নেই।
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিদিনই বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি-দাওয়া নিয়ে অনেকেই আন্দোলন করে আসছিলেন শাহবাগ মোড়ে।
কিছুদিন আগে সুপারিশ পেয়েও আদালতের রায়ে নিয়োগ স্থগিত হয়ে যাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা শাহবাগ মোড়ে টানা আন্দোলন চালিয়ে যান। টানা কয়েকদিন জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। পরে উচ্চ আদালতের রায়ে তারা চাকরিতে যোগদানের অধিকার ফিরে পেয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে আহতদের পরিবারের সদস্যরাও সুচিকিৎসাসহ নানা দাবিতে শাহবাগ মোড়ে আন্দোলন করেছেন। সবশেষ সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মঙ্গলবার শাহবাগ মোড়ে জড়ো হয়েছিলেন রাজধানীর অন্তত ৩০টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।
ওই দিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পদযাত্রা থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। পদযাত্রাটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ বিনা উসকানিতে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীরাই পুলিশের ওপর আক্রমণ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হামলা, দায়িত্বে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলাও করেছে।
এ ঘটনাটি গত দুদিনে অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। কোন পক্ষের হামলায় সংঘর্ষের সূত্রপাত, এ নিয়েও বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। বিশেষ করে সাদা পোশাকে পুলিশের একজন সহকারী কমিশনারের (এসি) ব্যাপক মারধরের ছবি পুলিশের বলপ্রয়োগের মাত্রা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এ ঘটনার দুদিন পরই শাহবাগ মোড়-ইন্টারনকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনের মোড়ে সভা-সমাবেশ-মিছিল নিষিদ্ধ করল ডিএমপি।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক গোল্ড’স জিম শনিবার দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। যুবসমাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ডিনার উইথ দ্য স্টারস’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে
“কেমন হ্যাকার, কেমন হ্যাক? ‘বেশ্যা’ ডেকেই আইডি ব্যাক!”, ‘নারীর শ্রমের সম্মান চাই, বেশ্যাকরণ নিপাত যাক’ এবং ‘প্রস্টিটিউট? জাস্ট লুক এট ইউর হিস্ট্রি’সহ নানা স্লোগান ছিল শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের নির্বাচনি প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র দিকে ইঙ্গিত করে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—
৪ ঘণ্টা আগে
ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের প্রয়োজন বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি নিজে কিংবা তাঁর স্ত্রী কেউই এখনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেননি।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে দক্ষ ও সাশ্রয়ী শ্রমিকের বিশাল বাজার রয়েছে। সরকার বাংলাদেশকে বিশ্ব বাণিজ্যের একটি ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত করতে কাজ করছে। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ২০২৬ সালে একটি ‘ইইউ-বাংলাদেশ বিজন
৫ ঘণ্টা আগে