
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম। কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সংকটাপন্ন শারীরিক অবস্থার কারণে তাকে চার দিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে আর ফিরতে পারেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা আমীরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।
আমীরুল ইসলাম শিশুদের জন্য ছড়া ও গল্পসহ নানা ধরনের সৃজনশীল লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। দুই শতাধিক বই লিখেছেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
প্রতিথযশা এই সাহিত্যিকের বড় ভাই কামাল আহমেদ বাচ্চু জানিয়েছেন, রাত ১টা ৭ মিনিটে চিকিৎসকরা লাইফ সাপোর্ট খুলে নিয়ে আমীরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেছেন।
চ্যানেল আই সূত্র জানিয়েছে, কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত আমীরুলকে কয়েক দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা দিয়েও তার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। বরং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে রোববার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন ছোটবেলাতেই। হাইস্কুলে থাকতে ছড়া লিখে পেয়েছিলেন পুরস্কার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দুহাত ভরে লিখে গেছেন শিশুদের জন্য।
আমীরুল ইসলামের প্রথম বই খামখেয়ালির ছড়া। এরপর ছড়াতে সীমাবদ্ধ না থেকে শিশুদের জন্য প্রায় সব ধরনের বই লিখেছেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে রূপকথাও। তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে— অচিন জাদুকর (১৯৮৫), আমাদের গোয়েন্দাগিরি (১৯৯২), রুঝুমপুর (১৯৯২), ফানুসের দেশে অ্যাডভেঞ্চার (১৯৯৪), পিচ্চি ভূতের বাহাদুরি (১৯৯৫), একাত্তরের মিছিল (১৯৯৭)।
শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমী শিশুসাহিত্য পুরস্কার থেকে শুরু করে সিকান্দার আবু জাফর সাহিত্য পুরস্কার, নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ছোটদের পত্রিকা পুরস্কার, কবি শামসুর রাহমান সাহিত্য পুরস্কার, কলকাতার অন্নদা শঙ্কর সাহিত্য পুরস্কারসহ আরও নানা পুরস্কার পেয়েছেন আমীরুল ইসলাম। ২০০৬ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। নব্বইয়ের দশকে বিলুপ্ত হওয়ার আগে দৈনিক বাংলার কিশোরদের পাতার বিভাগীয় সম্পাদক ছিলেন পাঁচ বছর। এক দশক সম্পাদনা করেছেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত কিশোর পত্রিকা আসন্ন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়েই যুক্ত হন চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে। সবশেষ টিভি চ্যানেলটির অনুষ্ঠান বিভাগের দায়িত্ব পালন করছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
চ্যানেল আইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর তার মরদেহ নেওয়া হবে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন সহকর্মীরা, সেখানেই তার প্রথম জানাজা হবে।
এরপর বিকেল ৩টায় বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে রাখা হবে আমীরুল ইসলামের মরদেহ। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা জানাবেন। সেখানে বিকেল সাড়ে ৩টায় তার জানাজা হবে।
বাংলা একাডেমি থেকে বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে নেওয়া হবে এই সাহিত্যিকের মরদেহ। এরপর মিরপুরের গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজার পর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরে দাফন করা হবে আমীরুল ইসলামকে।

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম। কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সংকটাপন্ন শারীরিক অবস্থার কারণে তাকে চার দিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে আর ফিরতে পারেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা আমীরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।
আমীরুল ইসলাম শিশুদের জন্য ছড়া ও গল্পসহ নানা ধরনের সৃজনশীল লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। দুই শতাধিক বই লিখেছেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
প্রতিথযশা এই সাহিত্যিকের বড় ভাই কামাল আহমেদ বাচ্চু জানিয়েছেন, রাত ১টা ৭ মিনিটে চিকিৎসকরা লাইফ সাপোর্ট খুলে নিয়ে আমীরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেছেন।
চ্যানেল আই সূত্র জানিয়েছে, কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত আমীরুলকে কয়েক দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা দিয়েও তার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। বরং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে রোববার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন ছোটবেলাতেই। হাইস্কুলে থাকতে ছড়া লিখে পেয়েছিলেন পুরস্কার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দুহাত ভরে লিখে গেছেন শিশুদের জন্য।
আমীরুল ইসলামের প্রথম বই খামখেয়ালির ছড়া। এরপর ছড়াতে সীমাবদ্ধ না থেকে শিশুদের জন্য প্রায় সব ধরনের বই লিখেছেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে রূপকথাও। তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে— অচিন জাদুকর (১৯৮৫), আমাদের গোয়েন্দাগিরি (১৯৯২), রুঝুমপুর (১৯৯২), ফানুসের দেশে অ্যাডভেঞ্চার (১৯৯৪), পিচ্চি ভূতের বাহাদুরি (১৯৯৫), একাত্তরের মিছিল (১৯৯৭)।
শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অগ্রণী ব্যাংক-শিশু একাডেমী শিশুসাহিত্য পুরস্কার থেকে শুরু করে সিকান্দার আবু জাফর সাহিত্য পুরস্কার, নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ছোটদের পত্রিকা পুরস্কার, কবি শামসুর রাহমান সাহিত্য পুরস্কার, কলকাতার অন্নদা শঙ্কর সাহিত্য পুরস্কারসহ আরও নানা পুরস্কার পেয়েছেন আমীরুল ইসলাম। ২০০৬ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। নব্বইয়ের দশকে বিলুপ্ত হওয়ার আগে দৈনিক বাংলার কিশোরদের পাতার বিভাগীয় সম্পাদক ছিলেন পাঁচ বছর। এক দশক সম্পাদনা করেছেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত কিশোর পত্রিকা আসন্ন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়েই যুক্ত হন চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে। সবশেষ টিভি চ্যানেলটির অনুষ্ঠান বিভাগের দায়িত্ব পালন করছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
চ্যানেল আইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর তার মরদেহ নেওয়া হবে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন সহকর্মীরা, সেখানেই তার প্রথম জানাজা হবে।
এরপর বিকেল ৩টায় বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে রাখা হবে আমীরুল ইসলামের মরদেহ। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা জানাবেন। সেখানে বিকেল সাড়ে ৩টায় তার জানাজা হবে।
বাংলা একাডেমি থেকে বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে নেওয়া হবে এই সাহিত্যিকের মরদেহ। এরপর মিরপুরের গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজার পর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরে দাফন করা হবে আমীরুল ইসলামকে।

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি নিয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিস্তা সমস্যার সমাধান না হলে উত্তরবঙ্গের মানুষের কষ্ট দূর হবে না। তিনি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি ন্যায়সংগত ও টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বা
১৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন হয়েছে এবং ছয়টি বিল পাসও করা হয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া একটি বিশেষ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৭ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে