
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের প্রয়োজন বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি নিজে কিংবা তাঁর স্ত্রী কেউই এখনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেননি।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক জানতে চান—পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নিজে এবং তাঁর আরও কয়েকজন সহকর্মী কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন—এমন তথ্য শোনা যাচ্ছে, একই সময়ে আবার কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশ সফরে যাচ্ছেন।
জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এখানেই মিসইনফরমেশন চলে আসে। আমি কিংবা আমার স্ত্রী কেউই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করিনি। আমার পাসপোর্ট এখনো আমার কাছেই আছে এবং তা যথারীতি বহাল রয়েছে।
তিনি বলেন, দায়িত্বকালীন সময়ে একজন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা হতো। আমি সেটা করিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, তবে উপদেষ্টাদের মধ্যে অনেকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন—এটি সত্য। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তাদের বিদেশ সফরের প্রয়োজন হতে পারে। সে কারণে সময়মতো ভিসা পাওয়ার সুবিধার জন্য তারা আগেভাগেই পাসপোর্ট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
এ সময় আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন—ভিসা পাওয়া সহজ করতেই কি উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন? এর জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এটি ভিসা সহজ করার বিষয় নয়, বরং সময় গেইন করার বিষয়। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বি–১ ও বি–২ ভিসা পাসপোর্ট বাতিল হলেও সাধারণত বাতিল হয় না। তবে নতুন পাসপোর্টে ভিসা ট্রান্সফার করতে সময় লাগে। সেই সময় বাঁচাতেই আগেভাগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের প্রয়োজন বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি নিজে কিংবা তাঁর স্ত্রী কেউই এখনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেননি।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক জানতে চান—পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নিজে এবং তাঁর আরও কয়েকজন সহকর্মী কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন—এমন তথ্য শোনা যাচ্ছে, একই সময়ে আবার কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশ সফরে যাচ্ছেন।
জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এখানেই মিসইনফরমেশন চলে আসে। আমি কিংবা আমার স্ত্রী কেউই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করিনি। আমার পাসপোর্ট এখনো আমার কাছেই আছে এবং তা যথারীতি বহাল রয়েছে।
তিনি বলেন, দায়িত্বকালীন সময়ে একজন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা হতো। আমি সেটা করিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, তবে উপদেষ্টাদের মধ্যে অনেকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন—এটি সত্য। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তাদের বিদেশ সফরের প্রয়োজন হতে পারে। সে কারণে সময়মতো ভিসা পাওয়ার সুবিধার জন্য তারা আগেভাগেই পাসপোর্ট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
এ সময় আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন—ভিসা পাওয়া সহজ করতেই কি উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন? এর জবাবে মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এটি ভিসা সহজ করার বিষয় নয়, বরং সময় গেইন করার বিষয়। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বি–১ ও বি–২ ভিসা পাসপোর্ট বাতিল হলেও সাধারণত বাতিল হয় না। তবে নতুন পাসপোর্টে ভিসা ট্রান্সফার করতে সময় লাগে। সেই সময় বাঁচাতেই আগেভাগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

“কেমন হ্যাকার, কেমন হ্যাক? ‘বেশ্যা’ ডেকেই আইডি ব্যাক!”, ‘নারীর শ্রমের সম্মান চাই, বেশ্যাকরণ নিপাত যাক’ এবং ‘প্রস্টিটিউট? জাস্ট লুক এট ইউর হিস্ট্রি’সহ নানা স্লোগান ছিল শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের নির্বাচনি প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র দিকে ইঙ্গিত করে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে দক্ষ ও সাশ্রয়ী শ্রমিকের বিশাল বাজার রয়েছে। সরকার বাংলাদেশকে বিশ্ব বাণিজ্যের একটি ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত করতে কাজ করছে। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ২০২৬ সালে একটি ‘ইইউ-বাংলাদেশ বিজন
৩ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এবারের নির্বাচনে এর চেয়ে বেশি ভোট পড়বে বলে সরকার আশাবাদী।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আপনারা সবসময় বলেন, আইনশৃঙ্খলা কন্ট্রোল করি না। দেখেন এখানে আপনারা কয়জন সাংবাদিক, এই কয়জনের কথা বলাটা বন্ধ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তো দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক ডিফিকাল্ট কাজ।’
৪ ঘণ্টা আগে