
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীতে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে আতঙ্কিত হয়ে দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে, মাথা ঘুরে পড়ে কিংবা ভারী বস্তু চাপা পড়ে হাত-পা ভেঙে এখন পর্যন্ত ৬৬ জন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসা নিয়েছেন।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
সরেজমিনে জরুরি বিভাগে দেখা যায়, নতুন বাজার বেড়াইতের তানজিমা ফেরদৌস ভূমিকম্পের সময় মাথা ঘুরে পড়ে কোমরে গুরুতর আঘাত পান, ভেঙে গেছে তার একটি হাত।
কালাচাঁদপুরের ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার সময় পড়ে কোমরের হাড়ে মারাত্মক আঘাত পান।
আরেকজন আব্দুল্লাপুরের ইয়াসিন আরাফাত জানান, অফিসে কাজ করার সময় ভূমিকম্পে একটি আলমারি পড়ে তার ডান হাত ভেঙে যায়।
মিরপুর ৬-এর মনিম হোসেনও আতঙ্কে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে বাম পা ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, বসুন্ধরা, রামপুরা, হাতিরঝিল এবং পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও অনেক আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে পঙ্গু হাসপাতালে এসেছেন।
পঙ্গু হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স লক্ষ্মী রানী দাস জানান, দুপুর ৩টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ভূমিকম্প আতঙ্কে আহত হয়ে ৬৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বেশিরভাগই হাত-পা ফ্র্যাকচার, কোমর ও কাঁধের জোড়া সরে যাওয়া এবং অন্যান্য অস্থি–সংক্রান্ত ইনজুরিতে ভুগছেন।
জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের (নিটোর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. কেনান জানান, দুপুর ১২টার পর থেকে প্রায় ৭০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এর মধ্যে ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ডা. কেনান বলেন, ‘হঠাৎ রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসক, নার্স ও ওয়ার্ড মাস্টারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সবাই মিলে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ কোনো সমস্যা হবে না।’

রাজধানীতে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে আতঙ্কিত হয়ে দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে, মাথা ঘুরে পড়ে কিংবা ভারী বস্তু চাপা পড়ে হাত-পা ভেঙে এখন পর্যন্ত ৬৬ জন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসা নিয়েছেন।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
সরেজমিনে জরুরি বিভাগে দেখা যায়, নতুন বাজার বেড়াইতের তানজিমা ফেরদৌস ভূমিকম্পের সময় মাথা ঘুরে পড়ে কোমরে গুরুতর আঘাত পান, ভেঙে গেছে তার একটি হাত।
কালাচাঁদপুরের ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার সময় পড়ে কোমরের হাড়ে মারাত্মক আঘাত পান।
আরেকজন আব্দুল্লাপুরের ইয়াসিন আরাফাত জানান, অফিসে কাজ করার সময় ভূমিকম্পে একটি আলমারি পড়ে তার ডান হাত ভেঙে যায়।
মিরপুর ৬-এর মনিম হোসেনও আতঙ্কে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে বাম পা ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, বসুন্ধরা, রামপুরা, হাতিরঝিল এবং পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও অনেক আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে পঙ্গু হাসপাতালে এসেছেন।
পঙ্গু হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স লক্ষ্মী রানী দাস জানান, দুপুর ৩টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ভূমিকম্প আতঙ্কে আহত হয়ে ৬৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বেশিরভাগই হাত-পা ফ্র্যাকচার, কোমর ও কাঁধের জোড়া সরে যাওয়া এবং অন্যান্য অস্থি–সংক্রান্ত ইনজুরিতে ভুগছেন।
জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের (নিটোর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. কেনান জানান, দুপুর ১২টার পর থেকে প্রায় ৭০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এর মধ্যে ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ডা. কেনান বলেন, ‘হঠাৎ রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসক, নার্স ও ওয়ার্ড মাস্টারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সবাই মিলে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ কোনো সমস্যা হবে না।’

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
১১ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
১৪ ঘণ্টা আগে