
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে অমর একুশে বইমেলার স্টল থেকে নারীদের স্বাস্থ্য সেবা সুরক্ষা পণ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন বিনামূল্যে বিতরণ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলা একাডেমি।
মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্টল বন্ধ সংক্রান্ত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একাডেমি দুঃখ প্রকাশ করছে। বইমেলায় ওয়াশরুমের পাশে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি রাখবে— এটি বাংলা একাডেমি নিশ্চিত করছে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বইমেলায় স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্টল বন্ধ নিয়ে দিনভর আলোচনা-সমালোচনার পর রাতে এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলা একাডেমি।
দীর্ঘ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংক্রান্ত ঘটনা নিয়ে ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক। ঘটনাটিতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির নীতিমালা লঙ্ঘন অন্যতম ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার নিয়ে একাডেমির কোনো সংকোচ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, বাংলা একাডেমি আয়োজক হলেও বইমেলার প্রয়োজনীয় কাজগুলো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান করে থাকে। এবার এ দায়িত্ব পেয়েছে ড্রিমার ডংকি। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্পন্সরের সহায়তায় কাজটি করে থাকে। তবে তাদের কাজ করতে হয় মেলার নীতিমালা মেনে।
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মোহাম্মদ আজম বলেন, এবার স্পন্সর ঠিক করার ক্ষেত্রে সংখ্যা ও ধরন বিবেচনায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান বেশকিছু নীতি লঙ্ঘন করেছে। তার মধ্যে একটি হলো— অনুমতি না নিয়েই মেলার যত্রতত্র পণ্য বিপণনের ব্যবস্থা করা। আমরা প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে বাধা দিয়ে আসছি। কিন্তু তারা নানা অজুহাতে নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার বিষয়ে তারা (ড্রিমার ডাংকি) আমাদের জানিয়েছিল, ওয়াশরুমের পাশে রেখে নারী ও শিশুদের প্রয়োজনমতো বিনামূল্যে এসব পণ্য সরবরাহ করবে। কিন্তু মেলা কতৃর্পক্ষ দেখতে পায়, তারা এ দুই পণ্যসহ আরও কিছু পণ্য বিক্রি করছে। ফলে তাদের স্টল বন্ধ করতে বলা হয়। শুধু স্যানিটারি ন্যাপকিন নয়, ডায়াপার, পেস্ট ও ব্রাশসহ আরও কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এসব পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান বারবার কথা দিয়ে কথা রাখছিল না উল্লেখ করে মোহাম্মদ আজম বলেন, আমরা মাঝখানে তিন দিন নিজেদের উদ্যোগে স্টল দুটি বন্ধ করে রেখেছিলাম। তাদের অনুরোধে শুধু কাগজ, পেনসিল, কলমজাতীয় শিশুদের কিছু শিক্ষা উপকরণ বইমেলার শিশু কর্নারে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়।

এ অবস্থায় ইভেন্ট কোম্পানি একাডেমিকে জানায়, স্পন্সর কোম্পানির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়ে গেছে। ফলে তারা বিপদে পড়েছে। বাংলা একাডেমিকে তারা বলে, একটি চিঠি তারা স্পন্সর কোম্পানিকে দেবে, যেখানে বলা হবে ন্যাপকিন বিক্রি করলে সমস্যা হবে। তাদের কাজ সহজ করার জন্য বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ওই চিঠিতে সম্মতিসূচক সই করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এতে আরও বলা হয়, কেউ স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্টল বন্ধ করার কথা বাংলা একাডেমিকে বলেনি। আমরা অনেকগুলো পণ্য সম্পর্কে কথা বলেছি। কিন্তু ইভেন্ট, স্পন্সরসহ বিভিন্ন পক্ষ শুধু ন্যাপকিনের ব্যাপারটিকেই প্রধান করে তুলেছে।
মোহাম্মদ আজম বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্রসার ও ব্যবহার সম্পর্কে বাংলা একাডেমির কোনো ধরনের সংকোচ থাকার প্রশ্নই আসে না। বইমেলার পণ্যায়নের একটি বিষয়ে স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে অন্যভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। তার প্রমাণ, একদিকে আমরা অন্য অনেকগুলো পণ্যের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নিয়েছি। অন্যদিকে ইভেন্টকে বলেছি, সৌজন্য হিসেবে তারা যেন স্যানিটারি ন্যাপকিন প্রয়োজনমাফিক বিতরণ করে।
বইমেলায় আগেও এ রকম বিভিন্ন জরুরি উপকরণ সৌজন্য হিসেবে বিতরণের ব্যবস্থা ছিল উল্লেখ করে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। ইভেন্ট ওয়াশরুমের পাশে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা রাখবে— এটাও আমরা নিশ্চিত করছি।

বইমেলার এই স্টল থেকেই বিতরণ ও বিক্রি করা হচ্ছিল স্যানিটারি ন্যাপকিন। ছবি: সংগৃহীত
বইমেলায় প্রাণ-আরএফএলের দুটি স্টল থেকে বিনামূল্যে বিতরণের পাশাপাশি কেউ কিনতে চাইলে বিক্রি করা হচ্ছিল স্যানিটারি ন্যাপকিন। গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ড্রিমার ডাংকি এক চিঠিতে প্রাণ-আরএফএলকে জানায়, বিভিন্ন ইসলামী গোষ্ঠীর আপত্তি ও বাধার মুখে ওই স্টলে স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্রদর্শনী ও বিক্রি বন্ধ করতে হবে।
প্রাণ-আরএফএল ওই চিঠি পেয়ে রোববার বইমেলার স্টল দুটি বন্ধ করে দেয়। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ বলেছিল, বইমেলা এ ধরনের পণ্য বিক্রির সুযোগ না থাকায় স্টল দুটি বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।

অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে অমর একুশে বইমেলার স্টল থেকে নারীদের স্বাস্থ্য সেবা সুরক্ষা পণ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন বিনামূল্যে বিতরণ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলা একাডেমি।
মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্টল বন্ধ সংক্রান্ত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একাডেমি দুঃখ প্রকাশ করছে। বইমেলায় ওয়াশরুমের পাশে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি রাখবে— এটি বাংলা একাডেমি নিশ্চিত করছে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বইমেলায় স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্টল বন্ধ নিয়ে দিনভর আলোচনা-সমালোচনার পর রাতে এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলা একাডেমি।
দীর্ঘ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংক্রান্ত ঘটনা নিয়ে ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক। ঘটনাটিতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির নীতিমালা লঙ্ঘন অন্যতম ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার নিয়ে একাডেমির কোনো সংকোচ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, বাংলা একাডেমি আয়োজক হলেও বইমেলার প্রয়োজনীয় কাজগুলো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান করে থাকে। এবার এ দায়িত্ব পেয়েছে ড্রিমার ডংকি। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্পন্সরের সহায়তায় কাজটি করে থাকে। তবে তাদের কাজ করতে হয় মেলার নীতিমালা মেনে।
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মোহাম্মদ আজম বলেন, এবার স্পন্সর ঠিক করার ক্ষেত্রে সংখ্যা ও ধরন বিবেচনায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান বেশকিছু নীতি লঙ্ঘন করেছে। তার মধ্যে একটি হলো— অনুমতি না নিয়েই মেলার যত্রতত্র পণ্য বিপণনের ব্যবস্থা করা। আমরা প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে বাধা দিয়ে আসছি। কিন্তু তারা নানা অজুহাতে নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপার বিষয়ে তারা (ড্রিমার ডাংকি) আমাদের জানিয়েছিল, ওয়াশরুমের পাশে রেখে নারী ও শিশুদের প্রয়োজনমতো বিনামূল্যে এসব পণ্য সরবরাহ করবে। কিন্তু মেলা কতৃর্পক্ষ দেখতে পায়, তারা এ দুই পণ্যসহ আরও কিছু পণ্য বিক্রি করছে। ফলে তাদের স্টল বন্ধ করতে বলা হয়। শুধু স্যানিটারি ন্যাপকিন নয়, ডায়াপার, পেস্ট ও ব্রাশসহ আরও কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এসব পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান বারবার কথা দিয়ে কথা রাখছিল না উল্লেখ করে মোহাম্মদ আজম বলেন, আমরা মাঝখানে তিন দিন নিজেদের উদ্যোগে স্টল দুটি বন্ধ করে রেখেছিলাম। তাদের অনুরোধে শুধু কাগজ, পেনসিল, কলমজাতীয় শিশুদের কিছু শিক্ষা উপকরণ বইমেলার শিশু কর্নারে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়।

এ অবস্থায় ইভেন্ট কোম্পানি একাডেমিকে জানায়, স্পন্সর কোম্পানির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়ে গেছে। ফলে তারা বিপদে পড়েছে। বাংলা একাডেমিকে তারা বলে, একটি চিঠি তারা স্পন্সর কোম্পানিকে দেবে, যেখানে বলা হবে ন্যাপকিন বিক্রি করলে সমস্যা হবে। তাদের কাজ সহজ করার জন্য বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ওই চিঠিতে সম্মতিসূচক সই করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এতে আরও বলা হয়, কেউ স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্টল বন্ধ করার কথা বাংলা একাডেমিকে বলেনি। আমরা অনেকগুলো পণ্য সম্পর্কে কথা বলেছি। কিন্তু ইভেন্ট, স্পন্সরসহ বিভিন্ন পক্ষ শুধু ন্যাপকিনের ব্যাপারটিকেই প্রধান করে তুলেছে।
মোহাম্মদ আজম বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্রসার ও ব্যবহার সম্পর্কে বাংলা একাডেমির কোনো ধরনের সংকোচ থাকার প্রশ্নই আসে না। বইমেলার পণ্যায়নের একটি বিষয়ে স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে অন্যভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। তার প্রমাণ, একদিকে আমরা অন্য অনেকগুলো পণ্যের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নিয়েছি। অন্যদিকে ইভেন্টকে বলেছি, সৌজন্য হিসেবে তারা যেন স্যানিটারি ন্যাপকিন প্রয়োজনমাফিক বিতরণ করে।
বইমেলায় আগেও এ রকম বিভিন্ন জরুরি উপকরণ সৌজন্য হিসেবে বিতরণের ব্যবস্থা ছিল উল্লেখ করে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। ইভেন্ট ওয়াশরুমের পাশে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবস্থা রাখবে— এটাও আমরা নিশ্চিত করছি।

বইমেলার এই স্টল থেকেই বিতরণ ও বিক্রি করা হচ্ছিল স্যানিটারি ন্যাপকিন। ছবি: সংগৃহীত
বইমেলায় প্রাণ-আরএফএলের দুটি স্টল থেকে বিনামূল্যে বিতরণের পাশাপাশি কেউ কিনতে চাইলে বিক্রি করা হচ্ছিল স্যানিটারি ন্যাপকিন। গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ড্রিমার ডাংকি এক চিঠিতে প্রাণ-আরএফএলকে জানায়, বিভিন্ন ইসলামী গোষ্ঠীর আপত্তি ও বাধার মুখে ওই স্টলে স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্রদর্শনী ও বিক্রি বন্ধ করতে হবে।
প্রাণ-আরএফএল ওই চিঠি পেয়ে রোববার বইমেলার স্টল দুটি বন্ধ করে দেয়। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ বলেছিল, বইমেলা এ ধরনের পণ্য বিক্রির সুযোগ না থাকায় স্টল দুটি বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।

সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭৬ টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত, ২১৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
৯ ঘণ্টা আগে
পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সাভারের বিকেএসপিতে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ম্যাচ খেলে রাতে বিমানে চট্টগ্রামে ফেরেন নাঈম। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় যাওয়ার পথে লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের একটি টহল দল তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।
৯ ঘণ্টা আগে
বর্ষণমুখর সকাল সোয়া দশটা নাগাদ সময়ে হাজার হাজার মানুষ পাতলি খাল পাড়ে সমবেত হয়েছেন। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাতলী খাল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে নেতাকে বরণ করে শুভেচ্ছা জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে