
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় হামলাকারী ছিলেন দুজন। মোটরসাইকেলে করে তারা হাদির ওপর হামলা করেন। এ ঘটনার সময় ওই এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, হামলাকারীরা হাদির সঙ্গে জনসংযোগেও অংশ নিয়েছিলেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী। গত কয়েক দিন ধরে তিনি নির্বাচন সামনে রেখে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাথা থেকে গুলি বের করে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং ওসমান হাদীর জনসংযোগ টিমের কাছ থেকে পাওয়া দুটি ছবি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, বাইক থেকে গুলি করা দুই ব্যক্তি এ দিন দুপুরে মতিঝিল ওয়াপদা মাদরাসা (জামিআ দারুল উলুম মতিঝিল) এলাকায় হাদির সঙ্গেই জনসংযোগে অংশ নিয়েছিল।
ওই দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের পরনে ছিল কালো পাঞ্জাবি ও আকাশি রঙের প্যান্ট, কালো মাস্ক ও গলায় চাদর। আরেকজনের গায়ে ছিল কালো ব্লেজার, চোখে চশমা, পায়ে চামড়া রঙের জুতা। হাদির সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়ার সময় দুজনের মুখেই ছিল মাস্ক।
হামলাকারী দুই বাইক আরোহীর পোশাকের সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়া ওই দুই ব্যক্তির পোশাকের হুবহু মিল পাওয়া গেছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। গুলি করা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে হাদির জনসংযোগের আরও ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
এদিকে হাদির সহকর্মী মিসবা গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি মোটরসাইকেলে করে এসে দুজন হাদিকে গুলি করে। হাদির কানের বাম পাশে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
মিসবা বলেন, গুলি লাগার পর আমরা হাদিকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় হামলাকারী ছিলেন দুজন। মোটরসাইকেলে করে তারা হাদির ওপর হামলা করেন। এ ঘটনার সময় ওই এলাকার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, হামলাকারীরা হাদির সঙ্গে জনসংযোগেও অংশ নিয়েছিলেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী। গত কয়েক দিন ধরে তিনি নির্বাচন সামনে রেখে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাথা থেকে গুলি বের করে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং ওসমান হাদীর জনসংযোগ টিমের কাছ থেকে পাওয়া দুটি ছবি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, বাইক থেকে গুলি করা দুই ব্যক্তি এ দিন দুপুরে মতিঝিল ওয়াপদা মাদরাসা (জামিআ দারুল উলুম মতিঝিল) এলাকায় হাদির সঙ্গেই জনসংযোগে অংশ নিয়েছিল।
ওই দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের পরনে ছিল কালো পাঞ্জাবি ও আকাশি রঙের প্যান্ট, কালো মাস্ক ও গলায় চাদর। আরেকজনের গায়ে ছিল কালো ব্লেজার, চোখে চশমা, পায়ে চামড়া রঙের জুতা। হাদির সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়ার সময় দুজনের মুখেই ছিল মাস্ক।
হামলাকারী দুই বাইক আরোহীর পোশাকের সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়া ওই দুই ব্যক্তির পোশাকের হুবহু মিল পাওয়া গেছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। গুলি করা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে হাদির জনসংযোগের আরও ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
এদিকে হাদির সহকর্মী মিসবা গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি মোটরসাইকেলে করে এসে দুজন হাদিকে গুলি করে। হাদির কানের বাম পাশে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
মিসবা বলেন, গুলি লাগার পর আমরা হাদিকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৯ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৯ ঘণ্টা আগে