
মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় আট বছর বয়সী সেই শিশুকে ধর্ষণের মামলায় দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি, যিনি ওই শিশুর বোনের শ্বশুর হিটু মিয়া। তার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েই ধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। আট দিন হাসপাতালের শয্যায় লড়াই করে মেয়েটি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে।
শনিবার (১ মার্চ) বিকেলে মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
হিটু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত গত রোববার (৯ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চাইলে শনিবার সকালে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি নেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, মেয়েটিকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তিনি জবানবন্দিতে কী বলেছেন, সেটি জানা যায়নি।
হিটু মিয়া ছাড়াও একই মামলার আসামি তার স্ত্রী জাবেদা বেগম, ছেলে সজীব হোসেন ও আরেক ছেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোর। তারা তিনজনও রিমান্ডে রয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত রোববার মধ্যরাতেই আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
নিজনান্দুয়ালী গ্রামের হিটু মিয়ার বাড়ি মৃত শিশুটির বোনের শ্বশুরবাড়ি। যেখানে বেড়াতে গিয়ে গত ৫ মার্চ দিবাগত রাতে ধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। এ ঘটনায় শিশুটির মা গত ৮ মার্চ মাগুরা সদর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মেয়েটির মৃত্যুতে সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর মেয়েটিকে মাগুরা সদর হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে। পরে গত শনিবার তাকে নেওয়া হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে।
আট দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়েটি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ঢাকা সিএমএইচ থেকে হেলিকপ্টারে করে মাগুরা নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে।

মাগুরায় আট বছর বয়সী সেই শিশুকে ধর্ষণের মামলায় দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি, যিনি ওই শিশুর বোনের শ্বশুর হিটু মিয়া। তার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েই ধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। আট দিন হাসপাতালের শয্যায় লড়াই করে মেয়েটি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে।
শনিবার (১ মার্চ) বিকেলে মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
হিটু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত গত রোববার (৯ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চাইলে শনিবার সকালে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি নেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, মেয়েটিকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তিনি জবানবন্দিতে কী বলেছেন, সেটি জানা যায়নি।
হিটু মিয়া ছাড়াও একই মামলার আসামি তার স্ত্রী জাবেদা বেগম, ছেলে সজীব হোসেন ও আরেক ছেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোর। তারা তিনজনও রিমান্ডে রয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত রোববার মধ্যরাতেই আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
নিজনান্দুয়ালী গ্রামের হিটু মিয়ার বাড়ি মৃত শিশুটির বোনের শ্বশুরবাড়ি। যেখানে বেড়াতে গিয়ে গত ৫ মার্চ দিবাগত রাতে ধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। এ ঘটনায় শিশুটির মা গত ৮ মার্চ মাগুরা সদর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মেয়েটির মৃত্যুতে সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর মেয়েটিকে মাগুরা সদর হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে। পরে গত শনিবার তাকে নেওয়া হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে।
আট দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়েটি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ঢাকা সিএমএইচ থেকে হেলিকপ্টারে করে মাগুরা নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৮ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
২০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে