
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মহানগর পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে অপরাধ দমন করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ডিএমপি'র ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১২টি থানা ও ৬ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নগরবাসীর আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে আজ ৫০টি থানা ও ৩৪ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ডিএমপি।
তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে অপরাধের ধরন। ডিএমপি অতি দক্ষতার সঙ্গে এসব অপরাধকে মোকাবিলা করেছে। এসব অপরাধ দমনে ক্রাইম বিভাগের পাশাপাশি ডিবি পুলিশও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া জঙ্গি দমনেও দক্ষতার পরিচয় দেখিয়েছে ডিএমপি। ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম জঙ্গিবাদকে সফলতার সঙ্গে দমন করেছে। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। এছাড়া গুজব ও সাইবার ক্রাইমের মতো অপরাধ ডিএমপি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে যাচ্ছে। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ডিএমপি ওয়ান স্টপ সাইবার সেন্টার চালু করতে যাচ্ছে।
কমিশনার বলেন, নারী ও শিশু সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নারীরা নারী পুলিশের কাছ থেকে সেবা নিতে পারছেন।
আইন শৃঙ্খলার পাশাপাশি সামাজিক কাজও ডিএমপি করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে ডিএমপি মুমূর্ষু রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। করোনাকালে মা-বাবা বা আত্মীয়স্বজন মরদেহ রেখে পালিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পরম মমতায় সব মরদেহ সৎকার করেছে। কখনো কখনো তারা প্লাজমা দিয়ে রোগীদের সেবা করেছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, যানজট ঢাকা শহরে অন্যতম একটি সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে। আমরা এমন একটি ঢাকা করতে চাই সেখানে উত্তরা থেকে ১৫ মিনিটে গুলিস্তান আসা যায়। সকলের সহযোগিতায় আমরা স্মার্ট ডিএমপি করতে চাই। আমরা এমন একটি ডিএমপি করতে যেখানে একজন নারী রাত ৩টায় রাস্তায় দিয়ে চলাচল করলে তার যেন মনে হয় তার পেছনে একজন পুলিশ সদস্য আছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে অপরাধ দমন করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ডিএমপি'র ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১২টি থানা ও ৬ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নগরবাসীর আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে আজ ৫০টি থানা ও ৩৪ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ডিএমপি।
তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে অপরাধের ধরন। ডিএমপি অতি দক্ষতার সঙ্গে এসব অপরাধকে মোকাবিলা করেছে। এসব অপরাধ দমনে ক্রাইম বিভাগের পাশাপাশি ডিবি পুলিশও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া জঙ্গি দমনেও দক্ষতার পরিচয় দেখিয়েছে ডিএমপি। ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম জঙ্গিবাদকে সফলতার সঙ্গে দমন করেছে। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। এছাড়া গুজব ও সাইবার ক্রাইমের মতো অপরাধ ডিএমপি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে যাচ্ছে। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ডিএমপি ওয়ান স্টপ সাইবার সেন্টার চালু করতে যাচ্ছে।
কমিশনার বলেন, নারী ও শিশু সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নারীরা নারী পুলিশের কাছ থেকে সেবা নিতে পারছেন।
আইন শৃঙ্খলার পাশাপাশি সামাজিক কাজও ডিএমপি করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে ডিএমপি মুমূর্ষু রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। করোনাকালে মা-বাবা বা আত্মীয়স্বজন মরদেহ রেখে পালিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পরম মমতায় সব মরদেহ সৎকার করেছে। কখনো কখনো তারা প্লাজমা দিয়ে রোগীদের সেবা করেছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, যানজট ঢাকা শহরে অন্যতম একটি সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে। আমরা এমন একটি ঢাকা করতে চাই সেখানে উত্তরা থেকে ১৫ মিনিটে গুলিস্তান আসা যায়। সকলের সহযোগিতায় আমরা স্মার্ট ডিএমপি করতে চাই। আমরা এমন একটি ডিএমপি করতে যেখানে একজন নারী রাত ৩টায় রাস্তায় দিয়ে চলাচল করলে তার যেন মনে হয় তার পেছনে একজন পুলিশ সদস্য আছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
এছাড়া অধ্যাদেশে তামাকের প্যাকেজিংয়ে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং। তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের গায়ে বিদ্যমান ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ৭৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সতর্কবাণী মুদ্রণের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মাত্র কয়েক ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে তিনি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না।
১৮ ঘণ্টা আগে