
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর কদমতলীর এস আর লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহতের ঘটনায় আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমান উল্লাহ মাস্তানকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে আগানগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমান উল্লাহ মাস্তানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় ইমানসহ অজ্ঞাত পাঁচ-সাতজনের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, পুলিশের করা মামলায় ইমান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে পুলিশ ইমান উল্লাহকে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। এ সময় আদালত সোমবার রিমান্ড শুনানি হবে জানিয়ে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ওই লাইটার কারখানায় আগুন লাগে। দুপুর সোয়া ১টায় ফায়ার সার্ভিসের প্রথম তিন ইউনিট সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে সাতটি ইউনিট প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে।
শনিবার বিকেলেই অগ্নিদগ্ধ ওই কারখানা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মধ্যরাতে কারখানা থেকে উদ্ধার হয় আরও এক মরদেহ। এর মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে বাকি তিন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।
ওই কারখানা থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ রেখে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হতো। শনিবার আগুন লাগার পরও কারখানার মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকরা বের হতে পারেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস লাইটার তৈরি করা হচ্ছিল। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিনিরাপত্তা না থাকায় এর আগে তিনবার কারখানাটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। একই কারখানায় আগেও আগুন লেগেছিল উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কারখানাটি সিলগালাও করে দেওয়া হয়েছিল। এরপরও অবৈধভাবে কারখানাটি চালু হয়।
পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। মালিক মো. আকরাম উল্লাহ আকরাম ও তার ছেলে আহনাফ আকিফ আকরামসহ সংশ্লিষ্টরা আট থেকে ১০ বছর ধরে বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক দিয়ে কারখানাটি পরিচালনা করছিলেন।
এজাহারে অভিযোগ, একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানাটি বন্ধ ও সিলগালা করলেও আসামিরা স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে ও পেশীশক্তির মাধ্যমে এর কার্যক্রম চালু রাখেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২, ৪৩৬ ও ৩৪ ধারাসহ শ্রম আইন ২০০৬-এর ২৮৪, ২৮৫ ও ২৯০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাজধানীর কদমতলীর এস আর লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহতের ঘটনায় আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমান উল্লাহ মাস্তানকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে আগানগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমান উল্লাহ মাস্তানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় ইমানসহ অজ্ঞাত পাঁচ-সাতজনের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, পুলিশের করা মামলায় ইমান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে পুলিশ ইমান উল্লাহকে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। এ সময় আদালত সোমবার রিমান্ড শুনানি হবে জানিয়ে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে ওই লাইটার কারখানায় আগুন লাগে। দুপুর সোয়া ১টায় ফায়ার সার্ভিসের প্রথম তিন ইউনিট সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে সাতটি ইউনিট প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে।
শনিবার বিকেলেই অগ্নিদগ্ধ ওই কারখানা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মধ্যরাতে কারখানা থেকে উদ্ধার হয় আরও এক মরদেহ। এর মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে বাকি তিন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।
ওই কারখানা থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ রেখে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হতো। শনিবার আগুন লাগার পরও কারখানার মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকরা বের হতে পারেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস লাইটার তৈরি করা হচ্ছিল। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিনিরাপত্তা না থাকায় এর আগে তিনবার কারখানাটিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। একই কারখানায় আগেও আগুন লেগেছিল উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, কারখানাটি সিলগালাও করে দেওয়া হয়েছিল। এরপরও অবৈধভাবে কারখানাটি চালু হয়।
পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। মালিক মো. আকরাম উল্লাহ আকরাম ও তার ছেলে আহনাফ আকিফ আকরামসহ সংশ্লিষ্টরা আট থেকে ১০ বছর ধরে বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক দিয়ে কারখানাটি পরিচালনা করছিলেন।
এজাহারে অভিযোগ, একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানাটি বন্ধ ও সিলগালা করলেও আসামিরা স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে ও পেশীশক্তির মাধ্যমে এর কার্যক্রম চালু রাখেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২, ৪৩৬ ও ৩৪ ধারাসহ শ্রম আইন ২০০৬-এর ২৮৪, ২৮৫ ও ২৯০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের স্থান পরিষ্কার ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্র
২ দিন আগে
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে কার্যক্রম ঘরে ঘরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় কার্যক্রমে গাফিলতি ধরে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী। তাদের প্রতি ক্ষুব্ধ হন সরকারপ্রধান। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনার পর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে (উপসচি
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, তার গাড়িটি গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে যাত্রা শুরু করে গুলশান-১, হাতিরঝিল, রামপুরা রোড এবং মালিবাগের আবুল হোটেল হয়ে তালতলা মার্কেট ও বাসাবো সড়ক পথ দিয়ে অগ্রসর হয়। এরপর তিনি কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী মোড়, ধোলাইখাল, শহীদ ফারুক সড়ক ও দয়াগঞ্জ
২ দিন আগে