
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের মুখে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন বিলাসবহুল একটি দোতলা বাড়ি ক্রোক করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সাইপ্রাস মেইলের খবরে বলা হয়, ব্যাংক জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে চলমান ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে সাইপ্রাসের নিকোসিয়া জেলা আদালত লিমাসসোল জেলার পারেকলিসিয়ায় অবস্থিত ওই সম্পত্তি ক্রোক করে।
পারস্পরিক আইনি সহায়তা প্রক্রিয়ার অধীনে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুরোধ করেছিল সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষের কাছে । পরে সাইপ্রাসের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিট (মোকাস) সাইফুল আলমের সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করে। গত ১৯ মে আদালত ওই সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ জারি করেন।
সাইফুল আলমের গড়ে তোলা এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর অন্যতম। পরিবহন, চিনি পরিশোধন থেকে শুরু করে ব্যাংক, বিমা, গণমাধ্যম, বিদ্যুৎ ও হোটেল খাতে এই গ্রুপের ব্যবসা রয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে দুর্নীতি, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে এস আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। তার এবং তার পরিবারের সদস্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পত্তি জব্দের আদেশ এসেছে আদালত থেকে।
সবশেষ গত ২১ মে ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া ৮৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার ঋণ পরিশোধ না করায় এস আলমসহ ১১ জনকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেন চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে সাজা পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এস আলম বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। গণমাধ্যমে খবর এসেছে, তারা সবাই দেশ ছেড়েছেন। সাইফুল আলম বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলেও খবর এসেছে।
সাইপ্রাস মেইলের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তদন্তকারীদের জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কোম্পানিগুলোর একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মধ্যে ‘প্রতারণামূলকভাবে’ ঋণ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়েছে, সাইপ্রাসে পাঠানো অনুরোধ অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলমের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানির বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার বিষয়েও তদন্ত করছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করে বলেছে, অনেক ব্যাংক থেকে নেওয়া সাইফুল আলমের ঋণ পরে খেলাপি হয়ে যায়। এখন তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, তিনি নিজে ও তার কোম্পানিগুলো ওই অর্থ কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছিলেন কি না।
সাইপ্রাস মেইল খবরে বলেছে, ২০১৬ সালে সাইফুল আলম ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল’ নামে সাইপ্রাসে নিবন্ধিত একটি কোম্পানি ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামে কিনে নেন। তদন্তাধীন তহবিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোম্পানি ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ।
সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতের কাগজপত্রে সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস এবং জার্সিতে থাকা কোম্পানি ও ট্রাস্টের একটি নেটওয়ার্কের কথাও বলা হয়েছে। তদন্তকারীরা ওই কোম্পানিগুলোর মালিকানার কাঠামো এবং আর্থিক কার্যক্রমও খতিয়ে দেখছেন।

৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের মুখে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন বিলাসবহুল একটি দোতলা বাড়ি ক্রোক করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সাইপ্রাস মেইলের খবরে বলা হয়, ব্যাংক জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে চলমান ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে সাইপ্রাসের নিকোসিয়া জেলা আদালত লিমাসসোল জেলার পারেকলিসিয়ায় অবস্থিত ওই সম্পত্তি ক্রোক করে।
পারস্পরিক আইনি সহায়তা প্রক্রিয়ার অধীনে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুরোধ করেছিল সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষের কাছে । পরে সাইপ্রাসের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিট (মোকাস) সাইফুল আলমের সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করে। গত ১৯ মে আদালত ওই সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ জারি করেন।
সাইফুল আলমের গড়ে তোলা এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর অন্যতম। পরিবহন, চিনি পরিশোধন থেকে শুরু করে ব্যাংক, বিমা, গণমাধ্যম, বিদ্যুৎ ও হোটেল খাতে এই গ্রুপের ব্যবসা রয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে দুর্নীতি, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে এস আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। তার এবং তার পরিবারের সদস্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পত্তি জব্দের আদেশ এসেছে আদালত থেকে।
সবশেষ গত ২১ মে ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া ৮৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার ঋণ পরিশোধ না করায় এস আলমসহ ১১ জনকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেন চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে সাজা পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এস আলম বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। গণমাধ্যমে খবর এসেছে, তারা সবাই দেশ ছেড়েছেন। সাইফুল আলম বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলেও খবর এসেছে।
সাইপ্রাস মেইলের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তদন্তকারীদের জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কোম্পানিগুলোর একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মধ্যে ‘প্রতারণামূলকভাবে’ ঋণ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়েছে, সাইপ্রাসে পাঠানো অনুরোধ অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলমের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানির বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার বিষয়েও তদন্ত করছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করে বলেছে, অনেক ব্যাংক থেকে নেওয়া সাইফুল আলমের ঋণ পরে খেলাপি হয়ে যায়। এখন তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, তিনি নিজে ও তার কোম্পানিগুলো ওই অর্থ কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছিলেন কি না।
সাইপ্রাস মেইল খবরে বলেছে, ২০১৬ সালে সাইফুল আলম ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল’ নামে সাইপ্রাসে নিবন্ধিত একটি কোম্পানি ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামে কিনে নেন। তদন্তাধীন তহবিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোম্পানি ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ।
সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতের কাগজপত্রে সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস এবং জার্সিতে থাকা কোম্পানি ও ট্রাস্টের একটি নেটওয়ার্কের কথাও বলা হয়েছে। তদন্তকারীরা ওই কোম্পানিগুলোর মালিকানার কাঠামো এবং আর্থিক কার্যক্রমও খতিয়ে দেখছেন।

অভিযোগ রয়েছে, এমন সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যেও পর্যাপ্ত জরুরি চিকিৎসা, সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসা কর্মীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা পর্যাপ্ত ছিল না এবং সংকটাপন্ন নবজাতকদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা বা উপযুক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরেও দেরি হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর, কান্দিরপাড় ও চকবাজার এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা, মাঝারি ১৫০ টাকা, ছোট ১০ টাকা। ছাগলের চামড়া ৫০ টাকার বেশি দিতে চাইছে না কেউ।
১ দিন আগে
১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দবিরুল ইসলাম। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) দিয়ে। পরে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থা
১ দিন আগে
পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া হয়।
১ দিন আগে