
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেছেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম দুই হোতা নেপাল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আছে। তাদের গ্রেপ্তার করতে কলকাতা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
হারুন অর রশিদ বলেন, উদ্ধারকৃত মাংসের ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আমরা কলকাতা সিআইডিকে অনুরোধ করেছি। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বিভিন্ন খাল ও জলাভূমিতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে সিআইডি ও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের ডুবুরি ও কর্মীরা। তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
তিনি আরো বলেন, মাংসপিণ্ড পরীক্ষা করলে দ্রুতই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে। যেসব আসামি পলাতক রয়েছে, তাদের আমরা দ্রুতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। সেজন্য উভয় দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ছয়টি গাড়ির বহর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নিউটাউনের ওয়েস্টিন হোটেল থেকে বেরিয়ে কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন হারুন অর রশিদ। সেখান থেকে তিনি একটি ফ্লাইটে করে বিকেল ৩টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে, এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারে ২৬ মে হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি তদন্তদল কলকাতায় যায়।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে ভারতের কলকাতায় চিকিৎসা করাতে যান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার। এর পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেছেন, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম দুই হোতা নেপাল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আছে। তাদের গ্রেপ্তার করতে কলকাতা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
হারুন অর রশিদ বলেন, উদ্ধারকৃত মাংসের ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আমরা কলকাতা সিআইডিকে অনুরোধ করেছি। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বিভিন্ন খাল ও জলাভূমিতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে সিআইডি ও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের ডুবুরি ও কর্মীরা। তারা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
তিনি আরো বলেন, মাংসপিণ্ড পরীক্ষা করলে দ্রুতই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে। যেসব আসামি পলাতক রয়েছে, তাদের আমরা দ্রুতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। সেজন্য উভয় দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ছয়টি গাড়ির বহর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নিউটাউনের ওয়েস্টিন হোটেল থেকে বেরিয়ে কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন হারুন অর রশিদ। সেখান থেকে তিনি একটি ফ্লাইটে করে বিকেল ৩টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে, এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারে ২৬ মে হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি তদন্তদল কলকাতায় যায়।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে ভারতের কলকাতায় চিকিৎসা করাতে যান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার। এর পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।

সভায় সরকারি দলের সব সংসদ সদস্যকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গেও তার আলাদা বৈঠকের কথা রয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে