অবৈধ সম্পদ : এস কে সিনহার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২ সেপ্টেম্বর

বাসস

ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত।

আজ বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু দুদক প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন নতুন এ দিন ধার্য করেন।

২০২১ সালের ১০ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদি হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা করেন। মামলায় এস কে সিনহার বিরুদ্ধে নিজের ভাই ও আত্মীয়ের নামে ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করে তা স্থানান্তর ও হস্থান্তরের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে উত্তরা আবাসিক এলাকায় নিজের নামে একটি প্লট বরাদ্দ নেন। পরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভাই নরেন্দ্র কুমার সিনহার নামেও রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে তিন কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ করান।

এরপর প্রভাব খাঁটিয়ে তিন কাঠার প¬টটি পাঁচ কাঠায় উন্নীত করান। একপর্যায়ে পূর্বাচলের প্লটটিকে উত্তরার চার নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর সড়কে (বাড়ি নম্বর ১/এ) স্থানান্তর করিয়ে রাজউকের অনুমোদন করান। বরাদ্দ পাওয়ার পর এস কে সিনহা প্লটটির ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ নিয়োগ করেন তারই আত্মীয় শঙ্খজিৎ সিংহকে।

অনুসন্ধানে দুদক প্রমাণ পায় যে, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নিজেই উত্তরার ওই প্লটের অনুকূলে রাজউকে মোট ৭৫ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। পরে তার তত্ত্বাবধানেই ওই প্লটে নয়তলা ভবন নির্মাণ হয়। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৬ কোটি ৩১ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা।

দুদকের মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজউকের প¬টের মূল্য ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়াও ভবনের নির্মাণব্যয় ৬ কোটি ৩১ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা। সব মিলিয়ে এ বাবদ ৭ কোটি ৬ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা ব্যয় হয়। এর মধ্যে জনৈক খালেদা চৌধুরীর কাছ থেকে ভবনের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির অগ্রিম ৭০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এ টাকা বাদে অবশিষ্ট ৬ কোটি ৩৬ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা এবং আত্মীয় শঙ্খজিৎ সিংহের নামে একটি ব্যাংক হিসাবে স্থায়ী ও নগদে ৭৮ লাখ টাকা জমা পাওয়া গেছে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের অভিযোগ, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোট ৭ কোটি ১৪ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। যা তিনি ভাই ও আত্মীয়ের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্থান্তর করেন। এ সম্পদ অর্জনের বৈধ কোনো উৎস নেই এবং তা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

২০২১ সালের ৯ নভেম্বর ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় ঢাকার একটি আদালত এস কে সিনহাকে ১১ বছর কারাদণ্ড দেয়।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

আমি পদত্যাগ করিনি: আইজিপি

অন্তর্বর্তী সরকার তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক আইজিপি পদে নিয়োগ দেয়। সে অনুযায়ী এ বছরের ২০ নভেম্বর তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।

১৪ ঘণ্টা আগে

নির্বাচনে কোন দল কত শতাংশ ভোট পেয়েছে, জানাল ইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯ দশমিক ৯৭, জামায়াত ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

১৪ ঘণ্টা আগে

দেশ ছেড়েছেন ফয়েজ তৈয়্যব, বললেন নিজের কাছে সৎ আছি

জাতীয় নির্বাচনের পরের দিনই তিনি একরকম তাড়াহুড়ো করে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। তবে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ফয়েজ আহমেদ। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘নিজের কাছে সৎ ও স্বচ্ছ আছি’।

১৫ ঘণ্টা আগে

আইজিপির পদত্যাগের গুঞ্জন

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের পদত্যাগ করেছেন বলে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

১৫ ঘণ্টা আগে