
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে ও আজ ভোরে পাশাপাশি অবস্থিত এই দুই উপজেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় ১ শিশুসহ দুই পরিবারের পাঁচজন মারা গেছেন। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি মিশন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— মো. ইউনুছ (২৮), তার স্ত্রী রানু আক্তার (২২) ও চার বছরের ছেলে মো. সোলেমান, মো. জুয়েল ( ২৭) ও তার স্ত্রী কুলসুমা আক্তার (২৩)।
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়ছার হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে, যেখানে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়। পরে ভোর চারটার দিকে আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনায় মাটিচাপা পড়ে একই পরিবারের আরও তিনজন নিহত হন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো লামা উপজেলায় টেলিটক নেটওয়ার্কসহ অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ওসি।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লামা উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের এক হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত ও পাহাড়ধসে পড়ে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে। এ ছাড়া লামা-আলীকদম সড়কের কেয়ারারঝিরি, রেপারপাড়া আবাসিক ও লাইনঝিরি এলাকা পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে লামা উপজেলা লাগোয়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার জানান, চকরিয়ার বড়ইতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোছনিয়া কাটা এলাকায় এই পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে এবং এতে ওই দুই শিশুর প্রাণহানি হয়। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে ও আজ ভোরে পাশাপাশি অবস্থিত এই দুই উপজেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় ১ শিশুসহ দুই পরিবারের পাঁচজন মারা গেছেন। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি মিশন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— মো. ইউনুছ (২৮), তার স্ত্রী রানু আক্তার (২২) ও চার বছরের ছেলে মো. সোলেমান, মো. জুয়েল ( ২৭) ও তার স্ত্রী কুলসুমা আক্তার (২৩)।
লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়ছার হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে রাত ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে, যেখানে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়। পরে ভোর চারটার দিকে আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনায় মাটিচাপা পড়ে একই পরিবারের আরও তিনজন নিহত হন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো লামা উপজেলায় টেলিটক নেটওয়ার্কসহ অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ওসি।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লামা উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের এক হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত ও পাহাড়ধসে পড়ে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধস্ত হয়েছে। এ ছাড়া লামা-আলীকদম সড়কের কেয়ারারঝিরি, রেপারপাড়া আবাসিক ও লাইনঝিরি এলাকা পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে লামা উপজেলা লাগোয়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার জানান, চকরিয়ার বড়ইতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোছনিয়া কাটা এলাকায় এই পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে এবং এতে ওই দুই শিশুর প্রাণহানি হয়। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে দেশ জুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
৭ ঘণ্টা আগে
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কাজ করা উলদ শেখ আহমেদ জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বেশ কিছু জটিল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায়ও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে