
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘গুলশানে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৪০ জনকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানায়নি ডিএমপি।
এর আগে শনিবার মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ। এ ঘটনায় ১১৮ জনের নামে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছিল ডিএমপি। তাদের মধ্যে অজ্ঞাত ৮০ থেকে ১০০ জন রয়েছেন, যারা সরাসরি ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ছাড়া মিছিলের সময় ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছিল গুলশান থানা পুলিশ। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-১-এর ভোলা মসজিদের সামনে থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা করেন। পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যান। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য গুলশান এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন। এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশের এক উপপরিদর্শক তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে পালিয়ে যান। ওসি জানান, মিছিলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে গুলশান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকশ মানুষকে মিছিল করতে দেখা গেছে। ভিডিওতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতেও শোনা যায়।

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আরও ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘গুলশানে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৪০ জনকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানায়নি ডিএমপি।
এর আগে শনিবার মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ। এ ঘটনায় ১১৮ জনের নামে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছিল ডিএমপি। তাদের মধ্যে অজ্ঞাত ৮০ থেকে ১০০ জন রয়েছেন, যারা সরাসরি ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ছাড়া মিছিলের সময় ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছিল গুলশান থানা পুলিশ। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে মো. আরাফাত (২০) ও আ. রহিম (৪৯) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-১-এর ভোলা মসজিদের সামনে থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা করেন। পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যান। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ সদস্য গুলশান এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন। এ সময় নিকেতন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশের এক উপপরিদর্শক তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পাঁচটি তাজা ককটেল ফেলে পালিয়ে যান। ওসি জানান, মিছিলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে গুলশান এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকশ মানুষকে মিছিল করতে দেখা গেছে। ভিডিওতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতেও শোনা যায়।

ইতোমধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আওতায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের থেকে এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে সরকারি চাকরিতে ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৪০ ব
৩ ঘণ্টা আগে
রিট আবেদনে ২০২৫ সালের ১২ মের প্রজ্ঞাপন জারি কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়। রুল হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ১২ মের প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস কক্সবাজারের ঈদগাহের উদ্দেশে রওনা হয়। রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে মাইক্রোবাসটি শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে ইউটার্ন নেওয়া একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সেটির মুখ
৫ ঘণ্টা আগে