
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাম্প্রতিক সময়ের ছাত্র আন্দোলন শিখিয়েছে দেশের কোনও শাসকই ইচ্ছা-খুশিমতো দেশ চালাতে পারবে না । এই মন্তব্য করে সাবেক স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ মানুষের কথা বলার অধিকারসহ সকল মৌলিক অধিকার গুরুত্ব দেওয়া, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ নেওয়া এবং গুম হত্যার রাজনীতি বন্ধে আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ জানান।
বুধবার ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে লাইভে এসে আসছে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে তার দাবির কথা বলেন ।
বিকাল সাড়ে চারটার দিকে তিনি লাইভে আসবেন বলে ঘোষণা দেন। এর প্রায় দুইঘণ্টা পর তিনি লাইভে আসেন। এসময় তার পোস্টে কয়েক হাজার মানুষ তার কথা শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন বলে জানান। পোস্টটি শেয়ার হয় এক হাজারের বেশি।
সোহেল তাজ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তবে একসময় তিনি পদত্যাগ করেন।
বক্তব্যের শুরুতে দেশব্যাপী এক অস্থির সময়ে আমি মুখোমুখি হয়েছি আমি তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বলে বক্তব্য শুরু করেন।
এরপর তিনি বলেন, আপনারা জানেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্যতা নিয়ে দেশের ছাত্র জনতা যে আন্দোলন করেছে তার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে আমিও সোচ্চার ছিলাম। ছাত্র জনতার ওপর যেন আর গুলি না চলে এ আহ্বান আমারও ছিল। অন্যায় ও অন্যায্যতার বিপরীতে ছাত্র জনতার বিজয় অর্জিত হয়েছে। এই আন্দোলনে ছাত্র ছাত্রীসহ আমরা অনেক নিরীহ প্রাণ হারিয়েছি, এখনও অনেক মানুষ চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন আন্দোলনের সময়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছয় সমন্বয়ককে নিরাপত্তা দেবার নাম করে তুলে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৯ জুলাই তিনি ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করতেও যান। কিন্তু সেখানে তাকে সমন্বয়কদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পরে ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিবেকের তাড়নায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের খোঁজ নিতে এসেছিলেন তিনি। ওই সমন্বয়কদের কেন এখানে আনা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না এবং কখন মুক্তি দেওয়া হবে—এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার কোনো প্রশ্নেরই সন্তোষজনক জবাব পাননি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশে সোহেল তাজ সেদিন বলেছিলেন, আমাদের ছাত্রছাত্রী ভাইবোনের বুকে যাতে আর একটাও গুলি না যায়। আপনারা বিরত থাকুন। এটা ঠিক নয়। পরবর্তীতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের মুখে শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপর থেকেই দেশ সরকার ছাড়া মূলত এক অনিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। পুরো দেশজুড়ে চলছে এক অরাজক অবস্থা। গণভবণে লুটপাট-সংসদ ভবন ভাঙচুর, ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙচুর, বন্ধুবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা, পুলিশ হত্যা, থানায় হামলা, সনাতন ধর্মের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটছে।
এরই মধ্যে বুধবার লাইভে এসে সোহেল তাজ বলেন, কিন্তু বিজয়ের পরবর্তী দেশজুড়ে নানান প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড এবং সুযোগসন্ধানীদের তাণ্ডব দেখে লাখো কোটি মানুষের মতো আমিও ব্যথিত। এই হত্যাযজ্ঞ আর ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের জন্যই কি ছাত্র জনতা রাজপথে নেমেছিল বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
দেশের সম্পদ ও ঐতিহ্য ধ্বংস করে কী বার্তা দিচ্ছি প্রশ্ন করে তিনি আবারও বলেন, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই, যারা ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে।
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে দিয়ে আমাদের কতটুকু লাভ হলো প্রশ্ন রেখে ফের তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্যায় করেছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক আমরা সবাই চাই, কিন্তু সবাইকে কেন আমরা প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছি। আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কোনও সভ্যসমাজ কল্পনা করা সম্ভব না, এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ইতোমধ্যেই অর্ন্তবতীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে।
আসছে অর্ন্তবতীকালীন সরকারের কাছে আকুল আবেদন মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে সাধারন মানুষের জানমাল রক্ষা করতে হবে। গেল কদিন দেশের নানা প্রান্তে ভিন্ন ধর্মের মন্দির, গীর্জায় আক্রমণ হয়েছে। অনেকের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হযেছে, অনেক মানুষ নিহত আর আহত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামীলীগসহ অনেক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ রয়েছে। তাদেরও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অনেক নিরীহ মানুষ প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে। চারদিক এক থমথম অবস্থার মধ্যে কী করে আমরা বসবাস করবো?
সরকার প্রশাসনসহ আওয়ামীলীগের যেসব নেতা-কর্মী দুর্নীতি হত্যা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কিন্তু তার বাইরে একজন নিরীহ মানুষেরও বাঁচার অধিকার রয়েছে-এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। যে সংস্কারের জন্য আন্দোলন হয়েছিল, সেদিকে নজর দিতে হবে। আমাদের ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন মতকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার মতো আমারও দাবি, দেশে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। দেশে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। বিচারব্যবস্থা, জনপ্রশান এবং পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
পুলিশবাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণ বান্ধব পেশাদার বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে মন্তব্য করে সোহেল তাজ বলেন, মেধাভিত্তিক সমাজ বিনির্মানে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করতে হবে এবং দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক ব্যবহার করা থেকে মুক্ত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের কথা বলার অধিকারসহ সকল মৌলিক অধিকার গুরুত্ব দিতে হবে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ নিতে হবে। গুম হত্যার রাজনীতি বন্ধে আন্তরিক হতে হবে। এগুলোই আজকে আমার দাবি অর্ন্তবতীকালীন সরকারের কাছে।
এই অরজাকতা বন্ধে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে মন্তব্য করে সোহেল তাজ বলেন, কারণ এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ পথ হারিয়ে ফেলবে। সম্মিলিতভাবে ছাত্র-জনত এবং পেশাজীবী সকলস্তরের মানুষকে নিয়ে এই সংকট যদি মোকাবেলা না করি তাহলে বাংলাদেশ এক গভীর সমস্যার সম্মুক্ষীন হবে। যে ক্ষতি হয়েছে-তা কোনওদিন পূরণ করা সম্ভব নয়, তাই এখনি সকল প্রতিহিংসার অবসান ঘটাতে হবে। আর যেন আমরা ক্ষতিগ্রস্থ না হই।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে একটি বার্তা স্পষ্ট যে বাংলাদেশের কোনও শাষকই ইচ্ছা খুশীমতো দেশ চালাতে পারবে না । দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে আবারও দেশের তারুণ্য গর্জে উঠবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা যেন তারুণ্যের এই দীপ্ত প্রত্যয় মনে রাখি। কোনও শাষকের অন্যায় মেনে নেবে না দেশের ছাত্রজনতাসহ সকল নাগরিক। সকল হানাহানি বন্ধ করে দেশকে নুতন করে গড়ার প্রত্যয় জানিয়ে সোহেল তাজ বলেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার।

সাম্প্রতিক সময়ের ছাত্র আন্দোলন শিখিয়েছে দেশের কোনও শাসকই ইচ্ছা-খুশিমতো দেশ চালাতে পারবে না । এই মন্তব্য করে সাবেক স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ মানুষের কথা বলার অধিকারসহ সকল মৌলিক অধিকার গুরুত্ব দেওয়া, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ নেওয়া এবং গুম হত্যার রাজনীতি বন্ধে আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ জানান।
বুধবার ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে লাইভে এসে আসছে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে তার দাবির কথা বলেন ।
বিকাল সাড়ে চারটার দিকে তিনি লাইভে আসবেন বলে ঘোষণা দেন। এর প্রায় দুইঘণ্টা পর তিনি লাইভে আসেন। এসময় তার পোস্টে কয়েক হাজার মানুষ তার কথা শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন বলে জানান। পোস্টটি শেয়ার হয় এক হাজারের বেশি।
সোহেল তাজ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তবে একসময় তিনি পদত্যাগ করেন।
বক্তব্যের শুরুতে দেশব্যাপী এক অস্থির সময়ে আমি মুখোমুখি হয়েছি আমি তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বলে বক্তব্য শুরু করেন।
এরপর তিনি বলেন, আপনারা জানেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্যতা নিয়ে দেশের ছাত্র জনতা যে আন্দোলন করেছে তার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে আমিও সোচ্চার ছিলাম। ছাত্র জনতার ওপর যেন আর গুলি না চলে এ আহ্বান আমারও ছিল। অন্যায় ও অন্যায্যতার বিপরীতে ছাত্র জনতার বিজয় অর্জিত হয়েছে। এই আন্দোলনে ছাত্র ছাত্রীসহ আমরা অনেক নিরীহ প্রাণ হারিয়েছি, এখনও অনেক মানুষ চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন আন্দোলনের সময়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছয় সমন্বয়ককে নিরাপত্তা দেবার নাম করে তুলে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৯ জুলাই তিনি ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করতেও যান। কিন্তু সেখানে তাকে সমন্বয়কদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পরে ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিবেকের তাড়নায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের খোঁজ নিতে এসেছিলেন তিনি। ওই সমন্বয়কদের কেন এখানে আনা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না এবং কখন মুক্তি দেওয়া হবে—এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার কোনো প্রশ্নেরই সন্তোষজনক জবাব পাননি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশে সোহেল তাজ সেদিন বলেছিলেন, আমাদের ছাত্রছাত্রী ভাইবোনের বুকে যাতে আর একটাও গুলি না যায়। আপনারা বিরত থাকুন। এটা ঠিক নয়। পরবর্তীতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের মুখে শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপর থেকেই দেশ সরকার ছাড়া মূলত এক অনিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। পুরো দেশজুড়ে চলছে এক অরাজক অবস্থা। গণভবণে লুটপাট-সংসদ ভবন ভাঙচুর, ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙচুর, বন্ধুবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা, পুলিশ হত্যা, থানায় হামলা, সনাতন ধর্মের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটছে।
এরই মধ্যে বুধবার লাইভে এসে সোহেল তাজ বলেন, কিন্তু বিজয়ের পরবর্তী দেশজুড়ে নানান প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড এবং সুযোগসন্ধানীদের তাণ্ডব দেখে লাখো কোটি মানুষের মতো আমিও ব্যথিত। এই হত্যাযজ্ঞ আর ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের জন্যই কি ছাত্র জনতা রাজপথে নেমেছিল বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
দেশের সম্পদ ও ঐতিহ্য ধ্বংস করে কী বার্তা দিচ্ছি প্রশ্ন করে তিনি আবারও বলেন, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই, যারা ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে।
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে দিয়ে আমাদের কতটুকু লাভ হলো প্রশ্ন রেখে ফের তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্যায় করেছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক আমরা সবাই চাই, কিন্তু সবাইকে কেন আমরা প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছি। আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কোনও সভ্যসমাজ কল্পনা করা সম্ভব না, এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ইতোমধ্যেই অর্ন্তবতীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে।
আসছে অর্ন্তবতীকালীন সরকারের কাছে আকুল আবেদন মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে সাধারন মানুষের জানমাল রক্ষা করতে হবে। গেল কদিন দেশের নানা প্রান্তে ভিন্ন ধর্মের মন্দির, গীর্জায় আক্রমণ হয়েছে। অনেকের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হযেছে, অনেক মানুষ নিহত আর আহত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামীলীগসহ অনেক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ রয়েছে। তাদেরও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অনেক নিরীহ মানুষ প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে। চারদিক এক থমথম অবস্থার মধ্যে কী করে আমরা বসবাস করবো?
সরকার প্রশাসনসহ আওয়ামীলীগের যেসব নেতা-কর্মী দুর্নীতি হত্যা গুমের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কিন্তু তার বাইরে একজন নিরীহ মানুষেরও বাঁচার অধিকার রয়েছে-এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। যে সংস্কারের জন্য আন্দোলন হয়েছিল, সেদিকে নজর দিতে হবে। আমাদের ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন মতকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার মতো আমারও দাবি, দেশে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। দেশে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। বিচারব্যবস্থা, জনপ্রশান এবং পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
পুলিশবাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণ বান্ধব পেশাদার বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে মন্তব্য করে সোহেল তাজ বলেন, মেধাভিত্তিক সমাজ বিনির্মানে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করতে হবে এবং দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক ব্যবহার করা থেকে মুক্ত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের কথা বলার অধিকারসহ সকল মৌলিক অধিকার গুরুত্ব দিতে হবে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ নিতে হবে। গুম হত্যার রাজনীতি বন্ধে আন্তরিক হতে হবে। এগুলোই আজকে আমার দাবি অর্ন্তবতীকালীন সরকারের কাছে।
এই অরজাকতা বন্ধে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে মন্তব্য করে সোহেল তাজ বলেন, কারণ এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ পথ হারিয়ে ফেলবে। সম্মিলিতভাবে ছাত্র-জনত এবং পেশাজীবী সকলস্তরের মানুষকে নিয়ে এই সংকট যদি মোকাবেলা না করি তাহলে বাংলাদেশ এক গভীর সমস্যার সম্মুক্ষীন হবে। যে ক্ষতি হয়েছে-তা কোনওদিন পূরণ করা সম্ভব নয়, তাই এখনি সকল প্রতিহিংসার অবসান ঘটাতে হবে। আর যেন আমরা ক্ষতিগ্রস্থ না হই।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে একটি বার্তা স্পষ্ট যে বাংলাদেশের কোনও শাষকই ইচ্ছা খুশীমতো দেশ চালাতে পারবে না । দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে আবারও দেশের তারুণ্য গর্জে উঠবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা যেন তারুণ্যের এই দীপ্ত প্রত্যয় মনে রাখি। কোনও শাষকের অন্যায় মেনে নেবে না দেশের ছাত্রজনতাসহ সকল নাগরিক। সকল হানাহানি বন্ধ করে দেশকে নুতন করে গড়ার প্রত্যয় জানিয়ে সোহেল তাজ বলেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার।

রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্মানিত উপস্থিতি, বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকিয়ে আছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর
৭ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসায় উঠেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৮ ঘণ্টা আগে
মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রথম ধাপে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত বয়োজ্যেষ্ঠ নারীদের জন্য চালু করা হবে। পরবর্তীতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিকেও অন্তর্ভুক্ত করে এই কার্যক্রম সর্বজনীন করা হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি এবং আকাশপথে ঝুঁকি বিবেচনায় ৪ দেশে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
৮ ঘণ্টা আগে