
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানি সংকটে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অফ বাংলাদেশ (অ্যামটব)। সংগঠনটি বলছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির জন্য জরুরি ভিত্তিতে অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থা না নিলে দেশব্যাপী মোবাইল টেলিকম সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে অ্যামটব এই উদ্বেগের কথা জানায়।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান বরাবর লেখা ওই চিঠিতে দেশের তিনটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটর— গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের টাওয়ার (বিটিএস) ও ডেটা সেন্টার চালু রাখতে প্রতিদিন ৭৯ হাজার ৬২১ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়।
অ্যামটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকারের সই করা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, একদিকে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং এবং অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে মোবাইল টাওয়ার ও ডাটা সেন্টার সচল রাখতে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
চিঠিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে তিনটি মোবাইল অপারেটরের ২৭টি ডেটা সেন্টারের তালিকা রয়েছে। তালিকায় ডেটা সেন্টারগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুতের চাহিদা (ডিমান্ড লোড) এবং বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর চালাতে প্রতি ঘণ্টায় ডিজেলের সম্ভাব্য চাহিদা তুলে ধরা হয়েছে।
ওই তালিকা অনুযায়ী রবির ১০টি ডেটা সেন্টারে জেনারেটর চালাতে এক ঘণ্টায় খরচ হয় ১ হাজার ৬২২ লিটার ডিজেল। একইভাবে গ্রামীণফোনের নয়টি ডেটা সেন্টারে লাগে ১ হাজার ৮০৭ লিটার ডিজেল। আর বাংলালিংকের আটটি ডেটা সেন্টার জেনারেটরে চালাতে এক ঘণ্টায় খরচ হয় ৯৮৫ লিটার ডিজেল। অর্থাৎ সব মিলিয়ে শুধু ডেটা সেন্টারগুলোতে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে খরচ হয় ৪ হাজার ৪১৪ লিটার ডিজেল।
এ ছাড়া অ্যামটবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক তাদের মোবাইল টাওয়ারগুলো (বিটিএস সাইটের) সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৫২ হাজার ৪২৫ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেন ব্যবহার করছে। এ ছাড়া অপারেটরগুলোর ডাটা সেন্টার সচল রাখতে প্রতিদিন আরও ২৭ হাজার ১৯৬ লিটার ডিজেল খরচ হচ্ছে।
চিঠিতে বিদ্যুৎবিভ্রাট নিয়ে বলা হয়, ঝড়ের সময় অনেক অঞ্চলে প্রতিদিন ৫-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না এবং বিদ্যুৎ পুনঃস্থাপন অনেক বিলম্বিত হয়। ফলে ডেটা সেন্টার, সুইচিং সুবিধা এবং ট্রান্সমিশন হাবসহ গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম অবকাঠামো প্রায়ই গ্রিড বিদ্যুৎ ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে, যা নেটওয়ার্ক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
অ্যামটব বলছে, দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সম্পূর্ণরূপে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। টাওয়ারের পাশাপাশি ডেটা সেন্টারগুলোও জেনারেটরে চলছে। একটি একক ডাটা সেন্টার চালাতেই প্রতি ঘণ্টায় ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন, প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার লিটার। স্থানীয় পেট্রোল পাম্পগুলো এ পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। এ ছাড়া আন্তঃজেলা জ্বালানি পরিবহনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
অ্যামটব সতর্ক করে বলছে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়লে শুধু সাধারণ যোগাযোগই নয়, বরং জরুরি সেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়, ব্যাংকিং লেনদেন এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। এটি একটি জাতীয় সংকটের সৃষ্টি করতে পারে।
অপারেটরদের প্রস্তাব
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিটিআরসিকে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে অ্যামটব:
১. প্রধান ডেটা সেন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা ।
২. সংকটকালে সারাদেশের সব মোবাইল বেস স্টেশনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আনা।
৩. প্রয়োজনে ডিপো থেকে সরাসরি জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা।
৪. জরুরি টেলিকম কার্যক্রমের জন্য জ্বালানি পরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবিলম্বে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া।
এ ছাড়া চিঠিতে দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ, বিপিসি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা ডাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানি সংকটে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অফ বাংলাদেশ (অ্যামটব)। সংগঠনটি বলছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির জন্য জরুরি ভিত্তিতে অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থা না নিলে দেশব্যাপী মোবাইল টেলিকম সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে অ্যামটব এই উদ্বেগের কথা জানায়।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান বরাবর লেখা ওই চিঠিতে দেশের তিনটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটর— গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের টাওয়ার (বিটিএস) ও ডেটা সেন্টার চালু রাখতে প্রতিদিন ৭৯ হাজার ৬২১ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়।
অ্যামটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকারের সই করা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, একদিকে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং এবং অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে মোবাইল টাওয়ার ও ডাটা সেন্টার সচল রাখতে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
চিঠিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে তিনটি মোবাইল অপারেটরের ২৭টি ডেটা সেন্টারের তালিকা রয়েছে। তালিকায় ডেটা সেন্টারগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুতের চাহিদা (ডিমান্ড লোড) এবং বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর চালাতে প্রতি ঘণ্টায় ডিজেলের সম্ভাব্য চাহিদা তুলে ধরা হয়েছে।
ওই তালিকা অনুযায়ী রবির ১০টি ডেটা সেন্টারে জেনারেটর চালাতে এক ঘণ্টায় খরচ হয় ১ হাজার ৬২২ লিটার ডিজেল। একইভাবে গ্রামীণফোনের নয়টি ডেটা সেন্টারে লাগে ১ হাজার ৮০৭ লিটার ডিজেল। আর বাংলালিংকের আটটি ডেটা সেন্টার জেনারেটরে চালাতে এক ঘণ্টায় খরচ হয় ৯৮৫ লিটার ডিজেল। অর্থাৎ সব মিলিয়ে শুধু ডেটা সেন্টারগুলোতে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে খরচ হয় ৪ হাজার ৪১৪ লিটার ডিজেল।
এ ছাড়া অ্যামটবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক তাদের মোবাইল টাওয়ারগুলো (বিটিএস সাইটের) সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৫২ হাজার ৪২৫ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেন ব্যবহার করছে। এ ছাড়া অপারেটরগুলোর ডাটা সেন্টার সচল রাখতে প্রতিদিন আরও ২৭ হাজার ১৯৬ লিটার ডিজেল খরচ হচ্ছে।
চিঠিতে বিদ্যুৎবিভ্রাট নিয়ে বলা হয়, ঝড়ের সময় অনেক অঞ্চলে প্রতিদিন ৫-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না এবং বিদ্যুৎ পুনঃস্থাপন অনেক বিলম্বিত হয়। ফলে ডেটা সেন্টার, সুইচিং সুবিধা এবং ট্রান্সমিশন হাবসহ গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম অবকাঠামো প্রায়ই গ্রিড বিদ্যুৎ ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে, যা নেটওয়ার্ক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
অ্যামটব বলছে, দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সম্পূর্ণরূপে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। টাওয়ারের পাশাপাশি ডেটা সেন্টারগুলোও জেনারেটরে চলছে। একটি একক ডাটা সেন্টার চালাতেই প্রতি ঘণ্টায় ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন, প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার লিটার। স্থানীয় পেট্রোল পাম্পগুলো এ পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। এ ছাড়া আন্তঃজেলা জ্বালানি পরিবহনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
অ্যামটব সতর্ক করে বলছে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়লে শুধু সাধারণ যোগাযোগই নয়, বরং জরুরি সেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়, ব্যাংকিং লেনদেন এবং ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। এটি একটি জাতীয় সংকটের সৃষ্টি করতে পারে।
অপারেটরদের প্রস্তাব
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিটিআরসিকে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে অ্যামটব:
১. প্রধান ডেটা সেন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা ।
২. সংকটকালে সারাদেশের সব মোবাইল বেস স্টেশনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আনা।
৩. প্রয়োজনে ডিপো থেকে সরাসরি জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা।
৪. জরুরি টেলিকম কার্যক্রমের জন্য জ্বালানি পরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবিলম্বে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া।
এ ছাড়া চিঠিতে দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ, বিপিসি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা ডাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম ঠেকাতে সাইবার অপরাধের দিকেও বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র থানা থেকে যারা গ্রহণ করেন, তাদের তালিকা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটলে তা দ্রুত শনাক্ত করা যায়। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্
৩ ঘণ্টা আগে
বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের জন্য ‘ন্যায় ও আস্থার’ প্রধান স্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নিজ জেলা সফরে এসে তিনি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনে বিচার বিভাগের দলীয়করণের কঠোর সমালোচনা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবসৃষ্ট ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৪ ঘণ্টা আগে
দিনব্যাপী এই সফরে জেলা আইনজীবী সমিতির উন্নয়ন ছাড়াও গাবতলীর বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন, শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর বাগবাড়ী নশিপুর এলাকায় চৌকিরদহ খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
৬ ঘণ্টা আগে