
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মাঘের আগেই পৌষের কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সারাদেশ। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পথঘাট, যার প্রভাবে আকাশপথ থেকে শুরু করে সড়ক ও নৌ-যোগাযোগে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ২১টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা তীব্র শৈত্যপ্রবাহের রূপ নিতে পারে।
টানা শৈত্যপ্রবাহে বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ঘন কুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ৯টি ফ্লাইট ডাইভার্ট করতে হয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে দুটি হতে পারে অত্যন্ত তীব্র। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহজুড়েই এই কনকনে শীতের আমেজ ও কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর ওপরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলতি মৌসুমে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই-তিনটি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং এক-দুইটি শৈত্য প্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবারও যশোরে দেশের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, গত তিন দিন ধরেই দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। গতকালও সাতটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ রয়েছে। প্রথম দিন ৩১ ডিসেম্বর বরিশাল, খুলনা বিভাগসহ আরো কয়েকটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল, পরে তা কিছুটা কমেছে। ৬ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে আবার শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে এবং দু-একটি এলাকায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহও হতে পারে। গতবারের তুলনায় এবার শীত বেশি পড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া আজ মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিতও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিনের বর্ধিত অবস্থায় তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহজুড়েই কনকনে শীতের আমেজ বজায় থাকবে।

মাঘের আগেই পৌষের কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সারাদেশ। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পথঘাট, যার প্রভাবে আকাশপথ থেকে শুরু করে সড়ক ও নৌ-যোগাযোগে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ২১টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা তীব্র শৈত্যপ্রবাহের রূপ নিতে পারে।
টানা শৈত্যপ্রবাহে বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ঘন কুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ৯টি ফ্লাইট ডাইভার্ট করতে হয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে দুটি হতে পারে অত্যন্ত তীব্র। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহজুড়েই এই কনকনে শীতের আমেজ ও কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর ওপরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। জানুয়ারি মাসে দেশের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলতি মৌসুমে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই-তিনটি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি তাপমাত্রার (৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং এক-দুইটি শৈত্য প্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবারও যশোরে দেশের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, গত তিন দিন ধরেই দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। গতকালও সাতটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ রয়েছে। প্রথম দিন ৩১ ডিসেম্বর বরিশাল, খুলনা বিভাগসহ আরো কয়েকটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল, পরে তা কিছুটা কমেছে। ৬ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে আবার শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে এবং দু-একটি এলাকায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহও হতে পারে। গতবারের তুলনায় এবার শীত বেশি পড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া আজ মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিতও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ দিনের বর্ধিত অবস্থায় তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহজুড়েই কনকনে শীতের আমেজ বজায় থাকবে।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আলোচনাকে ‘গুঞ্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোনো কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধানে সে সুযোগ রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতিফলন থাকতে হবে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে পূর্বঘোষিত নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। তবে যেসব পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রেপ্তার আফতাব মজুমদার জয় চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তিনি খুলশী থানার ওয়ারল্যাস মুরগী ফার্ম এলাকার বাসিন্দা।
৭ ঘণ্টা আগে