
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার (৯০) মারা গেছেন। বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন
বহু মাস ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও পলি আর্থ্রাইটিসে ভুগছিলেন। কিছু মাস আগে বিভিন্ন কারণে তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর নেত্রকোনার নিজ বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
গত জুনে শোবার ঘরের বারান্দা থেকে পত্রিকা আনতে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় তার ডান ফিমার নেক ফ্যাকচার হয়। এরপর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষক দীর্ঘ সময় মননশীল সাহিত্যচর্চা, বাম রাজনীতি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
লেখক হিসেবে অধ্যাপক যতীন সরকার অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য– স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১০), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পদক (২০০৭), প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থপুরস্কার (২০০৫) ‘পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন’ গ্রন্থের জন্য ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার এবং মনিরুদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পুরস্কার।
৪২ বছরের বেশি সময় শিক্ষকতা পেশায় কাজ করার পর ২০০২ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি স্ত্রী কানন সরকারকে নিয়ে নেত্রকোনায় ফিরে আসেন।
তার প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মধ্যে রয়েছে– ‘সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা’, ‘পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন’, ‘বাঙালির সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য’, ‘প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন’।

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার (৯০) মারা গেছেন। বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন
বহু মাস ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও পলি আর্থ্রাইটিসে ভুগছিলেন। কিছু মাস আগে বিভিন্ন কারণে তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর নেত্রকোনার নিজ বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
গত জুনে শোবার ঘরের বারান্দা থেকে পত্রিকা আনতে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় তার ডান ফিমার নেক ফ্যাকচার হয়। এরপর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষক দীর্ঘ সময় মননশীল সাহিত্যচর্চা, বাম রাজনীতি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
লেখক হিসেবে অধ্যাপক যতীন সরকার অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য– স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১০), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পদক (২০০৭), প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থপুরস্কার (২০০৫) ‘পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন’ গ্রন্থের জন্য ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার এবং মনিরুদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পুরস্কার।
৪২ বছরের বেশি সময় শিক্ষকতা পেশায় কাজ করার পর ২০০২ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি স্ত্রী কানন সরকারকে নিয়ে নেত্রকোনায় ফিরে আসেন।
তার প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মধ্যে রয়েছে– ‘সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা’, ‘পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন’, ‘বাঙালির সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য’, ‘প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন’।

ফল প্রকাশের পরদিন ১১ আগস্ট থেকে আশানুরূপ ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীদের পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। গতকাল সোমবার পর্যন্ত এ আবেদনের সুযোগ পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। প্রতিটি পত্রের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য পরীক্ষার্থীদের ১৫০ টাকা করে ফি দিতে হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি ‘সন্তোষজনক’ বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে দেশ পর্যায়ক্রমে কৃষিপণ্য আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
এর আগে সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে কাশেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার ইন্সপেক্টর আবদুল হান্নান মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তিনি পিএসসি সচিবালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন জানিয়ে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান বলেন, “চেয়ারম্যান স্যারের পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”
১৪ ঘণ্টা আগে