
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

একটি অনুকূল পরিবেশে পারস্পরিকভাবে উপকারী সব বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ভারত প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে তিনি এই অবস্থান ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া, বাংলাদেশের সঙ্গে ঝুলে থাকা বিভিন্ন ইস্যু সমাধানেও ভারত অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কিত যে সংশোধনীগুলো ভারত ঘোষণা করেছে তা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ন্যায্যতা, সমান আচরণ এবং পারস্পরিকতা নিশ্চিত করার আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলোর সমাধানের জন্য বাংলাদেশের অপেক্ষায় আছি।’
গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘গঙ্গাসহ ভারত ও বাংলাদেশ ৫৪টি অভিন্ন নদী ভাগাভাগি করে। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতার অংশ হিসেবে গঠিত সব প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন নামে একটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা চালু আছে। এ ছাড়া এ ধরনের বিষয়গুলোতে আমাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আলোচনায় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয় যাতে আমাদের পন্থা নির্ধারণ করা যায়। পারস্পরিক উপকারী সংলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সব বিষয়ে কাজ করতে প্রস্তুত।’
ঢাকার খিলক্ষেতে একটি মন্দির ভাঙার বিষয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার মন্দিরটিকে নিরাপত্তা না দিয়ে ঘটনাটিকে অবৈধ ভূমি ব্যবহার হিসেবে তুলে ধরেছে এবং মন্দিরটি ধ্বংসের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে বিগ্রহ (মূর্তি) স্থানান্তরের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটায় আমরা মর্মাহত। আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, হিন্দু, তাদের সম্পত্তি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা দেওয়া বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব।’

একটি অনুকূল পরিবেশে পারস্পরিকভাবে উপকারী সব বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ভারত প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে তিনি এই অবস্থান ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া, বাংলাদেশের সঙ্গে ঝুলে থাকা বিভিন্ন ইস্যু সমাধানেও ভারত অপেক্ষায় আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কিত যে সংশোধনীগুলো ভারত ঘোষণা করেছে তা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ন্যায্যতা, সমান আচরণ এবং পারস্পরিকতা নিশ্চিত করার আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলোর সমাধানের জন্য বাংলাদেশের অপেক্ষায় আছি।’
গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘গঙ্গাসহ ভারত ও বাংলাদেশ ৫৪টি অভিন্ন নদী ভাগাভাগি করে। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতার অংশ হিসেবে গঠিত সব প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন নামে একটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা চালু আছে। এ ছাড়া এ ধরনের বিষয়গুলোতে আমাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আলোচনায় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয় যাতে আমাদের পন্থা নির্ধারণ করা যায়। পারস্পরিক উপকারী সংলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সব বিষয়ে কাজ করতে প্রস্তুত।’
ঢাকার খিলক্ষেতে একটি মন্দির ভাঙার বিষয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার মন্দিরটিকে নিরাপত্তা না দিয়ে ঘটনাটিকে অবৈধ ভূমি ব্যবহার হিসেবে তুলে ধরেছে এবং মন্দিরটি ধ্বংসের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে বিগ্রহ (মূর্তি) স্থানান্তরের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটায় আমরা মর্মাহত। আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, হিন্দু, তাদের সম্পত্তি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা দেওয়া বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১২ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১৬ ঘণ্টা আগে