
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক মন্ত্রী ও পিরোজপুর -১ (নাজিরপুর, পিরোজপুর ও ইন্দুরকানী) আসনের সাবেক এমপি শ.ম রেজাউল করিম ও তার ৩ ভাইসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে জেলার সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের ২ নম্বর শিকদার মল্লিক গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান সিকদারের ছেলে মো. শরিফুজ্জামন সিকদার বাদী হয়ে ওই মামলাটি করেন।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় মন্ত্রীর ছোট ভাই নাজিরপুর উপজেলার সদ্য বিলুপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহিন, মেজ ভাই মো. বাবুল শেখ (৬০), মো. শামিম শেখ (৫৫) ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমীন শেখসহ (৩০) ৮ জনের নামে এবং আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত করে এ মামলা করা হয়।
জানা গেছে, ওই মামলার বাদী মো. শরিফুজ্জামান সিকদারের বিরুদ্ধে গত ২০২২ সালের ২১ অক্টোবর মন্ত্রীর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মুনিয়া ইসলাম ঢাকার মোহাম্মাদপুর এবং সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে মন্ত্রীর ছোট ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহিন বাদী হয়ে তথ্য প্রযুক্তি আইনে ঢাকার রমনা থানায় গত ২০২১ সালে মামলা করেন। এছাড়া তাকে হত্যার হুমকির অভিযোগেও জেলার নাজিরপুরে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এসব মামলায় অভিযোগকারী মো. শরিফুজ্জামান সিকদার দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন।
দায়ের হওয়া মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগকারীর সঙ্গে অভিযুক্তদের রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। অভিযোগকারীকে অভিযুক্তদের দলীয় গ্রুপে নিতে একাধিকবার চাপ প্রয়োগসহ মামলা করেন। গত ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে অভিযোগকারীর জেলার সদর উপজেলার পাঁচপাড়া বাজারে থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে নগদ প্রায় ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা লুট করে নেওয়াসহ আগুন দিয়ে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, পিরোজপুরের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সাবেক মন্ত্রী শ.ম রেজাউল ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি আউয়ালের মধ্যে চরম গ্রুপিং রয়েছে। মামলার বাদী মো. শরিফুজ্জামন সিকদার সাবেক এমপি আউয়াল গ্রুপের এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক।

সাবেক মন্ত্রী ও পিরোজপুর -১ (নাজিরপুর, পিরোজপুর ও ইন্দুরকানী) আসনের সাবেক এমপি শ.ম রেজাউল করিম ও তার ৩ ভাইসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে জেলার সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের ২ নম্বর শিকদার মল্লিক গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান সিকদারের ছেলে মো. শরিফুজ্জামন সিকদার বাদী হয়ে ওই মামলাটি করেন।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় মন্ত্রীর ছোট ভাই নাজিরপুর উপজেলার সদ্য বিলুপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহিন, মেজ ভাই মো. বাবুল শেখ (৬০), মো. শামিম শেখ (৫৫) ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমীন শেখসহ (৩০) ৮ জনের নামে এবং আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত করে এ মামলা করা হয়।
জানা গেছে, ওই মামলার বাদী মো. শরিফুজ্জামান সিকদারের বিরুদ্ধে গত ২০২২ সালের ২১ অক্টোবর মন্ত্রীর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মুনিয়া ইসলাম ঢাকার মোহাম্মাদপুর এবং সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে মন্ত্রীর ছোট ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুরে আলম সিদ্দিকী শাহিন বাদী হয়ে তথ্য প্রযুক্তি আইনে ঢাকার রমনা থানায় গত ২০২১ সালে মামলা করেন। এছাড়া তাকে হত্যার হুমকির অভিযোগেও জেলার নাজিরপুরে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এসব মামলায় অভিযোগকারী মো. শরিফুজ্জামান সিকদার দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন।
দায়ের হওয়া মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগকারীর সঙ্গে অভিযুক্তদের রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। অভিযোগকারীকে অভিযুক্তদের দলীয় গ্রুপে নিতে একাধিকবার চাপ প্রয়োগসহ মামলা করেন। গত ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে অভিযোগকারীর জেলার সদর উপজেলার পাঁচপাড়া বাজারে থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে নগদ প্রায় ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা লুট করে নেওয়াসহ আগুন দিয়ে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, পিরোজপুরের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সাবেক মন্ত্রী শ.ম রেজাউল ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি আউয়ালের মধ্যে চরম গ্রুপিং রয়েছে। মামলার বাদী মো. শরিফুজ্জামন সিকদার সাবেক এমপি আউয়াল গ্রুপের এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য প্রয়োজন মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা।’
৭ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস, কেন্দ্রীয় সংগঠক তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা এ অভিযোগ দায়ের করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
তেহরানের গ্রান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিহত আলি খামেনির বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া করার পাশাপাশি স্পিকার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেখানে রাখা শোক বইতে সই করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
এসব কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদের সামরিক সচিব লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আমিনুল করিম, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান
২১ ঘণ্টা আগে