
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ৩ থেকে ৫ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’, যার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) জানায়, ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চমবারের মতো এই আসরটি বসবে। ১০০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক এই সংলাপ প্ল্যাটফর্মে।
সিজিএস আয়োজিত আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি)’-এর পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে চলা এ আসরটি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য— ফ্র্যাগমেন্টস . ফ্রন্টিয়ার্স . ফিউচার (ভাঙন ∙ নতুন দিগন্ত ∙ আগামী দিনের বিশ্ব) নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন আ ওয়ার্ল্ড রি-রিটেন (পুনর্লিখিত এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার নতুন পথচলা)। বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, অর্থনৈতিক পুনর্বিন্যাস, জলবায়ু সংকট, এবং রাষ্ট্র ও সমাজে আস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার প্রতিনিধি এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। ফলে এটি বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক কৌশলগত ও নীতিনির্ধারণী সংলাপের আসরে পরিণত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে থাকবে উচ্চপর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, নেতৃত্ব পর্যায়ের সংলাপ, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, বিশেষ সাক্ষাৎকারভিত্তিক সেশন, ফায়ারসাইড কনভারসেশন এবং একটি বিশেষ ইয়াং লিডার্স ফোরাম।
আরও বলা হয়, আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও সংযোগ, জলবায়ু ও মানব নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সুশাসন, এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবারের সম্মেলন পাঁচটি প্রধান থিম্যাটিক স্তম্ভকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হবে। সেগুলো হলো—
১. পরিবর্তনশীল ক্ষমতার রাজনীতি: ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা
২. প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস ও তথ্যের ক্ষমতা
৩. অর্থনীতির নতুন ভূগোল: বাণিজ্য, সংযোগ ও প্রবৃদ্ধির নতুন বাস্তবতা
৪. জলবায়ু, স্থিতিস্থাপকতা ও মানব নিরাপত্তা
৫. আস্থা, গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভবিষ্যৎ
সম্মেলনের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ, বে অব বেঙ্গল লেকচার, উচ্চপর্যায়ের লিডারশিপ ফোরাম, এবং সম্মেলনের অন্যতম স্বাক্ষরধর্মী অধিবেশন ‘হোয়াই দ্য বে ম্যাটার্স টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ (বঙ্গোপসাগর: ভূরাজনীতি, সংযোগ ও ভবিষ্যতের নতুন কেন্দ্র)।
সিজিএস জানায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন সরকার, কূটনীতি, নিরাপত্তা, ব্যবসা, গবেষণা, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নীতিনির্ধারক, চিন্তাবিদ, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং তরুণ নেতারা এ প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করে সমসাময়িক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করে থাকেন।
প্ল্যাটফর্মটি আরও জানায়, বর্তমান সময়ে বঙ্গোপসাগর অঞ্চল আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বাণিজ্য, সংযোগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু অভিযোজন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত বাস্তবতায় ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।
আয়োজকদের আশা, বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬ এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ আলোচনা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্মেলনের বক্তা, অংশীদার প্রতিষ্ঠান, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং বিস্তারিত কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন হলো সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম। এই ফোরামে রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, ব্যবসায়ী নেতা, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং তরুণ নেতৃত্ব একত্রিত হয়ে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
রাজনীতি/এসআর

আগামী ৩ থেকে ৫ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’, যার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) জানায়, ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চমবারের মতো এই আসরটি বসবে। ১০০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক এই সংলাপ প্ল্যাটফর্মে।
সিজিএস আয়োজিত আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি)’-এর পঞ্চমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে চলা এ আসরটি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য— ফ্র্যাগমেন্টস . ফ্রন্টিয়ার্স . ফিউচার (ভাঙন ∙ নতুন দিগন্ত ∙ আগামী দিনের বিশ্ব) নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন আ ওয়ার্ল্ড রি-রিটেন (পুনর্লিখিত এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার নতুন পথচলা)। বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, অর্থনৈতিক পুনর্বিন্যাস, জলবায়ু সংকট, এবং রাষ্ট্র ও সমাজে আস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার প্রতিনিধি এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। ফলে এটি বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক কৌশলগত ও নীতিনির্ধারণী সংলাপের আসরে পরিণত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে থাকবে উচ্চপর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, নেতৃত্ব পর্যায়ের সংলাপ, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, বিশেষ সাক্ষাৎকারভিত্তিক সেশন, ফায়ারসাইড কনভারসেশন এবং একটি বিশেষ ইয়াং লিডার্স ফোরাম।
আরও বলা হয়, আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও সংযোগ, জলবায়ু ও মানব নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সুশাসন, এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবারের সম্মেলন পাঁচটি প্রধান থিম্যাটিক স্তম্ভকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হবে। সেগুলো হলো—
১. পরিবর্তনশীল ক্ষমতার রাজনীতি: ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা
২. প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস ও তথ্যের ক্ষমতা
৩. অর্থনীতির নতুন ভূগোল: বাণিজ্য, সংযোগ ও প্রবৃদ্ধির নতুন বাস্তবতা
৪. জলবায়ু, স্থিতিস্থাপকতা ও মানব নিরাপত্তা
৫. আস্থা, গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভবিষ্যৎ
সম্মেলনের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ, বে অব বেঙ্গল লেকচার, উচ্চপর্যায়ের লিডারশিপ ফোরাম, এবং সম্মেলনের অন্যতম স্বাক্ষরধর্মী অধিবেশন ‘হোয়াই দ্য বে ম্যাটার্স টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ (বঙ্গোপসাগর: ভূরাজনীতি, সংযোগ ও ভবিষ্যতের নতুন কেন্দ্র)।
সিজিএস জানায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন সরকার, কূটনীতি, নিরাপত্তা, ব্যবসা, গবেষণা, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নীতিনির্ধারক, চিন্তাবিদ, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং তরুণ নেতারা এ প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করে সমসাময়িক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করে থাকেন।
প্ল্যাটফর্মটি আরও জানায়, বর্তমান সময়ে বঙ্গোপসাগর অঞ্চল আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বাণিজ্য, সংযোগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু অভিযোজন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত বাস্তবতায় ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।
আয়োজকদের আশা, বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬ এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ আলোচনা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্মেলনের বক্তা, অংশীদার প্রতিষ্ঠান, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং বিস্তারিত কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন হলো সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম। এই ফোরামে রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, ব্যবসায়ী নেতা, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং তরুণ নেতৃত্ব একত্রিত হয়ে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
রাজনীতি/এসআর

এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের রক্তক্ষরণেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলন, ‘ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ। যার নাম হেমোরোজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। সুতরাং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।’
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় সম্মান ও নাগরিকত্বের মর্যাদা নিয়ে রোহিঙ্গারা যেন নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে, সেই স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছে তুরস্ক।
৭ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৫ শিশু মারা গেছে। আর এ সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ২৪৩ শিশু। শেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকা বিভাগে মারা গেছে ৪ শিশু, আর বাকি শিশুটি সিলেট বিভাগের।
২১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা জেলায় বর্তমানে ৩৮৫ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি চিকিৎসা নিচ্ছেন। মে মাসে আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে জেলায় মোট মৃত্যু হলো সাতজনের।
১ দিন আগে