
খান সুজন, শ্রীনগর প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আড়িয়ল বিলসহ বিভিন্ন চকে শীতকালীন পরিযায়ী (অতিথি) পাখির আগম বাড়ছে। হাজার হাজার মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে পরিযায়ী পাখির ঝাঁক উড়ে আসছে। বিভিন্ন জলাশয় ও ধানি জমিতে বিচরণ করছে এসব পাখির দল। দেখে মনে হবে এ যেন পাখিদের মিলন মেলা। বালিহাঁস, পাতারি হাঁস, সাদা বক, কানি বক, পানকৌড়ি, শামুকখোল, মাছরাঙা, সাদা গাঙচিলসহ নাম না জানা অসংখ্য পরিযায়ী পাখির আগমণে মুখরিত হচ্ছে আড়িয়ল বিল এলাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বির্স্তীণ আড়িয়ল বিলের বিভিন্ন জমিতে পাখিরা দল বেঁধে খাদ্যের সন্ধান করছে। অল্প পানিতে ছোট ছোট মাছ ও শামুক ধরে খাচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলার পাটাভোগ, কুকুটিয়া, পশ্চিম নওপাড়া, আটপাড়া, বাড়ৈগাঁও, গাদিঘাট এলাকার বিভিন্ন জলাশয় ও ধানের জমিতে অতিথি পাখি বিচরণ করছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দেশে শীতের প্রকপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিযায়ী পাখির আগমণও অনেকাংশে বেড়েছে। এর মধ্যে শামুকখোল, সাদা বক, বালি হাঁসের পরিমাণ বেশি। এরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসছে। ভোর সকাল থেকেই খাদ্যের সন্ধানে পাখিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই অতিথি পাখিরা আহার শেষে ঝাঁক বেঁধে উড়ে যাচ্ছে। আশ্রয় নিচ্ছে এলাকার উঁচু গাছে। খুব কাছ থেকে এসব পাখির বিচরণ উপভোগ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তারা।
পাটাভোগে মো. সুজন নামে এক পথচারী বলেন, কুয়াসাচ্ছন্ন সকালে শামুকখোল নামক অতিথি পাখির ঝাঁক ধানের জমিতে নেমেছে। দল বেঁধে পাখিরা খাদ্যের সন্ধান করছে।
জানা যায়, পরিযায়ী পাখির দল শীত প্রধান দেশে আবাসস্থল অনুপযোগী হওয়া, খাদ্যের অভাব, প্রচণ্ড শীতের কবল থেকে নিজেদের বাঁচতে এরা বাংলাদেশে আসে। বিশেষ করে আফ্রিকা, ইউরোপ ও দক্ষিণ এসিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে পরিযায়ী পাখির দল আসতে শুরু করে। পরিযায়ী পাখি দেশের সম্পদ। ফসলের ক্ষতি করে এমন সব কীটপতঙ্গ আহার করে এরা জীবন বাচায়। এদের বিষ্ঠায় জমিতে মাটির উর্বরতা বারে। দেশের প্রচলিত আইনেও এসব অতিথি পাখি শিকার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ঢাকার দায়িত্বে থাকা বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানার জানিয়েছেন, পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ এ ধরনের অপরাধ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আড়িয়ল বিলসহ বিভিন্ন চকে শীতকালীন পরিযায়ী (অতিথি) পাখির আগম বাড়ছে। হাজার হাজার মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে পরিযায়ী পাখির ঝাঁক উড়ে আসছে। বিভিন্ন জলাশয় ও ধানি জমিতে বিচরণ করছে এসব পাখির দল। দেখে মনে হবে এ যেন পাখিদের মিলন মেলা। বালিহাঁস, পাতারি হাঁস, সাদা বক, কানি বক, পানকৌড়ি, শামুকখোল, মাছরাঙা, সাদা গাঙচিলসহ নাম না জানা অসংখ্য পরিযায়ী পাখির আগমণে মুখরিত হচ্ছে আড়িয়ল বিল এলাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বির্স্তীণ আড়িয়ল বিলের বিভিন্ন জমিতে পাখিরা দল বেঁধে খাদ্যের সন্ধান করছে। অল্প পানিতে ছোট ছোট মাছ ও শামুক ধরে খাচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলার পাটাভোগ, কুকুটিয়া, পশ্চিম নওপাড়া, আটপাড়া, বাড়ৈগাঁও, গাদিঘাট এলাকার বিভিন্ন জলাশয় ও ধানের জমিতে অতিথি পাখি বিচরণ করছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দেশে শীতের প্রকপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিযায়ী পাখির আগমণও অনেকাংশে বেড়েছে। এর মধ্যে শামুকখোল, সাদা বক, বালি হাঁসের পরিমাণ বেশি। এরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসছে। ভোর সকাল থেকেই খাদ্যের সন্ধানে পাখিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সন্ধ্যার আগেই অতিথি পাখিরা আহার শেষে ঝাঁক বেঁধে উড়ে যাচ্ছে। আশ্রয় নিচ্ছে এলাকার উঁচু গাছে। খুব কাছ থেকে এসব পাখির বিচরণ উপভোগ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তারা।
পাটাভোগে মো. সুজন নামে এক পথচারী বলেন, কুয়াসাচ্ছন্ন সকালে শামুকখোল নামক অতিথি পাখির ঝাঁক ধানের জমিতে নেমেছে। দল বেঁধে পাখিরা খাদ্যের সন্ধান করছে।
জানা যায়, পরিযায়ী পাখির দল শীত প্রধান দেশে আবাসস্থল অনুপযোগী হওয়া, খাদ্যের অভাব, প্রচণ্ড শীতের কবল থেকে নিজেদের বাঁচতে এরা বাংলাদেশে আসে। বিশেষ করে আফ্রিকা, ইউরোপ ও দক্ষিণ এসিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে পরিযায়ী পাখির দল আসতে শুরু করে। পরিযায়ী পাখি দেশের সম্পদ। ফসলের ক্ষতি করে এমন সব কীটপতঙ্গ আহার করে এরা জীবন বাচায়। এদের বিষ্ঠায় জমিতে মাটির উর্বরতা বারে। দেশের প্রচলিত আইনেও এসব অতিথি পাখি শিকার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ঢাকার দায়িত্বে থাকা বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানার জানিয়েছেন, পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ এ ধরনের অপরাধ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অভিযোগ করে বলেছেন, বিগত আওয়ামী শাসনামলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনে জড়িত ‘হেলমেট বাহিনী’ এখন ‘গুপ্ত বাহিনী’ হিসেবে সক্রিয় হয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, জুলাই বিপ্লবে পুলিশ সদস্য হত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ শহিদ জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। সেসময় মুক্তিযুদ্ধ মাত্র শেষ হয়েছে। তখন একজন মুক্তিযোদ্ধাও এ বইয়ের কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধিতা করেন নাই। এতেই প্রমাণ হয় শহীদ জিয়া দেশের মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জানে ও শুনে এসেছে যে স্বাধীনতার ঘোষণা কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়। ২৭ মার্চ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান প্রভিশনাল হেড অব দ্য স্টেট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
১৬ ঘণ্টা আগে