
খান সুজন, শ্রীনগর প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন চকে আলু ক্ষেতের বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন স্থানীয় আলু চাষীরা। ক্ষেতের পরিচর্যায় প্রয়োজন অসংখ্য কৃষি শ্রমিক। এতে নারী শ্রমিকদের কদর বেড়েছে। আলুর আশানুরূপ ফলনের আশায় স্থানীয় কৃষকরা জমিতে পানি সেচ, কীটনাশক স্প্রে ও ফসলি জমিতে আগাছা-জঙ্গল অপসারণের কাজ করছেন। এসব কাজে পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি মাঠে নারী শ্রমিকরাও কাজ করছেন। যদিও প্রারশ্রমিকের দিক থেকে বিবেচনায় নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। একজন নারী শ্রমিক সারাদিন কাজ করে মজুরী পাচ্ছেন ৪০০ টাকা। সেখানে একজন পুরুষ শ্রমিক দৈনিক মজুরি ধরা হচ্ছে ৬০০ টাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বীরতারা, তন্তর, আটপাড়া ও কুকুটিয়া ইউনিয়নের চক জুড়ে আলুর আবাদ হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা ফসলের কাঙ্খিত ফলনের আশায় এসব জমির বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন। আগাছা-জঙ্গল অপসারণ, পানি সেচ ও ফসলকে রোগমুক্ত রাখতে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। এসব কাজে পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও সমানতালে কাজ করছেন।
কৃষকরা বলছেন, আলু চাষের প্রথম দিকে টানা বৃষ্টিতে আলুর ব্যাপক ক্ষতি হয়। অতিরিক্ত খরচ করে ভুক্তভোগী চাষীরা পুনরায় জমিতে আলুবীজ বপণ করেন। এখন আলুর কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ার লক্ষ্যে আলু ক্ষেতের বাড়তি যত্নে সার্বিক পরিচর্যা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় জমিতে অর্থ ব্যয় করে পানি সেচ করতে হচ্ছে। নারী শ্রমিক দিয়ে আগাছা পরিস্কারের কাজ করানো হচ্ছে। এ কাজের জন্য প্রত্যেক নারীকে দু’বেলা খাবারসহ ৪০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে। সেখানে একজন পুরুষ শ্রমিকে ৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে। তাই এসব কাজে নারী শ্রমিকের কদর বাড়ছে।
উপজেলার সুফিগঞ্জ ও তন্তরে কয়েকজন নারী শ্রমিক জানান, তারা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে এ অঞ্চলে এসেছেন কাজ করতে। রুসদী, পুরারবাগ ও নওপাড়া বাজার এলাকায় তারা ভাড়া থাকছেন।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্র মতে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় ২৩০০ হেক্টার জমিতে আলুর আবাদ হচ্ছে। প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে। আবাদি এসব কৃষি জমিতে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করছে।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন চকে আলু ক্ষেতের বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন স্থানীয় আলু চাষীরা। ক্ষেতের পরিচর্যায় প্রয়োজন অসংখ্য কৃষি শ্রমিক। এতে নারী শ্রমিকদের কদর বেড়েছে। আলুর আশানুরূপ ফলনের আশায় স্থানীয় কৃষকরা জমিতে পানি সেচ, কীটনাশক স্প্রে ও ফসলি জমিতে আগাছা-জঙ্গল অপসারণের কাজ করছেন। এসব কাজে পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি মাঠে নারী শ্রমিকরাও কাজ করছেন। যদিও প্রারশ্রমিকের দিক থেকে বিবেচনায় নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। একজন নারী শ্রমিক সারাদিন কাজ করে মজুরী পাচ্ছেন ৪০০ টাকা। সেখানে একজন পুরুষ শ্রমিক দৈনিক মজুরি ধরা হচ্ছে ৬০০ টাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বীরতারা, তন্তর, আটপাড়া ও কুকুটিয়া ইউনিয়নের চক জুড়ে আলুর আবাদ হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা ফসলের কাঙ্খিত ফলনের আশায় এসব জমির বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন। আগাছা-জঙ্গল অপসারণ, পানি সেচ ও ফসলকে রোগমুক্ত রাখতে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। এসব কাজে পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও সমানতালে কাজ করছেন।
কৃষকরা বলছেন, আলু চাষের প্রথম দিকে টানা বৃষ্টিতে আলুর ব্যাপক ক্ষতি হয়। অতিরিক্ত খরচ করে ভুক্তভোগী চাষীরা পুনরায় জমিতে আলুবীজ বপণ করেন। এখন আলুর কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ার লক্ষ্যে আলু ক্ষেতের বাড়তি যত্নে সার্বিক পরিচর্যা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় জমিতে অর্থ ব্যয় করে পানি সেচ করতে হচ্ছে। নারী শ্রমিক দিয়ে আগাছা পরিস্কারের কাজ করানো হচ্ছে। এ কাজের জন্য প্রত্যেক নারীকে দু’বেলা খাবারসহ ৪০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে। সেখানে একজন পুরুষ শ্রমিকে ৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে। তাই এসব কাজে নারী শ্রমিকের কদর বাড়ছে।
উপজেলার সুফিগঞ্জ ও তন্তরে কয়েকজন নারী শ্রমিক জানান, তারা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে এ অঞ্চলে এসেছেন কাজ করতে। রুসদী, পুরারবাগ ও নওপাড়া বাজার এলাকায় তারা ভাড়া থাকছেন।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্র মতে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় ২৩০০ হেক্টার জমিতে আলুর আবাদ হচ্ছে। প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে। আবাদি এসব কৃষি জমিতে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করছে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০ মে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল।
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজাখস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ও আস্তানায় স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের বিষয়ে একমত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রম আইনের মামলায় আজ বুধবার সকালে গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ চার আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতের বিচারক গোলাম আজম এ দিন দুপুরে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নকল এখন না থাকলেও নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তাহলে কোনভাবেই এর সঙ্গে জড়িতদের ছাড় দেয়া হবে না।’
৫ ঘণ্টা আগে