
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বেসরকারি স্কুল-কলেজে ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিই শিক্ষক নিয়োগ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে এখনকার মতো বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না।
২০০৫ সালে এনটিআরসিএর যাত্রা শুরু। ওই সময় তারা কেবল শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করত। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সংস্থাটি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ দিতে শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত সংস্থাটি এক লাখ ৭৭ হাজার ৫৭১ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, এনটিআরসিএর সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি চালু হওয়ায় নিয়োগে ঘুস বা তদবিরের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এবার এনটিআরসিএর সে সুপারিশ পদ্ধতি বাতিল হয়ে ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরে গেলে শিক্ষক নিয়োগে ফের ঘুস, তদবির ও নিয়োগ বাণিজ্য ফিরে আসতে পারে বলে শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

সেই আশঙ্কা ফিরে এসেছে মূলত গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্তের সূত্র ধরে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান তার সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে সভাকে অবহিত করেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী এনটিআরসিএ যে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে আসছে গত ১১ বছর ধরে, সে কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এনটিআরসিএ কেবল ২০০৫ সালের মূল আইন অনুযায়ী নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এ বিষয়ে কোনো ‘অপতথ্য’ প্রচার না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, এনটিআরসিএ ২০০৫ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে প্রতিষ্ঠিত। এর কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দরভাবে কীভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা অব্যাহত রয়েছে। ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই সভা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র ও সভার কার্যবিবরণী নথি বলছে ভিন্ন কথা। ওই সূত্রটি জানায়, সভায় শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানান, ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ শুরু করার পর থেকে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। এনটিআরসিএতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এ অচলাবস্থা নিরসনে এনটিআরসিএ তাদের মূল কাজ তথা শিক্ষকদের নিবন্ধন ও প্রত্যয়নে ফিরে যাবে। আর তাদের প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি।
শিক্ষামন্ত্রী সভায় বলেন, এই প্রক্রিয়ায় ফিরে গেলে বর্তমানে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর সমাধান পাওয়া সম্ভব। সভার উপস্থিতিও শিক্ষামন্ত্রীর এমন ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ শুরু হবে। তার জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হবে।
এর আগের ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জনেরও তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন সংশোধন বা জারি করতে হবে— এমন সিদ্ধান্তও হয়েছে সভায়। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যসহ ওই সভার সিদ্ধান্তগুলো সভার কার্যবিবরণীর নথিতেও সুস্পষ্টভাবেই উল্লেখ রয়েছে।

বেসরকারি স্কুল-কলেজে ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিই শিক্ষক নিয়োগ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে এখনকার মতো বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না।
২০০৫ সালে এনটিআরসিএর যাত্রা শুরু। ওই সময় তারা কেবল শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করত। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে সংস্থাটি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ দিতে শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত সংস্থাটি এক লাখ ৭৭ হাজার ৫৭১ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, এনটিআরসিএর সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি চালু হওয়ায় নিয়োগে ঘুস বা তদবিরের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এবার এনটিআরসিএর সে সুপারিশ পদ্ধতি বাতিল হয়ে ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরে গেলে শিক্ষক নিয়োগে ফের ঘুস, তদবির ও নিয়োগ বাণিজ্য ফিরে আসতে পারে বলে শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

সেই আশঙ্কা ফিরে এসেছে মূলত গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্তের সূত্র ধরে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান তার সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে সভাকে অবহিত করেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী এনটিআরসিএ যে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে আসছে গত ১১ বছর ধরে, সে কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এনটিআরসিএ কেবল ২০০৫ সালের মূল আইন অনুযায়ী নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এ বিষয়ে কোনো ‘অপতথ্য’ প্রচার না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, এনটিআরসিএ ২০০৫ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে প্রতিষ্ঠিত। এর কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দরভাবে কীভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা অব্যাহত রয়েছে। ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই সভা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র ও সভার কার্যবিবরণী নথি বলছে ভিন্ন কথা। ওই সূত্রটি জানায়, সভায় শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানান, ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ শুরু করার পর থেকে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। এনটিআরসিএতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এ অচলাবস্থা নিরসনে এনটিআরসিএ তাদের মূল কাজ তথা শিক্ষকদের নিবন্ধন ও প্রত্যয়নে ফিরে যাবে। আর তাদের প্রত্যয়নপত্রধারী শিক্ষকদের বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি।
শিক্ষামন্ত্রী সভায় বলেন, এই প্রক্রিয়ায় ফিরে গেলে বর্তমানে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর সমাধান পাওয়া সম্ভব। সভার উপস্থিতিও শিক্ষামন্ত্রীর এমন ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ শুরু হবে। তার জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হবে।
এর আগের ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯ হাজার ৮৪২ জনেরও তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন সংশোধন বা জারি করতে হবে— এমন সিদ্ধান্তও হয়েছে সভায়। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যসহ ওই সভার সিদ্ধান্তগুলো সভার কার্যবিবরণীর নথিতেও সুস্পষ্টভাবেই উল্লেখ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসাটি প্রত্যন্ত চলনবিল অঞ্চলে ও উপজেলা সদর থেকে ৮/৯ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এখানকার অনেক শিক্ষক ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরে বসবাস করেন। ফলে মাদরাসায় শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়মিত নয়। এসব কারণে মাদরাসায় নেই কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থীও। দাখিল পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয়ও ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আগের বছরগুলোর মতো এ বছরের এসএসসি পরীক্ষাতেও ক্যাডেট কলেজগুলো ঈর্ষণীয় ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে। এবার ১২টি ক্যাডেট কলেজ থেকে মোট ৬১৮ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, যাদের সবাই পাস করেছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০৭ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৯৮ দশমিক ২২ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
এক মাস পর সে মামলাতেও জামিন পেলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বললেও পুলিশ আবার নতুন কোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন জানাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিদ্যালয়টির এই ফলাফলের তথ্য জানা যায়।
৮ ঘণ্টা আগে