
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুর্নীতির অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) আওতাধীন এটুআই প্রোগ্রামের ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরামর্শক ও ওই মন্ত্রণালয়ের ৬ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় আইসিটি বিভাগ। গত ২০ আগস্ট এ নির্দেশনা দেয়ার পর অভিযোগ তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়। কমিটি গঠনের ২২ দিন পর গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম সভা করে তদন্ত কমিটি। তবে এবার এই তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধেই ওঠেছে অনিয়মের অভিযোগ।
জানা গেছে, তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ মেহেদী হাসানকে। এ ছাড়া এটুআই প্রোগ্রামের যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক মোল্লা মিজানুর রহমান এবং আইসিটি বিভাগের উপসচিব মো. শাহীনুর আলমকে কমিটির সদস্য করা হয়। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও অডিট অধিদপ্তরের এক জন করে প্রতিনিধি কমিটিতে রাখা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, যে কমিটি অনিয়মের তদন্ত করবে, খোদ সেই কমিটির সভাপতিই অভিযুক্তদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করাসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের চুক্তি করেছেন। শুধু তাই নয়, এটুআইয়ের ১৪ কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য প্রমাণসহ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সংবাদ প্রকাশ করলেও তদন্ত কমিটি সেটি আমলে নিচ্ছে না। উল্টো অভিযোগ পাঠানোর জন্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তদন্ত কমিটির সভাপতির স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
আইসিটি সূত্র জানায়, যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে, তারা এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধু আনীর চৌধুরীর ওপর অভিযোগের দায় চাপাচ্চেন।
এটুআইয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অনিয়ম ও অবৈধ লেনদেন নিয়ে এটুআই-এর যে ১৪ জন কর্মকর্তার নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া তদন্ত ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসানের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। যে কারণে সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী আইসিটি প্রকৌশলী পরিষদের সমন্বয়ক তালহা ইবনে আলাউদ্দিন বলেন, তদন্ত কমিটির কাছে আমরা দুই দফায় লিখিত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করেছি। অভিযোগের তদন্ত, প্রমাণ ও অধিকতর সত্যতা তুলে ধরতে আমরা বেশ কিছু প্রমাণ তদন্ত কমিটিকে দিলেও তারা কোনো কাজ করেনি। আমরা আশঙ্কা করছি, তদন্ত কমিটি অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও তদন্ত কমিটি সভাপতি মেহেদী হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করেন এবং ফোনে কথা বলতে রাজি হননি।

দুর্নীতির অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) আওতাধীন এটুআই প্রোগ্রামের ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরামর্শক ও ওই মন্ত্রণালয়ের ৬ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় আইসিটি বিভাগ। গত ২০ আগস্ট এ নির্দেশনা দেয়ার পর অভিযোগ তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়। কমিটি গঠনের ২২ দিন পর গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম সভা করে তদন্ত কমিটি। তবে এবার এই তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধেই ওঠেছে অনিয়মের অভিযোগ।
জানা গেছে, তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ মেহেদী হাসানকে। এ ছাড়া এটুআই প্রোগ্রামের যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক মোল্লা মিজানুর রহমান এবং আইসিটি বিভাগের উপসচিব মো. শাহীনুর আলমকে কমিটির সদস্য করা হয়। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও অডিট অধিদপ্তরের এক জন করে প্রতিনিধি কমিটিতে রাখা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, যে কমিটি অনিয়মের তদন্ত করবে, খোদ সেই কমিটির সভাপতিই অভিযুক্তদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করাসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের চুক্তি করেছেন। শুধু তাই নয়, এটুআইয়ের ১৪ কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য প্রমাণসহ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সংবাদ প্রকাশ করলেও তদন্ত কমিটি সেটি আমলে নিচ্ছে না। উল্টো অভিযোগ পাঠানোর জন্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তদন্ত কমিটির সভাপতির স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
আইসিটি সূত্র জানায়, যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে, তারা এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধু আনীর চৌধুরীর ওপর অভিযোগের দায় চাপাচ্চেন।
এটুআইয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অনিয়ম ও অবৈধ লেনদেন নিয়ে এটুআই-এর যে ১৪ জন কর্মকর্তার নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। ফলে তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া তদন্ত ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসানের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। যে কারণে সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী আইসিটি প্রকৌশলী পরিষদের সমন্বয়ক তালহা ইবনে আলাউদ্দিন বলেন, তদন্ত কমিটির কাছে আমরা দুই দফায় লিখিত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করেছি। অভিযোগের তদন্ত, প্রমাণ ও অধিকতর সত্যতা তুলে ধরতে আমরা বেশ কিছু প্রমাণ তদন্ত কমিটিকে দিলেও তারা কোনো কাজ করেনি। আমরা আশঙ্কা করছি, তদন্ত কমিটি অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও তদন্ত কমিটি সভাপতি মেহেদী হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করেন এবং ফোনে কথা বলতে রাজি হননি।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা এক মামলায় জহির রায়হান (৩২) নামে এক তরুণকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত জহির রায়হান সদর উপজেলার বাসিন্দা।
৮ ঘণ্টা আগে
হোলি আর্টিজান হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশে নতুন একটি থানা এবং তিনটি উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)। চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে ‘হালদা’ নামে একটি নতুন থানা গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নিরাপত্তার ধারণা গুণগতভাবে পাল্টে গেছে। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার সীমান্ত পাহারা দেওয়ার থেকেও এখন সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
১০ ঘণ্টা আগে