
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় সৌদি আরব থেকে ফেরা সেই প্রবাসীর পরিবারের সন্ধান মিলেছে। ফেসবুকে আমাদের পোস্ট দেখে সৌদি আরব থেকে এক প্রবাসী তাকে চিনতে পারেন। এরপর তিনি টাঙ্গাইলে পরিবারকে জানালে তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
আমরা জানতে পেরেছি ভুক্তভোগী ওই প্রবাসীর নাম আলতাফ আলী। বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার, গোবিন্দপুর গ্রামে। তিনি ৪ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। অবৈধ হয়ে বা অন্য কোন কারণে সম্ভবত ডিপোর্টেশন সেন্টারে নেয়া হয় তাকে। ১৬ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০.৪৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের SV806 ফ্লাইটে রিয়াদের জেল থেকে সম্পূর্ণ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি দেশে ফেরেন।কিন্তু নতুন সংকট শুরু হয় কোন ঠিকানা না থাকায়।
বিদেশে জেল থেকে কেউ ফেরত আসলে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস তাদের জন্যে একটি ট্রাভেল পাস ইস্যু করে যেখানে ফেরত কর্মীর নাম ঠিকানা উল্লেখ করা থাকে। কিন্তু আলতাফ আলী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় একমাত্র কাগজটি উনি কখন কোথায় ফেলেন বলতে পারেননি। বিমানবন্দরে অস্বাভাবিক আচরণ করলে বিমানবন্দরের এপিবিএন পুলিশ কর্মকর্তারা পরিবার খুঁজে পেতে সহায়তার জন্যে ব্র্যাকের কাছে হস্তান্তর করে।
এরপর গত দু'দিন আমাদের ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মীরা তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি কোনভাবেই নিজের নাম ঠিকানা বলতে পারছিলেন না। মাঝে মধ্যে তিনি শুধু হাসেন। আমাদের কাউন্সিলররা কথা বলে এক পর্যায়ে বুঝতে পারেন তাঁর বাড়ি সম্ভবত টাঙ্গাইল জেলায়।
তবে টাঙ্গাইলের কোথায় জানার চেষ্টায় আমরা তার সামনে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা, থানা বা গ্রামের নাম বলতে থাকলে উনি 'কালিহাতি' শোনার পর মাথা নাড়েন। এক পর্যায়ে উনি খাতায় খুব চেষ্টা করে কয়েকবার একটি মোবাইল নাম্বার লিখেন কিন্তু সে নাম্বারটিও আমরা বন্ধ পাই।
ইতিমধ্যে আমরা ফেসবুকে পোস্ট দিলে সৌদি আরব থেকে একজন জানান তার নাম আলতাফ আলী। ইতিমধ্যে তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা ঢাকায় আসছেন। আপনাদের সবার সহযোগিতায় গত সাত বছরে বিদেশ ফেরত মানুষের জন্য এমন অনেক মানবিক ঘটনার স্বাক্ষী আমরা। এগুলো সম্ভব হয়েছে আমাদের সহকর্মীসহ আপনাদের সবার সহযোগিতায়।

মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় সৌদি আরব থেকে ফেরা সেই প্রবাসীর পরিবারের সন্ধান মিলেছে। ফেসবুকে আমাদের পোস্ট দেখে সৌদি আরব থেকে এক প্রবাসী তাকে চিনতে পারেন। এরপর তিনি টাঙ্গাইলে পরিবারকে জানালে তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
আমরা জানতে পেরেছি ভুক্তভোগী ওই প্রবাসীর নাম আলতাফ আলী। বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার, গোবিন্দপুর গ্রামে। তিনি ৪ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। অবৈধ হয়ে বা অন্য কোন কারণে সম্ভবত ডিপোর্টেশন সেন্টারে নেয়া হয় তাকে। ১৬ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০.৪৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের SV806 ফ্লাইটে রিয়াদের জেল থেকে সম্পূর্ণ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে তিনি দেশে ফেরেন।কিন্তু নতুন সংকট শুরু হয় কোন ঠিকানা না থাকায়।
বিদেশে জেল থেকে কেউ ফেরত আসলে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস তাদের জন্যে একটি ট্রাভেল পাস ইস্যু করে যেখানে ফেরত কর্মীর নাম ঠিকানা উল্লেখ করা থাকে। কিন্তু আলতাফ আলী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় একমাত্র কাগজটি উনি কখন কোথায় ফেলেন বলতে পারেননি। বিমানবন্দরে অস্বাভাবিক আচরণ করলে বিমানবন্দরের এপিবিএন পুলিশ কর্মকর্তারা পরিবার খুঁজে পেতে সহায়তার জন্যে ব্র্যাকের কাছে হস্তান্তর করে।
এরপর গত দু'দিন আমাদের ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মীরা তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি কোনভাবেই নিজের নাম ঠিকানা বলতে পারছিলেন না। মাঝে মধ্যে তিনি শুধু হাসেন। আমাদের কাউন্সিলররা কথা বলে এক পর্যায়ে বুঝতে পারেন তাঁর বাড়ি সম্ভবত টাঙ্গাইল জেলায়।
তবে টাঙ্গাইলের কোথায় জানার চেষ্টায় আমরা তার সামনে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা, থানা বা গ্রামের নাম বলতে থাকলে উনি 'কালিহাতি' শোনার পর মাথা নাড়েন। এক পর্যায়ে উনি খাতায় খুব চেষ্টা করে কয়েকবার একটি মোবাইল নাম্বার লিখেন কিন্তু সে নাম্বারটিও আমরা বন্ধ পাই।
ইতিমধ্যে আমরা ফেসবুকে পোস্ট দিলে সৌদি আরব থেকে একজন জানান তার নাম আলতাফ আলী। ইতিমধ্যে তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা ঢাকায় আসছেন। আপনাদের সবার সহযোগিতায় গত সাত বছরে বিদেশ ফেরত মানুষের জন্য এমন অনেক মানবিক ঘটনার স্বাক্ষী আমরা। এগুলো সম্ভব হয়েছে আমাদের সহকর্মীসহ আপনাদের সবার সহযোগিতায়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এ বক্তব্যকে গ্রহণ করেনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা বাসসকে মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘এ ঘটনায় ভারতীয় পক্ষ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়।’
১৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য ও দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শামীম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে ডিআরইউ।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘ইকোনমিক অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট’ (আর্ন) প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের নয় লাখ যুব-যুব নারীকে কর্মমুখী প্রশিক্ষণ, আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ছেলে হত্যার বর্ণনা দেওয়ার কান্নায় ভেঙে পড়েন শহিদুল ইসলাম। মামলার আসামি সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ তার একমাত্র ছেলের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে