
ফেনী প্রতিনিধি

জিম্মিদশার দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে স্বজনদের কাছে ফিরেছেন সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে অপহৃত ফেনীর ইব্রাহিম খলিল উল্ল্যাহ বিপ্লব। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় ফেনীর নাজির রোড়ের বাসায় ফেরেন তিনি। এ সময় মাকে বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনেক দিন পর সন্তানদের কাছে পেয়ে বুকে জড়িয়ে আদর করেন বিপ্লব। বাবাকে পেয়ে খুনসুটি করতে থাকে সন্তানরাও। তার বাসা ফেরায় স্বজনরা সুখ আনন্দ অনুভব করেন।
এ সময় বিপ্লব জাহাজ মালিকপক্ষ, সরকার এবং গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানান। বর্ণনা দেন তাদের জিম্মি দশার দুঃসহ স্মৃতির। জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর ইলেকট্রিশিয়ান পদে কর্মরত এই নাবিক জানান, দেশে এবং দেশের মানুসের দোয়ায় আমরা ফিরে এসেছি। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এই দুঃস্বপ্ন দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।
বিপ্লব জানান, যখন মুক্তিপণ দেওয়া হচ্ছিল তখন ৬৫ জন দস্যু একে-৪৭সহ বিভিন্ন অস্ত্র আমাদের দিকে তাক করা ছিল। পাশপাশি তাদের আঙুল ট্রিগারে ছিল। এক পাশ থেকে ইউরোপিয়ান যুদ্ধ জাহাজ আর একটা প্লেন ওপরে ফ্লাই করছিল। ওরা তখন বলছি কোনো নড়চড় হলে সঙ্গে সঙ্গে সুট। আমাদের মনে হচ্ছিলো জীবন এখানেই শেষ।
সোমালি জলদস্যুরা বাংলাদেশের মিডিয়াগুলোর খুব প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন বিপ্লব। জলদস্যু আহমেদ তাকে বলে, ‘তোমাদের নিউজ মিডিয়াগুলো খুব ফাস্ট। আমরা তোমাদের নিউজ প্রতিদিন দেখছি। ওরা তোমাদের নিয়ে খুব চিন্তিত।’
জাহাজে দস্যুদের আক্রমণের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমাদের জরুরি সংকেত দেওয়া হয়। ক্যাপ্টেন চেষ্টা করেছিল দস্যুরা যাতে জাহাজে উঠতে না পারে। কিন্তু তাদের হাতে অস্ত্র থাকায় ফায়ার করতে করতে চার জন জাহাজে উঠে পড়ে। এ সময় ক্যাপ্টেনের নির্দেশে আমরা জাহাজের গোপন জায়গায় চলে যাই। পরে আবার বের হয়ে আসি ‘
তিনি জানান, আমরা যখন ঘুমাই তখনও একে-৪৭ এর নল আমাদের মাথায় ঠেকানো ছিল। ভুলবশত ওদের ট্রিগারে চাপ পড়তে পারত। এখনও ঘুমালে আমি সেই স্বপ্ন দেখি।
৬৪ দিনের শ্বাসরুদ্ধকর যাত্রা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে এসে পৌঁছান তিনি।
বিপ্লবের স্ত্রী উম্মে সালমা সোনিয়া বলেন, এবারের বাড়ি ফেরা অন্য সময়ের চেয়ে একদম ভিন্ন। এ খুশি বলে বুঝানো যাবে না। খুশি মা রৌশনারা বেগমও। নিরাপদে বাড়ি ফেরায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান ইব্রাহীম খলিল উল্যাহ বিপ্লবের শ্বশুর ইব্রাহীম খলিল।

জিম্মিদশার দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে স্বজনদের কাছে ফিরেছেন সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে অপহৃত ফেনীর ইব্রাহিম খলিল উল্ল্যাহ বিপ্লব। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় ফেনীর নাজির রোড়ের বাসায় ফেরেন তিনি। এ সময় মাকে বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনেক দিন পর সন্তানদের কাছে পেয়ে বুকে জড়িয়ে আদর করেন বিপ্লব। বাবাকে পেয়ে খুনসুটি করতে থাকে সন্তানরাও। তার বাসা ফেরায় স্বজনরা সুখ আনন্দ অনুভব করেন।
এ সময় বিপ্লব জাহাজ মালিকপক্ষ, সরকার এবং গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানান। বর্ণনা দেন তাদের জিম্মি দশার দুঃসহ স্মৃতির। জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর ইলেকট্রিশিয়ান পদে কর্মরত এই নাবিক জানান, দেশে এবং দেশের মানুসের দোয়ায় আমরা ফিরে এসেছি। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এই দুঃস্বপ্ন দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।
বিপ্লব জানান, যখন মুক্তিপণ দেওয়া হচ্ছিল তখন ৬৫ জন দস্যু একে-৪৭সহ বিভিন্ন অস্ত্র আমাদের দিকে তাক করা ছিল। পাশপাশি তাদের আঙুল ট্রিগারে ছিল। এক পাশ থেকে ইউরোপিয়ান যুদ্ধ জাহাজ আর একটা প্লেন ওপরে ফ্লাই করছিল। ওরা তখন বলছি কোনো নড়চড় হলে সঙ্গে সঙ্গে সুট। আমাদের মনে হচ্ছিলো জীবন এখানেই শেষ।
সোমালি জলদস্যুরা বাংলাদেশের মিডিয়াগুলোর খুব প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন বিপ্লব। জলদস্যু আহমেদ তাকে বলে, ‘তোমাদের নিউজ মিডিয়াগুলো খুব ফাস্ট। আমরা তোমাদের নিউজ প্রতিদিন দেখছি। ওরা তোমাদের নিয়ে খুব চিন্তিত।’
জাহাজে দস্যুদের আক্রমণের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমাদের জরুরি সংকেত দেওয়া হয়। ক্যাপ্টেন চেষ্টা করেছিল দস্যুরা যাতে জাহাজে উঠতে না পারে। কিন্তু তাদের হাতে অস্ত্র থাকায় ফায়ার করতে করতে চার জন জাহাজে উঠে পড়ে। এ সময় ক্যাপ্টেনের নির্দেশে আমরা জাহাজের গোপন জায়গায় চলে যাই। পরে আবার বের হয়ে আসি ‘
তিনি জানান, আমরা যখন ঘুমাই তখনও একে-৪৭ এর নল আমাদের মাথায় ঠেকানো ছিল। ভুলবশত ওদের ট্রিগারে চাপ পড়তে পারত। এখনও ঘুমালে আমি সেই স্বপ্ন দেখি।
৬৪ দিনের শ্বাসরুদ্ধকর যাত্রা শেষে মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে এসে পৌঁছান তিনি।
বিপ্লবের স্ত্রী উম্মে সালমা সোনিয়া বলেন, এবারের বাড়ি ফেরা অন্য সময়ের চেয়ে একদম ভিন্ন। এ খুশি বলে বুঝানো যাবে না। খুশি মা রৌশনারা বেগমও। নিরাপদে বাড়ি ফেরায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান ইব্রাহীম খলিল উল্যাহ বিপ্লবের শ্বশুর ইব্রাহীম খলিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করার কাজ চলছে। জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে এবং দ্রুত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত ও সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে সব গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আজ শুক্রবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ অনুরোধ জানানো হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে